নখ ভেঙে (broken nail) যাচ্ছে? তা হলে ঘরেই করতে হবে নখ-পরিচর্যা (nail care)

নখ ভেঙে (broken nail) যাচ্ছে? তা হলে ঘরেই করতে হবে নখ-পরিচর্যা (nail care)

গত মাসেই বিয়ে হয়েছে অভিনন্দার। কিন্তু বিয়ের এক সপ্তাহ আগেই বাঁ হাতের দু’টো আঙুলের নখ ভেঙে সে এক বিচ্ছিরি কাণ্ড! বিয়েতে লাল টুকটুকে বেনারসির সঙ্গে কী রকম নেল আর্ট (nail art) করাবে, সেটা পর্যন্ত ঠিক করেও রেখেছিল। কিন্তু তার আগেই তো নখ ভেঙে (broken nail) একাকার। এখন সব আঙুলের নখই কাটতে হবে না হলে তো কেমন একটা আধাখ্যাঁচড়া মার্কা লাগবে। তাই বিয়েতে আর পারফেক্ট সাজুগুজু করা হল না বলে রীতিমতো কান্নাকাটি জুড়ে দিল সে। আদুরে মেয়ের সেই কান্নায় তো বাবা-মায়েরও চিন্তার শেষ নেই। তখন মুশকিল আসান হয়ে এল অভিনন্দার প্রিয় বান্ধবী সন্দীপ্তা। সে যাত্রা নেল এক্সটেনশন (nail extension) এনে অভিনন্দাকে বাঁচায় সে। তবে নখ ভেঙে (broken nail) যাওয়ার এই সমস্যা কমবেশি সব মেয়েরই রয়েছে। আর একটা মেয়ের কাছে এই বিষয়টা ঠিক যেন একটা দুঃস্বপ্ন! আসলে আমরা অনেক সময়ই ভুলে যাই যে, মুখ হাত পায়ের যত্নের সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে নখেরও (nail) যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ নখ (nail) যদি দেখতে খারাপ লাগে, তা হলে আমরা যতই সাজি না কেন, সাজ ঠিক কমপ্লিট হয় না। আর তার ফলে কনফিডেন্সও হারিয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় ঠিকঠাক যত্ন নিলেও লাভ হয় না। সেই নখ ভেঙেই (broken nail) যায়। আসলে জেনেটিক সমস্যা, শারীরিক সমস্যা- এ সব কারণেও নখ (nail) ভঙ্গুর হয়ে যায়। অনেকের তো  আবার নাকি হাতের নখ (nail) একটু বড় হলেই ভেঙে যায়। এই তো সে দিনই এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আমার নখ (nail) দেখে বেশ প্রশংসা করে জানাল নখ নিয়ে ওকে যা ভুগতে হয়েছে! তখনই বলল যে, এমনিতে প্রথম থেকেই ওর নখ হলুদ থাকত। নখের যত্নআত্তি করলেও বা ম্যানিকিওর করালেও লাভ হতো না। আর একটু বড় হতে না হতে নখ (broken nail) ভেঙে যেত। শেষে নাকি ডাক্তার দেখিয়ে এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি মিলেছে।


আরো পড়ুনঃ নখকুনি নিরাময়ের ঘরোয়া উপায়


damaged-nail


তাই ও আমায় জানাল যে, আমরা আসলে বাহ্যিক ভাবে নখের পরিচর্যা (nail care) করতে যাই। কিন্তু সেটা ঠিক নয়। কারণ সবার আগে জানতে হবে কী কী কারণে আমাদের নখ ভঙ্গুর হয়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায় নখ ভেঙে যাওয়াকে বলা হয় এনাইকোস্কিজিয়া। এমনিতে বারবার জল ব্যবহার, ডিটারজেন্ট ও নেলপলিশ রিমুভার বেশি ব্যবহার করার দরুন নখ ভঙ্গুর হয়ে যেতে থাকে। শুধু তা-ই নয়, নখ ভাঙার আরও একটা বড় কারণ হচ্ছে শারীরিক সমস্যা। অপুষ্টি, থাইরয়েড, লিভারের সমস্যা, হরমোনজনিত সমস্যা তো আছেই, আবার নখে ছত্রাকের (fungal infection) আক্রমণ হলেও নখ ভেঙে (broken nail) যায়।


nail-tools


নখ (nail) যাতে ভেঙে না যায়, তার জন্য প্রাথমিক ভাবে কয়েকটা বিষয় নজর রাখতে হবে।


১। যাঁরা সব সময় জল ঘাটেন, তাঁরা জলের ব্যবহার কমান। আর সেটা না করা গেলে গ্লাভস ব্যবহার করুন। বাগানে কাজ করার সময় অবশ্যই গ্লাভস পরবেন। এর ফলে আপনার নখে (nail) ময়লা লাগবে না এবং নখে চাপও পড়বে না।


২। নির্দিষ্ট সময় পর পর অল্প অল্প করে হলেও নখ (nail) কাটবেন। নখের কোণা ধারালো হয়ে এলে নেল ফাইলার দিয়ে নেল ফাইল (nail cutting) করুন। নিয়মিত নখ ছোট করতে থাকলে নখের (nail) স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে এবং ভাঙার প্রবণতাও কমবে।


৩। দাঁত দিয়ে নখ (nail) কাটার অভ্যেস আছে? তা হলে এখনই সেই অভ্যেস তাড়ান। কারণ এতে আপনার পেটের অসুখ তো করেই। সেই সঙ্গে নখকেও দুর্বল করে দেয়।


৪। নেলপলিশ (nail polish) ছাড়া একেবারেই চলে না? আর বারবার নেল রিমুভার ব্যবহার করা হয়? তা হলে সেটা কমাতে হবে। কারণ নেলপলিশ (nail polish) ও নেল রিমুভারের (nail remover) মধ্যে ক্ষতিকর কেমিক্যালস থাকে। নেল আর্ট (nail art) করা না থাকলে অ্যাসিটোনযুক্ত নেল রিমুভার (nail remover) ব্যবহার করবেন না। যা আপনার নখকে  (nail) আরও দুর্বল আর ভঙ্গুর করে দেয়। মাঝেমধ্যে নেলপলিশ (nail polish) না পরেই থাকুন। নখের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য হ্যান্ড অ্যান্ড নেল ক্রিম মাসাজ করতে হবে।


৫। সপ্তাহে এক বার অন্তত মিনিট কুড়ি ইষদুষ্ণ গরম জলে নখ (nail) ডুবিয়ে রাখু ন। তার পর ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষে নিন। এ বার নখ শুকনো করে মুছে গ্লিসারিন বা ভেসলিন মাসাজ করে নিন। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নখে অলিভ অয়েল মাসাজ করুন। নখের (nail) জন্য বিভিন্ন রকম তেল খুবই উপকারী। যেমন- তিলের তেল, বাদাম তেল, অলিভ অয়েল।


৬। প্রতিদিন স্নানের পরে নখে (nail) ভেসলিন লাগিয়ে রাখুন। এটা আপনার নখে আর্দ্রতা জোগাবে। আর ভঙ্গুর নখে আর্দ্রতা রক্ষা করাটা বেশ জরুরি।


৭। আরও বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বিশেষ করে প্রোটিন ও বায়োটিন সমৃদ্ধ এবং ভিটামিন জাতীয় খাবার খেতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, বাদাম আর টকজাতীয় ফল বেশি করে খেতে হবে।


pink nails


এ ছাড়াও ঘরোয়া উপায়ে নখ পরিচর্যা (nail care) করার কয়েকটা উপায় রইল।


ক্যাস্টর অয়েল ও ভিটামিন ই মিশ্রণ (Castor oil and Vitamin-E)


ক্যাস্টর অয়েল (castor oil) এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা নখকে হাইড্রেট করে এবং নখকে পুষ্ট করে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফ্যাাটি অ্যাসিড ও প্রোটিন। যা নখের গঠনকে শক্তপোক্ত করে। যার ফলে নখ যাওয়া কমে যায়। চার টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল (castor oil) ও এক টেবিল চামচ ভিটামিন ই অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। পরিষ্কার নেল পেন্ট ব্রাশের সঙ্গে ওই মিশ্রণ নখে লাগাতে হবে। এর পর নখ তেল শুষে নেওয়ার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। প্রতিদিন এক বার করে অন্তত এই মিশ্রণ তেলে লাগাতে থাকুন। নখ (nail) ভেঙে যাওয়া বন্ধ হবে।


রসুন ও অ্যালোভেরার মিশ্রণ (Garlic and Aloe vera)


এই মিশ্রণ দিয়ে তৈরি প্রাকৃতিক এই ক্রিম নখে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি করে। তা নখের গঠনে সাহায্য করে এবং নখ ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধ করে। এই ক্রিমে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাংগাল উপাদান রয়েছে, যা নখের ফাংগাস আর ইনফেকশনের সমস্যাকে প্রতিরোধ করে। এই ক্রিম তৈরির জন্য এক কোয়া রসুন (garlic) ও তিন টেবিল চামচ ব্লেন্ডারে মিশিয়ে নিতে হবে। এ বার ক্রিমটা নখ (nail) ও নখের চারপাশে লাগিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে তিন বার অন্তত এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন।


অলিভ অয়েল ও আমন্ড অয়েলের মিশ্রণ (Olive Oil and Almond Oil )


অলিভ অয়েলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট নখে তৈরি হওয়া ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। শুধু তা-ই নয়, নখ ভাঙা প্রতিরোধও করে। এ ছাড়াও আমন্ড অয়েল নখকে পুষ্ট করে এবং শক্ত করে। দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও এক টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিতে হবে। এ বার নেলপলিশের ব্রাশের সাহায্যে সেটিকে নখে লাগাতে হবে। আধ ঘণ্টা রেখে দিয়ে একটি তুলোর বলের সাহায্যে নখ (nail) পরিষ্কার করে নিতে হবে। প্রতিদিন এক বার করে এই মিশ্রণ নখে লাগান। নখের পরিবর্তন খুব শিগগিরিই দেখতে পাবেন।


সি-সল্ট (Sea-salt)


আপনি কি এমন কিছু খুঁজছেন, যা আপনার নখকে শুধু শক্তই করবে না, কিউটিকলগুলোকে নরম করবে এবং নখে জেল্লা এনে দেবে? তা হলে আপনি চোখ বুজে সি-সল্ট বা সামুদ্রিক লবণ ব্যবহার করে দেখতে পারেন। একটি বাটিতে ইষদুষ্ণ গরম জল নিয়ে তার মধ্যে দুই টেবিল চামচ সি-সল্ট মিশিয়ে নিন। এ বার তার মধ্যে ২ ফোঁটা হুইটজার্ম অয়েল, লেমন এসেন্সিয়াল অয়েলস মেশান। ১০-১৫ মিনিট আপনার নখ তাতে ভিজিয়ে রাখুন। এর পর গরম জলে হাত ধুয়ে একটা লোশন লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার করলে বদলটা শিগগিরি নজরে আসবে।  



বিয়ার (Beer)


কি, বিশ্বাস হচ্ছে না তো? হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। নখকে ভেঙে (broken nail) যাওয়া থেকে বাঁচাতে বিয়ারের ভূমিকা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মধ্যে রয়েছে সেলেনিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, বায়োটিন। এই সব উপাদান নখকে শক্ত করে এবং নখে একটা জেল্লা এনে দেয়। প্রথমে ১/৪ কাপ অলিভ অয়েল গরম করে নিন। ইষদুষ্ণ গরম হলে তার সঙ্গে ১/৪ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনিগার ও ১/২ কাপ বিয়ার মেশাতে হবে। এই মিশ্রণের মধ্যে ১০-১৫ মিনিট নখ (nail) ভিজিয়ে রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। ভাল ফল পাবেন।


অনেক সময় আমাদের নখে ছত্রাকের আক্রমণ বা ফাংগাল ইনফেকশন (fungal infection) হয়। কিন্তু সেটা কী করে বোঝা যাবে? অনেক সময়ই হয়তো লক্ষ্য করবেন, আপনার নখ স্বাভাবিকের থেকে মোটা হয়ে যাবে। আর কাটতেও অসুবিধা হবে এবং নখ হলুদ বা বাদামী হয়ে যাবে আরও ভঙ্গুর (broken nail)। এতে নখের গোড়া আক্রান্ত হয় এবং নখে ব্যথাও থাকে। হাতের নখেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্কিনের অস্বাভাবিক রকম pH level, কম ইমিউনিটি, নোংরা জুতো-মোজা, ডায়াবিটিস- এ সব কারণেই এই সমস্যা হতে পারে। বিষয়টির উপর নজর না দিলে নখটি ভেঙে (broken nail) বা পুরোপুরি উঠে যেতে পারে। তবে একেবারে ঘরোয়া উপায়ে এই সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।


fungal-infection  


ভিনিগার-বেকিং সোডা (Vinegar-Baking Soda)


বেকিং সোডা ছত্রাকনাশক নয়, তবে ছত্রাকের ছড়িয়ে পড়া (fungal infection) আটকায়। আর ভিনিগার ছত্রাক ধ্বংস করে। একটি পাত্রে এমন ভাবে জল নিন, যাতে আপনার পায়ের পাতাটি পুরোপুরি ডুবে যায়। জলের মধ্যে এক কাপ ভিনিগার মিশিয়ে নিন। এ ভাবে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখার পরে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে পা মুছে নিন। আবার নতুন করে পাত্রে ওই পরিমাণ জল নিন। এ বার তাতে কয়েক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। ওই মিশ্রণে মিনিট পনেরো পা ডুবিয়ে রাখুন। তার পর পা মুছে নিন। এ ভাবে দিনে ২ বার করুন। দেখবেন নখের সমস্যা উধাও!


মাউথ ওয়াশ (Mouthwash)


মাউথ ওয়াশ যে ভাবে মুখের ব্যাকটেরিয়া-জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, সে ভাবে নখের ফাংগাসও (fungal infection) ধ্বংস করতে পারে। একটি পাত্রে মাউথ ওয়াশ নিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। এ ভাবে ৩০ মিনিট রাখার পরে নখ ঘষে নিন। তার পরে জল দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। যত দিন না ভাল হচ্ছে, তত দিন দিনে ১-২ বার করে করতে থাকুন।


তবে ফাংগাল ইনফেকশনের (fungal infection) ক্ষেত্রে সব সময় কয়েকটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন।


১। সংক্রমণের সময় নেলপলিশ (nail polish) বা নেল রিমুভার (nail remover) ব্যবহার করা চলবে না।


২। সব সময় মোজা পরে থাকা চলবে না। আর রঙিন মোজা এড়িয়ে চলুন। সাদা সুতির মোজা ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।


৩। পায়ের পাতা পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে। পায়ে যাতে না ঘামে, সে দিকে নজর রাখুন।


৪। আর পুঁজ বেরোলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।


nail-treatment


এ সব তো নয় বোঝা গেল, কিন্তু ধরুন আপনার সামনেই কোনও অনুষ্ঠান রয়েছে। তার আগেই গেল নখ ভেঙে (broken nail)। তখন কী করবেন? কোনও ভাবে তো ম্যানেজ অন্তত করতে হবে। না হলে সাজ তো একেবারে মাঠে মারা যাবে! তাই কোনও রকমে ভাঙা নখ (broken nail) সামাল দেওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন।


টি-ব্যাগ (Teabag)


আপনার রান্নাঘরে নিশ্চয়ই টি-ব্যাগ রয়েছে। ব্যস! তা হলেই হল! টি-ব্যাগই আপনার মুশকিল আসান করবে।


১। প্রথমে নেলপলিশ (nail polish) তুলে ফেলতে হবে।


২। হাত ধুয়ে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন।


৩। এ বার নখের যতটুকু অংশ ভেঙে গিয়েছে, সেই মাপে টি-ব্যাগের একটা অংশ কেটে নিন।


৪। এর পর টি-ব্যাগের কেটে নেওয়া ওই অংশটা নেল গ্লু দিয়ে ভেঙে যাওয়া নখের (broken nail) উপর আটকে দিন।


৫। পুরোপুরি শুকিয়ে নিন।


৬। এ বার নেল বাফার দিয়ে জায়গাটাকে একটু মসৃণ করে নিন।


৭। এর পর একটা বেস কোট দিয়ে নিন। এ বার নেলপলিশ বা নেল আর্টও লাগাতে পারেন।


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং বাংলাতেও!