মাটন কিমা সহযোগে বানিয়ে ফেলো শিঙ্গাড়া! (keema samosa recipe)

মাটন কিমা সহযোগে বানিয়ে ফেলো শিঙ্গাড়া! (keema samosa recipe)

পুঁটিরাম থেকে হলদিরাম, কলকাতার নামজাদা সব মিষ্টির দোকানের শিঙ্গাড়া (samosa) নিশ্চয় এদিনে চেখে ফেলেছ। তাই তো আজ পরিবেশন করতে চলেছি ভিন্ন স্বাদের এক শিঙ্গাড়া, যা আগে কখনও খেয়েছো বলে তো মনে হয় না!


এই পদটি (keema samosa recipe) বানাতে মূলত প্রয়োজন পড়বে মাটন কিমার। সেই সঙ্গে আরও নানা সব উপকরণ তো রয়েছেই। তবে একথা বলতে পারি যে প্রয়োজনীয় সবকটি জিনিস যদি হাতের কাছে থাকে, তাহলে ১০-১২ টা কিমা সামোসা বানাতে খুব বেশি হলে এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় লাগবে। তবে ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে এই শিঙ্গাড়া যদি একবার বানিয়ে ফেলতে পারো, তাহলে রবিবাসরীয় স্ন্যাক্সের আড্ডায় (Snaks) যে ঝড় উঠবেই উঠবে, তা হলফ করে বলতে পারি।


তাহলে আর আপেক্ষা কেন, ঝটপট লেখাটা পড়ে ফেলো, আর জেনে ফেলো কিমা সামোসা (mutton keema samosa recipe) বানানোর সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে...


samosa-cooking


যে যে উপকরণগুলির প্রয়োজন পড়বে:


১. ৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি
২. পরিমাণ মতো গরম মশলা
৩. ২৫০ গ্রাম মাটন কিমা
৪. পরিমাণ মতো আদা-রসুনের পেস্ট
৫. কয়েক চামচ লঙ্কা গুঁড়ো
৬. ২৫০ গ্রাম ময়দা
৭. পরিমাণ মতো আদা কুচি
৮. ১৫-২০ গ্রাম বাদাম
৯. অল্প করে ধনে গুঁড়ো
১০. পরিমাণ মতো তেল
১১. বড় চামচের ২-৩ চামচ দই।


samosa-ingrediants


প্রণালী:


১. পরিমাণ মতো কিমা নিয়ে তাতে একে একে আদা-রসুনের পেস্ট, লঙ্কা গুঁড়ো, নুন, হলুদ, ধনে গুঁড়ো এবং দই মিশিয়ে কম করে ২০ মিনিট ম্যারিনেট করতে হবে।
২. সময় হয়ে গেলেই একটা কড়াইয়ে পরিমাণ মতো তেল নিয়ে একটু গরম করে নাও। যখন দেখবে তেলটা হলকা গরম হতে শুরু করেছে তখন তাতে গরম মশলা এবং পেঁয়াজ কুচি মিশিয়ে ভালো করে নাড়াতে হবে।
৩. পেঁয়াজটা হালকা খয়েরি রং নিতে শুরু করলে তাতে আগে থেকে ম্যারিনেট করে রাখা কিমাটা যোগ করতে হবে। এরপর অল্প করে আদা কুচি ফেলে ভালো করে রান্না করতে হবে।
৪. কিছুক্ষণ কিমাটা রান্না করার পর তাতে অল্প করে বাদাম ফেলে ভালো করে নাড়াতে হবে, যাতে সবকটি উপদান ঠিক মতো মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়।
৫. এবার শিঙ্গাড়়া বানানোর পালা। তাই পরিমাণ মতো ময়দা নিয়ে তাতে তেল এবং অল্প করে নুন মিশিয়ে ভালো করে মেখে নাও।
৬. এরপর মেখে নেওয়া ময়দা থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে ফেলো। তারপর বলগুলি একে একে বেলে নিয়ে তাতে কিমার পুরটা রেখে চারিপাশ থেকে মুড়িয়ে নিয়ে শিঙ্গাড়ার মতো ত্রিভুজ আকার দাও। প্রসঙ্গত, আজকাল বাজারে রেডিমেড ময়দার শিট কিনতে পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করেও শিঙ্গাড়া বানানো সম্ভব।
৭. এবার একটা কড়াইয়ে অনেকটা তেল নিয়ে ভালো রকম গরম করে নিতে হবে। তেলটা গরম হওয়া মাত্র একে একে শিঙাড়াগুলি তেলে ছেড়ে দিয়ে ততক্ষণ ভাজতে হবে, যতক্ষণ না সোনালী রং নিচ্ছে।
৮. এইভাবে প্রতিটি শিঙাড়া ভেজে নিয়ে পুদিনার চাটনি, নয়তো টমেটা সসের সঙ্গে পরিবেশন করলেই কেল্লা ফতে!


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!