ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে ঠান্ডা জলে মুখ ধুলে! (beauty benefits of washing face with cold water)

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে ঠান্ডা জলে মুখ ধুলে! (beauty benefits of washing face with cold water)

বেশ কিছু ডার্মাটোলজিকাল স্টাডি অনুসারে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে এবং সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফেরা মাত্র যদি ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নেওয়া যায় (beauty benefits of washing face with cold water), তাহলে ত্বকের (face) সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পড়ার মতো। শুধু তাই নয়, এমন অভ্যাস করলে নানাবিধ স্কিন ডিজিজের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কাও যায় কমে।


কিন্তু ঠান্ডা জলে এমন কি আছে যে এত সব উপকার পাওয়া যায়? আসলে জলের ঝাপটা দেওয়া মাত্র মুখের লোমকূপে জমে থাকা টক্সিক উপাদান এবং ময়লা ধুয়ে যায়। সেই সঙ্গে ত্বকের ভিতরে এমন কিছু রাসায়নিকের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে নানাবিধ উপকার মিলতে সময় লাগে না। যেমন ধরো...


১. পরিবেশ দূষণের কারণে স্কিনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে:


water-pollution
এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআই দেখলেই একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায় যে পরিবেশ দূষণের নিরিখে দিল্লির পরেই কলকাতার স্থান। এমনকি কিছু কিছু দিন তো দিল্লিকেও পিছনে ফেলে দেয় আমাদের তিলোত্তমা কলকাতা। আর এমন দূষিত শহরের বাতাসে উপস্থিত ডাস্ট পার্টিকাল এবং টক্সিক এলিমেন্টরা যে স্কিনের ক্ষতি করার একটা সুযোগও ছাড়ে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই তো সারা দিন এই সব দূষিত পদার্থের মারে ত্বক যখন জর্জরিত হয়ে পরে, তখন স্কিনের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যকে (skin care) ফিরিয়ে আনতে ঠান্ডা জলে (cold water) মুখ ধোয়া ছাড়া আর কোনও সহজ বিকল্প আছে বলে তো মনে হয় না! আসলে অফিস থেকে ফেরা মাত্র মুখে জলের ঝাপটা দিলে ত্বকের ভিতরে এবং বাইরে উপস্থিত খারাপ উপাদানেরা সব ধুয়ে যায়। ফলে স্কিনের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পড়ার মতো।


২. ত্বকের বয়স কমে:


water-skin-age
শুনতে আজব লাগলেও একথা ঠিক যে ত্বককে টানটান এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে ঠান্ডা জল বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে ঠান্ডা জলে মুখ ধোয়া মাত্র (cold water on face) রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। আর এমনটা হওয়ার কারণে স্কিনের উজ্জ্বলতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে ত্বকের ফোলা ভাব এবং বলিরেখাও কমে যায়, যে কারণে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না।


৩. ব্রণর সমস্যা দূরে থাকে:


ater-acne
ঠান্ডা জলে মুখ ধোয়ার অভ্যাস করলে প্রতিটি লোমকূপ অ্যাকটিভ হয়ে ওঠে। ফলে ময়লা জমার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে ব্রণ এবং ব্ল্যাকহেডসের মতো ত্বকের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না। এমনকি অন্যান্য নানা রকমের ত্বকের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। এবার বুঝেছো তো সকাল-বিকাল ঠান্ডা জলে মুখ ধোয়ার প্রয়োজন কতটা!


৪. ত্বকের ফোলা ভাব কমে যায়:


water-skin
আমরা সবাই ছোটবেলা থেকেই ঘুম থেকে উঠেই ঠান্ডা জলে মুখ ধুই। কিন্তু কেন এমনটা করা উচিত সেটা জানা আছে কি? আসলে ঘুমনোর সময় ত্বকের পাশাপাশি আমাদের সারা শরীরে নতুন কোষের উৎপাদন বেড়ে যায়। আর এই কারণেই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খেয়াল করে দেখবে আমাদের সবারই মুখ একটু ফুলে যায়। আর এই ফোলা ভাব কমাতেই ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধোয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আসলে এমনটা করলে শুধু মুখের ফোলা ভাব কমে না , সেই সঙ্গে সব দিক থেকে স্কিন একেবারে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ফলে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!


এগুলোও আপনি পড়তে পারেন


সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এলোভেরার এই ১২টি গুন অবশ্যই জানুন


এই টিপসগুলি মেনে জলের অপচয় বন্ধ করুন


ট্রেন্ডি তামার বোতলের কালেকশন POPxo Shop-এ