নিজস্বতা বজায় রেখেই গড়ে তুলুন সুন্দর সম্পর্ক (relationship)

নিজস্বতা বজায় রেখেই গড়ে তুলুন সুন্দর সম্পর্ক (relationship)

কলেজ লাইফে সে রকম ভাবে কারও প্রেমে পরেনি সোমদীপা। কিন্তু চাকরিতে জয়েন করার পরে সহকর্মী সৌমাল্যকে ভাল লেগে গিয়েছিল ওর। উল্টো দিকেও একই অবস্থা। এর পর চোখাচোখি থেকে কফিশপে ওদের প্রেম (love) দৌড়াতে লাগল। তবে ওদের দু’জনের পছন্দ একেবারেই আলাদা। এক জন নর্থ পোল তো আর এক জন সাউথ পোল! এ ভাবেই চলছিল। কিন্তু মাঝেমধ্যে ওদের মধ্য়ে ঝামেলা শুরু হল। ধীরে ধীরে এমন জায়গায় পৌঁছল যে, সম্পর্কই (relationship) ভেঙে যাওয়ার জোগাড়! আসলে ওদের মধ্যে যে সমস্যাটা হচ্ছিল, সেটা হল সোমদীপা নিজস্বতা (originality) হারিয়ে ফেলছিল। সৌমাল্যর পছন্দমতো কাজ করার চেষ্টা করতো সে। সৌমাল্যর পছন্দের সঙ্গে নিজেকে বদলে (change) ফেলত সে। কিন্তু এটাতেই সৌমাল্যর ঘোর আপত্তি। আসলে ওদের দু’জনের সম্পর্কের (relationship) বৈপরীত্যটাতেই দুষ্টুমিষ্টি একটা ব্যাপার ছিল। তা-ও সোমদীপা এ বিষয়ে লাকি। কিন্তু সকলের ক্ষেত্রে তো তেমনটা হয় না। প্রেমিকের (lover) চাপেই অনেকে নিজস্বতা হারিয়ে নিজেকে বদলে ফেলেন। সেটাতেই হয় মুশকিল! তাই সম্পর্কে (relationship) নিজস্বতা (originality) না হারিয়ে কী ভাবে এগোবেন, সেটা নিয়েই রইল আমাদের কিছু টিপস।


আরো পড়ুনঃ রিলেশনশিপ কোটস যা সম্পর্ক আরও মজবুত করবে


jwm scene


নিজস্বতা হারালে চলবে না


আপনি হয়তো বিরিয়ানি পছন্দ করেন না, আপনার প্রেমিক হয়তো বিরিয়ানি-অন্ত প্রাণ। তা হলে রেস্তরাঁয় গিয়ে যে আপনাকে বিরিয়ানিই খেতে হবে, তার কোনও মানে নেই। আপনি আপনার পছন্দমতো খাবার অর্ডার করতে পারেন। সে রকমই আপনাদের জীবনের সব মূল্যবোধ অথবা পছন্দ-অপছন্দ কিন্তু মিলবে না। কারণ আপনাকে মনে রাখতে হবে, হাতের পাঁচ আঙুল সমান নয়। মানে আপনি আর আপনার প্রেমিক দু’জন আলাদা আলাদা পরিবেশে বড় হয়েছেন। ফলে দু’জনের মতামত আলাদা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কে নিজেকে না বদলে ফেলাটাই উচিত। কারণ আপনার সঙ্গী আপনার স্বভাব জেনেই আপনার সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছেন। ফলে আপনি নিজেকে বদলে ফেললে তো আর সম্পর্কটার (relationship) গুরুত্বই থাকে না। এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। যেমন, আমার এক বন্ধু খুব ভাল নাচে। তো ওর নাচ দেখে প্রেমে পড়েছিল ওর প্রেমিক (lover)। প্রেম পরিণতি পেতেও বিশেষ সময় লাগেনি। কিন্তু আমার বন্ধুর নাচটাই এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কারণ ওর প্রেমিক তথা বরের পরিবারটি খুবই রক্ষণশীল! তাঁদের পরিবারে তাই বাড়ির বৌয়ের নাচা-গানা মানা! আর ওর বরেরও এই বিষয়ে সায় রয়েছে। আর আমার ওই বন্ধুটি? ও এখন প্রথম ভালবাসা নাচ ছেড়ে গভীর মানসিক সমস্যার শিকার। কেউ ওর মনের অসুখের খোঁজ রাখে না। এ রকম হামেশাই হয়ে থাকে। তাই আপনার সঙ্গী যদি আপনাকে তার পছন্দমতো কাজ করতে বলে, বা ডমিনেট করার চেষ্টা করে, আপনাকে কিন্তু প্রতিবাদ করতেই হবে। না হলে সম্পর্কের (relationship) মিষ্টত্ব হারাতে থাকবে।


jwm love scene


স্পেস দিতে হবে


যে কোনও সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল স্পেস (space)। একে অপরকে স্পেস (space) না দিলেই মুশকিল। সম্পর্ক (relationship) দমবন্ধ হয়ে শেষ হয়ে আসবে। সব সময় প্রেমিক বা সঙ্গীকে (lover) সময় দিতে হবে,  তা কিন্তু নয়। সব কিছু সামলে সবার আগে নিজেকে সময় দিতে হবে। নিজের সেই সময়ের ভাগ কাউকে দিলে চলবে না। অবসর পেলেই নিজের মতো পড়ুন, লিখুন বা গান শুনুন। মানে যেটা আপনার পছন্দ, সে রকম কিছু করুন। এতে আপনার মনের বিকাশ ঘটবে। আর হ্যাঁ নিজের কাজ বা কেরিয়ারের প্রতি অবহেলা করে একেবারেই প্রেম নয়!


দেখা না হলে


সম্পর্কে (relationship) আছেন, তবে দেখা হয় না রোজ। সেটা কিন্তু এক দিকে ভাল। তাতে আকর্ষণও বাড়ে। প্রেম বা সম্পর্ক হলেই যে রোজ রোজ সঙ্গীটির (lover) সঙ্গে দেখা করতেই হবে, না হলে প্রেম উড়ে পালাবে, এ রকম ভাবার কিছু নেই। সবার আগে নিজেকে আর নিজের কাজকে প্রায়োরিটি দিয়েই সম্পর্ক (relationship) এগিয়ে নিয়ে যান।


ছবি সৌজন্যে:ইউটিউব


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং বাংলাতেও!


এগুলোও আপনি পড়তে পারেন


Lip Kiss করলে কি কি শারীরিক উপকার মেলে


ভালোবেসে মনের মানুষটি কে এই ডাকনামে ডাক দিও


রোমান্টিক ডায়লগ যা আপনাকে আপনার পার্টনারের আরও কাছে নিয়ে যাবে