'The Hacker' কন্যা এনা সাহার মুখোমুখি POPxo বাংলা

'The Hacker' কন্যা এনা সাহার মুখোমুখি POPxo বাংলা

এনা সাহা নামটা বাংলা টেলিভিশন জগতে বেশ পরিচিত। “মা”, “বন্ধন”, “বৌ কথা কও” –এর মতো একদা জনপ্রিয় বাংলা সিরিয়ালের মধ্য দিয়ে আরম্ভ হয়েছিল তাঁর টেলিভিশনের কেরিয়ার। তবে এই ট্যলেন্টেড বঙ্গললনা কিছুদিনের মধ্যেই সিনেমার জগতেও তাঁর অভিনয়ের ছাপ রেখে যান। “চিরদিনই তুমি যে আমার – ২”, “আমি আদু”, “রাজকাহিনি”, “দুগ্ধনখর’-এর মতো সিনেমায় তিনি কাজ করেছেন। শুধু বাংলা সিরিয়াল ও সিনেমা নয়, এনা কিন্তু মালায়লাম এবং তেলুগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও বেশ জনপ্রিয়। আগামি ১লা মার্চ এনার নতুন বাংলা সিনেমা ‘দ্য হ্যাকার’ (The Hacker) মুক্তি পাচ্ছে আর ঠিক তার আগ দিয়েই উনি কথা বললেন POPxo বাংলা টিমের সাথে –


 ‘দ্য হ্যাকার’ সম্বন্ধে দু-চার কথা


Aryann Bhowmik and Ena Saha FIএনা - সিনেমা প্রসঙ্গে এনার প্রথম কথা হল, “ হ্যাকার বলতেই আমরা সাধারনত বুঝি একটা ডার্ক ব্যাপার এবং ইললিগ্যাল ব্যাপার, কিন্তু আমাদের এই ছবিতে যেটা দেখানো হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ এথিক্যাল হ্যাকিং-এর ওপরে ভিত্তি করে। ছবিতে আমার চরিত্রের নাম রিতাঙ্গি এবং আমার বিপরীতে রয়েছে আরিয়ান, ওর চরিত্রের নাম রেমো, যে মজা করার জন্য হ্যাকিং করে কিন্তু আমাদের জীবনে এমন একটা টার্ন আসে যেটা রিতাঙ্গি এবং রেমোর জীবন অনেকটাই বদলে দেয়। আসলে এখনো অনেকেই আছেন যারা ঠিক সেভাবে ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন না, ফলে ব্যাঙ্কের লেনদেনই হোক অথবা সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট হ্যান্ডেলিং – নানা ক্ষেত্রে নানা সমস্যা হয়। হ্যাকার সিনেমায় সেই বিষয় নিয়ে বলা হয়েছে এবং এই ধরনের সমস্যায় পড়লে কীভাবে সেখান থেকে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব সে সম্পর্কেও কিন্তু জানানো হয়েছে। রীতিমতো হোমওয়ার্ক করে, আমাদেরকে এই সিনেমাটি করতে হয়েছে। নানা ধরনের হ্যাকারদের সাথে কথা বলে, তাদের থেকে অনেককিছু শিখে তারপরে সিনেমাটি করা হয়েছে।”


বাংলা আর মালায়ালাম ফিল্মে একসাথে জার্নি শুরু


এনা – “‘বোঝে না সে বোঝে না’-তে একটা ছোট্ট রোলপ্লে করেছিলাম আর সেখান থেকে অফার পাই ‘চিরদিনই তুমি যে আমার ২’-এর জন্য আর তার আগে একটা বাংলা সিনেমা করেছিলাম ‘আমি আদু’ নামে, যেটা ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল, সেখান থেকে একজন মালায়লাম পরিচালক আমাকে পছন্দ করেন তার ছবির জন্য। ওই দুটো সিনেমার শ্যুটিং এক সাথেই করেছিলাম।” দুটো ইন্ডাস্ট্রিতে খুব একটা যে তফাৎ আছে তা কিন্তু এনার মনে হয়না। তার বক্তব্য ভাষা আলাদা হলেও মানুষগুলো কিন্তু একইরকমের। যারা কাজ করতে চান এবং নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে সিরিয়াস, তাদের কোন ইন্ডাস্ট্রিতেই সমস্যা হবার কথা নয়।


ব্যক্তিগত জীবনে এনা ঠিক কীরকম


ena3


এনা – নিজের ভাই-বোন, মা আর পোষ্যের সাথে সময় কাটাতে ভালবাসেন এনা। যখনি সময় পান, বাড়ির সকলের সাথে হয় আড্ডা দিয়ে কিম্বা অন্তাক্ষরি খেলে সময় কাটাতে ভালো লাগে। “আমি ভাইবোনদের মধ্যে সবচেয়ে বড়, আমরা কোন কোন দিন সন্ধ্যের দিকে ছাদে বসে কিছু গেম খেলি, মাঝেমধ্যে নেটফ্লিক্স দেখি, আবার কখনো এমনিই নিখাদ আড্ডা মারি”।


ena1


আরও যা যা মজার কথা বললেন


“আমি এখন একদম সিঙ্গেল আর একবারেই নট রেডি টু মিঙ্গেল, যদিও হেলদি ফ্লারটিং-এ আপত্তি নেই” (বলেই হাসি)...


ওম্যানস ডে সম্পর্কে এনার বক্তব্য, “ওম্যানস ডে একদিন হতে যাবে কেন? প্রতিদিনই তো আমরা মেয়েরা নানাভাবে আমাদের ওম্যানহুড সেলিব্রেট করি। প্রতিটি মহিলা নিজের মতো করে অনন্যা এবং এই ব্যাপারটাকে যেদিন আমরা সবাই মানতে পারব, সেদিন আর একটা নির্দিষ্ট দিন রাখতে হবে না ওম্যানস ডে পালন করার জন্য।”


ছবি সৌজন্যে - এনার ফেসবুক পেজ এবং CarpeDiem  


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!