এই ৩ টি কারণে নিয়মিত সানস্ক্রিন লাগানো মাস্ট!

এই ৩ টি কারণে নিয়মিত সানস্ক্রিন লাগানো মাস্ট!

সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে বাঁচাতে শুধু গরমকালে সানস্ক্রিন (sunscreen) ব্যবহার করলেই চলবে না। বরং করতে হবে সারা বছর ধরেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় এদেশের বেশিরভাগ মহিলাই এমনটা করে না। আর তার প্রমাণ মেলে ডার্মাটোলজি স্কিনকেয়ার স্পেশালিস্ট বা এসডিএসএস-এর প্রকাশ করা একটি রিপোর্টের দিকে নজর ফেরালেই। এই রিপোর্টটি অনুসারে প্রায় ৮৮ শতাংশ ভারতীয় মহিলা নিয়মিত সানস্ক্রিন (sunscreen) ব্যবহার করে না, যে কারণে সূর্য রশ্মি এবং পরিবেশে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা খুব সহজেই স্কিনের ক্ষতি করে ফেলার সুযোগ পেয়ে যায়। ফলে একদিকে যেমন অসময়ে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে, তেমনি স্কিন ডিএনএ-এর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার কারণে স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই তো ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত এই বিশেষ ধরনের ক্রিমটির ব্যবহার মাস্ট (reasons to apply sunscreen)! তবে এখানেই শেষ নয়, ডার্মাটোলজিস্টদের মতে প্রতিদিন বাড়ি থেকে বেরনোর আগে যদি সানস্ক্রিন লাগানোর অভ্যাস (advantages of sunscreen) করা যায়, তাহলে আরও বেশ কিছু উপকার মেলে। যেমন ধরো..


আরো পড়ুনঃ ত্বকের ধরন অনুযায়ী ১০টি সেরা সানস্ক্রিন


১. ত্বকের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে:


sun-screen-skin
একথা তো সবারই জানা আছে যে যত দিন যাচ্ছে তত ওজোন স্তরে ছিদ্রের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বায়ুমন্ডলে অতি বেগুনি রশ্মির প্রবেশ ঘটছে বেশি মাত্রায়। এমন পরিস্থিতিতে আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির হাত থেকে ত্বককে (skin) বাঁচাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করে কিন্তু কোনও উপায় নেই। কারণ এই বিশেষ ক্রিমটি ত্বকের কবচ হিসেবে কাজ করে। ফলে অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে কোনও ধরনের স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।


২. ত্বক পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে:


sun-screen-burn
সানস্ক্রিম লাগানো শুরু করলে একদিকে যেমন সানবার্ন হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি এবং মাত্রাতিরিক্ত সূর্য রশ্মির কারণে স্কিন টিস্যু ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেওয়ার ভয়ও আর থাকে না।


২০০৮ সালের অগস্ট মাসে অ্যানালস অব এপিডেমোলজিতে প্রকাশিত একটি স্টাডি অনুসারে বারে বারে সান বার্ন হতে থাকলে মেলানোমার ( melanoma) মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহু গুণে বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, স্কিন ক্যান্সারের মতো ভয়ঙ্কর রোগও ঘাড়ে চেপে বসতে পারে। তাই তো সময় থাকতে থাকতে সাবধান না হলে কিন্তু বিপদ!


৩. ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:


sun-screen-health-skin
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এই ক্রিমটি লাগানো শুরু করলে ত্বকের ভিতরে উপস্থিত কোলাজেন, কেরাটিন এবং ইলেস্টিনের মতো প্রোটিনের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বক উজ্জ্বল এবং তুলতুলে হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে চোখে পড়ার মতো। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে সানস্ক্রিনটি ব্যবহার করছ তাতে যেন টাইটানিয়াম অক্সাইড (titanium oxide) থাকে। না হলে কিন্তু কোনও উপকারই মিলবে না।


কেমন ধরনের সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত?


sun-screen-type
বিশেষজ্ঞদের মতে যেসব সানস্ক্রিনের গায়ে এসপিএফ ১৫ (SPF ১৫) অথবা এসপিএফ ৩০ (what spf should i use) লেখা রয়েছে, সেই সব ক্রিম কেনা উচিত। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখা উচিত যে ক্রিমটি কিনছো সেটা যেন হয় "ব্রড-স্পেকট্রাম" সানস্ক্রিন। কারণ এমন ধরনের ক্রিমই কিন্তু সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!