রুটিন মেনে ত্বকের যত্ন নিন প্রতিদিন (Daily Skin Care Routine in Bengali)

রুটিন মেনে ত্বকের যত্ন নিন প্রতিদিন (Daily Skin Care Routine in Bengali)

আমাদের ছোটবেলায় দিদা (Grandmother), ঠাকুমাদের দেখেছি আশি পার হয়েও একমাথা কালো চুল, ঝকঝকে ত্বক আর ফোকলা দাঁত বের করে বসে থাকতে। তখন এত রূপচর্চা (Skincare) বা কথায় কথায় পার্লারে ছোটার অভ্যেস ছিল না কারও। দিনকাল পাল্টেছে। মেয়েরা ঘরে বাইরে সমান তালে কাজ করছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দূষণের মাত্রা এবং নানা রকমের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত জটিলতা।তাই সময়ের আগেই বার্ধক্য দেখা দিচ্ছে ত্বকে (Skin)। বাড়ছে বলিরেখা (Wrinkles) আর দাগছোপ। অনেকের হাতেই নিয়মিত পার্লার যাওয়ার সময় নেই। আবার বাড়িতেও ব্যস্ততার কারণে অনেকে ত্বক (Skin) নিয়ে এত মাথা ঘামাতে পারেন না। একটা কথা বলি শুনুন।একসাথে একগাদা কাজ করার চেয়ে প্রতিদিন সেই কাজটা একটু একটু করে করা ভালো। তাতে কাজের চাপও কম থাকে আবার কাজটা তাড়াতাড়ি হয়েও যায়। সেই একই নিয়ম ত্বকের (Skin) যত্নের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।হঠাৎ সকালবেলা উঠে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখলেন আপনার ত্বকের (Skin) জেল্লা উধাও বা সেখানে বলিরেখা দেখা দিয়েছে। আর ওমনি পড়িমরি করে পার্লারে ছুটলেন বা সঙ্গে সঙ্গে জোর কদমে কোমর বেঁধে রূপচর্চায় নেমে পড়লেন, এমনটা করা অর্থহীন। তার চেয়ে এখন থেকেই বা আজ থেকেই অল্প অল্প করে রুটিন (Routine) মেনে ত্বকের যত্ন (Skin Care Routine) নিতে শুরু করুন। দেখবেন অনেক জটিল সমস্যার সমাধান সহজেই হয়ে গেছে।


আরো পড়ুনঃ কিভাবে নেবেন এজিং স্কিনের নিয়মিত যত্ন


রাতের বেলা স্কিন কেয়ার রুটিন (Night Time Skin Care Routine)


skin care routine ed


দিনের বেলা স্কিন কেয়ার রুটিন (Day Time Skin Care Routine)


daily


দিনে হোক বা রাতে একটা অর্ডার (Order) মেনে চলা খুব প্রয়োজন। অনেকেই জানেন না কোন প্রসাধনীর পরে কোনটা ব্যবহার করতে হয়। চাকরি করতে, বাজার করতে বা ছেলে মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিতে অনেক মহিলাকেই সকালবেলা বাড়ির বাইরে বেরোতে হয়। তাই সকালবেলার স্কিন কেয়ার রুটিন (Day Time Skin Care Routine) এমনভাবে করতে হবে যাতে সকালে বাইরে বেরোলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি (Ultra Violet Rays), ধুলো, ধোঁয়া (Smoke and Dust) ও দূষণের (Pollution) হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করা যায়।


প্রথম ধাপঃ ক্লিনজার (Cleansing)


best cleansers


ঘুম থেকে উঠেই ঈষদুষ্ণ/ঠাণ্ডা (ঋতু অনুযায়ী) জল দিয়ে মুখে ঝাপটা দিন। তারপর আপনার ত্বকের উপযোগী কোনও ফেস ক্লিনজার (Face Cleanser) দিয়ে মুখ পরিষ্কার (Clean) করে নিন।


দ্বিতীয় ধাপঃ টোনার (Toner)


toner


ক্লিনজার ব্যবহার করার পরেই অনেকেই এই দ্বিতীয় ধাপটি এড়িয়ে যান। আমাদের মনে একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে যে টোনার ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকর। যদিও এই ধারণা একদমই ভুল। ত্বকের প্রকার অনুযায়ী টোনার বাজারে পাওয়া যায়। অনেক টোনারেই ভিটামিন-বি (Vitamin B) এবং অ্যাণ্টি-অক্সিডেন্ট (Anti-Oxidant) থাকে, যা ত্বকের পক্ষে উপযোগী। তবে টোনারের মূল কাজ হল ত্বকের পিএইচ সমতা (PH Balance) বজায় রাখা। আপনার ক্লিনজার যদি সেই কাজ করতে সক্ষম হয়ে থাকে তাহলে এই দ্বিতীয় ধাপটি মাঝে মধ্যে স্কিপ করলেও সমস্যা নেই। টোনার যখনই কিনবেন আগে নিজের ত্বকের প্রকার সম্পর্কে জেনে নেবেন। অ্যালকোহলযুক্ত (Alcohol Based Toner) টোনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে ত্বক শুষ্ক করে তোলে আবার ওয়াটারযুক্ত (Water Based Toner) টোনার ত্বকের উপযোগী উপাদান বিশেষ একটা থাকে না। এইসব কথা মাথায় রেখে তবেই পছন্দসই টোনার কিনবেন।


তৃতীয় ধাপঃ অ্যাণ্টি অক্সিডেন্ট সিরাম (Antioxidant Serum)


anti oxidant serum


সিরাম হচ্ছে এমন একটি প্রসাধনী যা ঘন (Heavy) হয় এবং এতে অনেক উপকারি উপাদান থাকে। তাই টোনার স্কিপ (Skip) করলেও সিরাম স্কিপ করা একদম উচিৎ হবে না। দিনের বেলা ব্যবহার করার জন্য অ্যাণ্টি অক্সিডেন্ট সিরামই (Antioxidant Serum) সবচেয়ে ভালো। কারণ এটি ত্বকের জ্বালা (Inflammation) দূর করে এবং দূষণ (Pollution) ও সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি (Harmful Ultra Violet Radiation) থেকে ত্বককে রক্ষা করে।


চতুর্থ ধাপঃ আই ক্রিম (Eye Cream)


eye cream


সাধারণত মেয়েদের উচিৎ কুড়ির কোঠায় বয়স হলেই দিনে অন্তত দুবার আইক্রিম ব্যবহার করা। আমরা অনেকেই জানি আমাদের মুখের ত্বকের প্রকার এবং চোখ ও চোখের চারপাশে ত্বকের প্রকার আলাদা। চোখের চারপাশে ত্বকের প্রকার অনেক বেশি স্পর্শকাতর বা ডেলিকেট (Delicate) হয়। তাই তার জন্য এমন আইক্রিম বেছে নেওয়া উচিৎ যা ফাইন লাইনস (Fine Lines) বা বলিরেখা (Wrinkles) এবং কোলাজেন (Collagen) নষ্ট হওয়া রোধ করতে পারে। ত্বক বিশেষজ্ঞরা তাই পরামর্শ দিয়ে থাকেন এসপিএফযুক্ত আই ক্রিম (SPF Based Eye Cream) ব্যবহার করতে। যাতে সূর্যের রশ্মি কোনও ক্ষতি করতে না পারে। যদিও একটা কথা মাথায় রাখা খুব প্রয়োজন। আপনি যদি এতদিন কোনও আইক্রিম ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে হঠাৎ করে আইক্রিম লাগাতে শুরু করলেই কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ফল পাবেন না। তবে হতাশ হওয়ার কোনও দরকার নেই। বেশ কিছুদিন আইক্রিম (Eye Cream) ব্যবহার করলে আপনি ধীরে ধীরে এর সুপ্রভাব পাবেন।


পঞ্চম ধাপঃ স্পট ট্রিটমেন্ট (Spot Treatment)


spot treatment


আপনার মুখে যদি অ্যাকনে (Acne) থাকে তাহলে এই পঞ্চম ধাপটি আপনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে তার আগে কোনও রূপ বিশেষজ্ঞ বা ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। সাধারণত বেঞ্জল প্যারক্সাইড (Benzoyl Peroxide) আছে এমন কোনও ক্রিম (Cream) দিয়ে স্পট ট্রিটমেন্ট (Spot Treatment) করা যায়। তবে খেয়াল রাখবেন স্পট ট্রিটমেন্ট কিন্তু ত্বক শুষ্ক (Dry Skin) করে দেয়। তাই সারা মুখে এই ক্রিম কখনওই লাগাবেন না। ঠিক যতটা প্রয়োজন এবং যে জায়গায় অ্যাকনে হয়েছে সেখানেই লাগাবেন।


ষষ্ঠ ধাপঃ ময়েশ্চারাইজার (Moisturizer)  


moisturizer


ত্বকের যত্নে সবচেয়ে দরকারি জিনিস হল এই ময়েশ্চারাইজার (Moisturizer)। যারা মনে করেন তাদের ত্বক তৈলাক্ত (Oily Skin) বলে তাদের ময়েশ্চারাইজার লাগবে না, তারা একদমই ভুল ভাবেন। কারণ তৈলাক্ত ত্বকেরও ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন পড়ে। এমনিতেই আমাদের ত্বক থেকে কিছু স্বাভাবিক সেবাম (Sebum) বা তেল বেরোয় যা আমাদের ত্বককে পিচ্ছিল (Lubricating) ও তৈলাক্ত (Oily) রাখে। তা স্বত্বেও আমাদের আলাদা করে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন ত্বক যখন ভেজা (Damp) থাকে তখনই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ ময়েশ্চারাইজার ত্বকের উপর একটি তৈলাক্ত আবরণ (Protective Layer) সৃষ্টি করে যার ফলে ভেজা ভেজা ভাব বা আর্দ্রতা ত্বকের মধ্যে আটকে থাকে।


সপ্তম ধাপঃ সানস্ক্রিন (Sunscreen)


sunscreen


দিনের বেলার জন্য ত্বকের রুটিন কেয়ারের সপ্তম ও শেষ ধাপ হল সানস্ক্রিন। সানস্ক্রিন ব্যবহার করার আগে কয়েকটা দরকারি কথা মাথায় রাখতে হবে। আপনি যদি রাসায়নিকযুক্ত সানস্ক্রিন (Chemical Based Sunscreen) ব্যবহার করেন তাহলে সেটা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার বেশ কিছুক্ষণ পরে লাগাবেন। যদি আগে সানস্ক্রিন লাগিয়ে পরে ময়েশ্চারাইজার লাগান তাহলে এই ময়েশ্চারাইজার কোনও কাজেই আসবে না কারণ ততক্ষণে সানস্ক্রিনের রাসায়নিক (Chemicals) ত্বকের উপর একটি আবরণ তৈরি করে ফেলেছে।তাই রাসায়নিকযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহারের চেয়ে খনিজ (Minerals) যেমন জিঙ্কযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অনেক বেশি কার্যকরী হবে।


রাতের বেলা স্কিন কেয়ার রুটিন (Night Time Skin Care Routine)


face ed


রাতের বেলা ত্বক নিজে নিজেই খানিকটা নিরাময়ের কাজ করে। তাই রাতের স্কিন কেয়ার রুটিনের মূল উদ্দ্যেশ্য হল ত্বকের এই প্রক্রিয়াকে আরেকটু ত্বরান্বিত করা।


প্রথম ধাপঃ ডাবল ক্লিনজিং (Double Cleansing)


double cleanse


ডাবল ক্লিনজার (Double Cleanser) একটি পদ্ধতি যেখানে প্রথমে মুখের মেকআপ (Makeup) , ধুলো, ময়লা সব একটি ক্লিনজিং তেল (Cleansing Oil) দিয়ে তুলে ফেলা হয় এবং তারপর হাল্কা ফেসওয়াশ (Facewash) দিয়ে আবার মুখ ধুয়ে নিয়ে নেওয়া হয়। যদি আপনি ফেসওয়াশের পরিবর্তে স্ক্রাব (Scrub) ব্যবহার করতে চান তাহলেও আগে মেকআপ তুলে তারপর স্ক্রাবিং (Scrubing) করবেন।


দ্বিতীয় ধাপঃ টোনার, এসেন্স ও বুস্টার (Toner, Essence and Booster)


essensce


টোনারের ব্যবহার সকালে যেভাবে করেছেন রাতেও সেইভাবেই করবেন। অনেকে রাত্রিবেলা ত্বককে একটু আলাদা যত্ন করতে চান আর তাই তারা এসেন্স ও বুস্টার (Essence And Booster) ব্যবহার করেন। এই বুস্টারগুলি হল মিস্ট (Mist), এসেন্সেস (Essence), বিউটি ওয়াটার (Beauty Water), হাইড্রেটিং সেরাম (Hydrating Serum) ইত্যাদি। এদের মূল কাজ হল ত্বকে পুষ্টি ও আর্দ্রতা (Nutrition and Hydration) যোগানো। যেহেতু এগুলো জলের মতো পাতলা হয় তাই আগে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে তারপর এগুলো ব্যবহার করবেন। যদি টোনার আর এসেন্স দুটোই ব্যবহার করেন তাহলে আগে টোনার তারপর এসেন্স ব্যবহার করবেন। অনেকেই রাত্রে একাধিক বুস্টার (Multiple Booster) ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে আগে সবচেয়ে পাতলা বুস্টার তারপর সব শেষে সবচেয়ে ঘন বুস্টার ব্যবহার করবেন।   


তৃতীয় ধাপঃ আই ক্রিম (Eye Cream)


আইক্রিম শুধু ফাইন লাইন (Fine Lines) ও ডার্ক সার্কলই (Dark Circles) রোধ করে না অন্যান্য প্রসাধনী যা আপনি মুখে ব্যবহার করছেন তার থেকেও চোখের আশেপাশের সূক্ষ্ম ত্বককে রক্ষা করে। তাই রাত্রেও এটি ব্যবহার করার প্রয়োজন আছে।


চতুর্থ ধাপঃ ট্রিটমেন্ট সিরাম, ক্রিম ও প্যাড (Treatment Serum, Cream And Pad)


treatment serum


রাতের বেলা স্কিন তার নিজস্ব রিপেয়ারিং কাজ নিজেই করে। তাই এই জাতীয় প্রসাধনী বা বিউটি প্রডাক্ট (Beauty Products) রাতেই বেশি ব্যবহার হয়। তবে বাড়িতে আছে বলে বা আপনি পয়সা দিয়ে কিনেছেন বলেই সবগুলো একসাথে ব্যবহার করার কোনও প্রয়োজন নেই। যতটা ত্বকের প্রয়োজন ততটাই ব্যবহার করুন। তবে এই চতুর্থ ধাপটি সম্পন্ন করার সময় কয়েকটি কথা মাথায় রাখবেন।


১)প্যাড, পিল ও মাস্ক (Pad, Peel and Masks) সব একসঙ্গে ব্যবহার করবেন না, এতে ত্বকের ক্ষতি হবে।


২) এক্সফোলিয়েশান (Exfoliation) যেদিন করবেন সেদিন রেটিনলযুক্ত (Retinol Based Cream) ক্রিম ব্যবহার করবেন না।


৩) সপ্তাহে তিনবারের বেশি এক্সফোলিয়েশান করবেন না।


৪) ডিটক্সিফাইং বা ক্লে মাস্ক (Detoxifying or Clay mask) সপ্তাহে একবারের বেশি ব্যবহার করবেন না। 


পঞ্চম ধাপঃ হাইড্রেটিং মাস্ক বা ফেস অয়েল (Hydrating Mask or Face Oil)


আপনার ত্বক যদি একটু বেশি শুষ্ক (Dry) হয় তাহলে এই ধাপ আপনার জন্য। আপনার ত্বকের যদি একটু বাড়তি আর্দ্রতার (Extra Moisture) প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি এই হাইড্রেটিং মাস্ক (Hydrating Mask) বা ফেস অয়েল (Face Oil) ব্যবহার করতে পারেন।


ষষ্ঠ ধাপঃ ময়েশ্চারাইজার বা নাইট ক্রিম (Moisturizer or Night Cream)


night creams


রাতের স্কিন কেয়ারের সপ্তম ও শেষ ধাপ হল নাইট ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহার। নাইট ক্রিম (Night Cream) একটু ঘন হয় কারণ এটি সারারাত কাজ করে। তাই রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এই ক্রিম লাগালে ত্বকের আর্দ্রতা অনেকটাই ফিরে আসে।


সময়কেও গুরুত্ত্ব দিন


time


যে অর্ডার মেনে আপনি বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করছেন সেটা যতটা দরকারি ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের দিকে নজর দেওয়া। বেশিরভাগ প্রসাধনীতে লেখা থাকে এটি ব্যবহার করার ৩০ মিনিট বা এক ঘণ্টার আগে অন্য কোনও কিছু ব্যবহার করা যাবে না। এই জাতীয় প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলাই মঙ্গল। কারণ আজকের দিনে এতটা সময় কারও হাতে নেই। এই তথ্যগুলোর দিকে আপনি জত বেশি মন দেবেন তত জটিলতা বাড়বে। স্কিন কেয়ার রুটিন (Skin Care Routine) সব সময় সিম্পল এবং কার্যকরী হবে যাতে সেটা রোজ অনুসরণ করতে আপনার কোনও অসুবিধে না হয়।


Picture Courtesy: Facebook, Instagram, Pexels.Com and Pinterest   


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!


এগুলোও আপনি পড়তে পারেন


জানুন অ্যালোভেরা কিভাবে আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে