ওজন কমানো থেকে খুশকি দূর করা- মুশকিল আসান honey in Bengali| POPxo Bengali | POPxo

ওজন কমানো থেকে শুরু করে খুশকি দূর করতে মুশকিল আসান মধু

ওজন কমানো থেকে শুরু করে খুশকি দূর করতে মুশকিল আসান মধু

ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি মধুর নানা রকম উপকারিতা সম্বন্ধে। যেমন- ছোটবেলায় সর্দি-কাশি হলে দেখতাম, মা ওষুধ-টষুধ বিশেষ খাওয়াতো না। দেখতাম, তুলসি পাতার রসে মধু (honey) মিশিয়ে খাওয়াতো। আর অনায়াসে সর্দি-কাশি (cold and cough) সেরে যেত। আবার অনেক বন্ধুকে দেখেছি, সকালে উঠে ইষদুষ্ণ লেবু জলে মধু (honey) মিশিয়ে খেতে। ওজন কমানোর জন্য। বেশ কিছু দিন পরে তাদের পরিবর্তনও লক্ষ্য করেছি। আর আমার মা-কে কোনও দিন পার্লারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে ফেসিয়াল করতে দেখিনি। বরাবরই দেখেছি, স্কিনের (skin) বা চুলের (hair) চর্চার জন্য মধু বা মধুর প্যাক-মাস্ক ব্যবহার করে মা। আর তাতে স্কিন (skin) খুবই ভাল রয়েছে। মায়ের কাছে শুনেছি, এ সব দিদিমার টোটকা। দিদিমাও নাকি এক সময়ে মধু (honey) দিয়ে খুব সুন্দর করে রূপচর্চা করতেন। আর আমিও লক্ষ্য করেছি, দিদিমার স্কিন (skin) দাগ-ছোপহীন। খুব সুন্দর উজ্জ্বল আর মসৃণ।


মধুর পুষ্টিগুণ (Nutrition Facts of Honey)


মধু শুধু স্বাদেই মধুর নয়, এর পুষ্টিগুণের কথা শুনলে আপনি চমকে যাবেন। এক চামচ মধু, এই ধরুন তাতে রয়েছে মাত্র ২১ গ্রাম, তাতেই আপনি পেয়ে যাবেন ৬৪ ক্যালোরি এবং ১৭ গ্রাম চিনি। চিনি ছাড়াও মধুতে আছে ফ্রুকটোজ, সুক্রোজ, গ্লুকোজ ও মল্টোজ ইত্যাদি। মধুর মধ্যে কোনও ফাইবার, প্রোটিন ও ফ্যাট নেই।


স্বাস্থ্যরক্ষায় মধুর উপকারিতা (Top 10 Health Benefits of Honey)


প্রাচীন যুগ থেকে ভারতে মধুর ব্যবহারের উল্লেখ আছে। বিভিন্ন শাস্ত্র এবং আয়ুর্বেদেও বলা আছে মধুর উপকারিতা সম্পর্কে। শিশু জন্মালে তার মুখে এক বিন্দু মধু দিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ আছে আমাদের দেশে। এর থেকে মধুর গুরুত্ব বোঝা যায়। স্বাস্থ্যরক্ষায় মধু কীভাবে কাজে দেয় দেখে নেওয়া যাক।


Health-Benefits-of-Honey


১| ওজন কমাতে 


ওজন কমাতে তো ভীষণই কার্যকর মধু। কিন্তু এটা কি জানেন, আপনি যখন ঘুমোন, তখনও ফ্যাট বার্ন করে মধু। ফলে বুঝতেই পারছেন, শরীরের মেদ কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মধু। তাই ঘুমোনোর আগে এক চামচ মধু খেয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তারেরাও। আর সকালে উঠে খালি পেটে তো ইষদুষ্ণ গরম জলে মধু মিশিয়ে খেলে আপনার স্লিম অ্যান্ড ট্রিম হওয়া আটকায় কে। কারণ সকালে মধু খেলে তা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। যা খুব সহজেই ওজন কমায়।


২| ইমিউনিটি বাড়াতে 


মধুর অগণিত গুণাগুণ। আপনার গলার ব্যথা অনায়াসেই সারিয়ে তোলে। কারণ এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে আপনার শরীরকে সংক্রমণ বা ইনফেকশনের থেকে রক্ষা করে। ব্রেকফাস্টের আগে অথবা ওয়ার্কআউটের আগে মধু খেয়ে নিলে তা আপনার এনার্জি লেভেলও বাড়িয়ে তুলবে।


৩| স্মৃতিশক্তি বাড়াতে 


স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আমরা নানা রকম খাবার খাই। তার মধ্যে মধু খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। আপনার মেন্টাল হেল্থের ক্ষমতা-শক্তি বৃদ্ধি করতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। মধু শুধুমাত্র আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিই করে না অথবা স্মৃতিশক্তি বাড়াতেই সাহায্য করে না, এটা আপনার শরীরকে সব রকম ভাবে সুস্থ রাখতেও খুবই জরুরি।


৪| ঘুমের জন্য 


ঘুমের সমস্যা রয়েছে? রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লেও ঘুম আসতে চায় না? তা হলে মধুই আপনার মুশকিল আসান। তাই ঘুমোতে যাওয়ার একদম আগে ১ গ্লাস গরম দুধে ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে পান করে নিন। তাতে ঘুম জলদিই আসবে। শতাব্দী প্রাচীন এই নিয়ম চলে আসছে। এ ছাড়াও এক কাজ করতে পারেন, ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক কাপ ক্যামোমাইল চায়ে ১-২ চা-চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। এটা আপনার গভীর ঘুমে সাহায্য করবে।


৫| সাইনাস দূর করতে 


আজকাল দূষণ যে হারে বাড়ছে, তাতে বহু মানুষই সাইনাসের সমস্যায় ভোগেন। সাইনাসের ব্যথা কমাতে শুধু নয়, সাইনাস সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যাতেই খুব কার্যকর মধু।


৬| মাড়ির রোগে মধু 


মধুর মধ্যে এমনিতেই অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল আর ইনফেকশন সারানোর ক্ষমতা রয়েছে। দাঁত আর মাড়ির নানা রোগ সারাতে অত্যন্ত উপকারী মধু। দাঁত বা মাড়ির সমস্যা থাকলে জলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। বিশেষজ্ঞরা সব সময় মধু দিয়ে তৈরি এই মাউথওয়াশ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর মাড়ির রোগে যদি আপনি মাড়িতে সরাসরি মধু ঘষে নেন, তা হলেও মাড়ির সমস্যা দূর হবে।


৭| রক্তচাপ কমায় 


উচ্চ রক্তচাপ থাকলেও হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। মধুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে, এই উপাদানগুলি একত্রে শরীরে প্রবেশ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই যাঁদের রক্তচাপের সমস্যা আছে তাঁরা সকালে এক চামচ করে মধু খেলে উপকার পাবেন। 


৮| কোলেস্টরলের সমস্যা দূর করে 


আমাদের শরীরে দুই রকমের কোলেস্টরল আছে। একটি ভাল এবং অন্যতি খারাপ। যেটি খারাপ সেটির জন্যই আমাদের হার্টের সমস্যা হয়। মধু খেলে এই বাজে কোলেস্টরল অনেকতাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। পরোক্ষভাবে বলা যায় যে মধু খেলে হার্টের সমস্যাও অনেক কম হয়।  


৯| ক্ষত সারিয়ে তোলে 


শোনা যায় প্রাচীন মিশরে নাকি কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে ক্ষতস্থানে একটু মধু লাগিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ ছিল। তবে মধুর মধ্যে সত্যিই এমন কিছু উপাদান আছে যা ক্ষত বা ঘা সারিয়ে তুলতে পারে। তাই কখনও অসাবধানে কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে একটু মধু লাগিয়ে নিতে পারেন। 


১০| সর্দি কাশি দূর করে 


সর্দি কাশি হলে মধু খুব কাজে দেয়। বিশেষ করে এক বছরের উপরে যে সব শিশুদের এই সমস্যা হয়, তারা এক চামচ করে মধু খেলে অনেকটাই আরাম পাবে। মধু কাশি কমিয়ে দেয় এবং কাশির জন্য যাতে রাত্রে ঘুমের ব্যাঘাত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। 


ত্বকের যত্নে মধুর উপকারিতা (Honey for Skin Care)


যারা রূপচর্চা করেন তাঁরা জানেন, বিভিন্ন প্যাকে মধু যোগ করলে সেটা ত্বকের জন্য কতটা উপকারী হয়। আর হবে নাই বা কেন। মধুর মধ্যে প্রচুর উপাদান আছে যা ত্বকের যত্নে কাজে দেয়। তাই শুধু প্যাকে মেশানো নয়, এমনিতেও সামান্য মধু যদি আপনি ত্বকে লাগান অনেক উপকার পাবেন। মধুর মধ্যে আছে  ময়েশ্চারাইজিং ও নারিশিং প্রপার্টিজ।


honey-for-skin-care


১| অ্যাকনে দূর করে 


মধুর মধ্যে আছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা ব্রণ এবং অ্যাকনে দুটোই খুব দ্রুত কমিয়ে দিতে সক্ষম। ব্রণ বা অ্যাকনে যেখানে হয়েছে সেখানে অল্প একটু মধু লাগালে ব্রণর মুখ তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে শুকিয়ে যায়। এছাড়া অসাবধানে ব্রণ বা অ্যাকনে চুলকে দিলে যে ঘা হয় সেটাও কমিয়ে দেয় মধু। 


২| প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার 


অনেকেই সারা বছর গ্লিসারিনের সঙ্গে মধু মিশিয়ে সারা শরীরে মাখেন। এর একটাই কারণ। মধু হল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটি ত্বক আর্দ্র রাখে। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করে মধু। শীতকালে ঠোঁট শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। 


৩| ফাটা ঠোঁটের সমস্যা দূর করে


শীতকালে ঠোঁট শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। কারণ এই সময় বাতাসে আর্দ্রতা একদম থাকে না। অভ্যেসবশত আমরা বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট চাটি এতে ঠোঁট আরও ফেটে যায়। মধু লাগালে ঠোঁট আর্দ্র হয়ে যায়। শীতকালে লিপ বাম না লাগিয়ে ঠোঁটে একটু মধু লাগালে উপকার পাবেন। 


৪| ত্বকের ছিদ্র উন্মুক্ত করে


যে যে প্রোডাক্ট আপনি ত্বকের জন্য ব্যবহার করছেন সেগুলো কাজ করবে না যদি আপনার ত্বকে ছিদ্রের মুখ বন্ধ থাকে। মধু ত্বকের ছিদ্র উন্মুক্ত করে দেয়। যাতে ত্বকের মধ্যে এই প্রোডাক্টগুলো ঢুকতে পারে। এতিফ মুখে লাগালে ত্বকের ছিদ্র থেকে সব ময়লা বের করে আনে।  


৫| ত্বকের অকালে বুড়িয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে 


মধুর মধ্যে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা বলিরেখা পড়া রোধ করে। নিয়ম করে মধু মুখে লাগালে ত্বক অনেক বেশি ঝলমলে ও তরুণ দেখায়। এটি একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি এজিং উপাদান যা আপনার বয়স দীর্ঘদিন এক জায়গায় ধরে রাখে। 


চুলের যত্নে মধুর উপকারিতা (Benefits of Honey for Hair)


মধুর মধ্যে মিশ্রিত উপাদানগুলি যেমন ত্বকের যত্নে কাজে আসে, ঠিক সেরকমই চুলের যত্নেও কাজে দেয়। হেয়ার প্যাকে মধু মেশানো থাকলে সেই প্যাকের কার্যকারিতা দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাই এবার দেখে নেব চুলের যত্নে কীভাবে কাজে দেয় মধু।


Benefits-of-Honey-for-Hair


১| খুশকি দূর করে


যেহেতু মধু স্ক্যাল্পকে আর্দ্র রাখতে সক্ষম তাই খুশকি রোধ করাটাও মধুর একটা কাজ। মাথায় মৃত কোষ জমে গেলে মূলত খুশকি দেখা দেয়। কিন্তু স্ক্যাল্প যদি সুস্থ ও পরিষ্কার থাকে তাহলে এই সমস্যা হয় না। মাথার স্ক্যাল্পে মধু মাসাজ করলে খুশকি দূর হবে। 


২| চুল পড়া বন্ধ করে 


চুলে ভিটামিন ও প্রোটিনের অভাব হলে চুল ভেঙে যায় বা পড়ে যায়। মধুর মধ্যে আছে খুব সামান্য পরিমাণ প্রোটিন। অল্প মধুর সঙ্গে অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ একযোগে চুল পড়া বন্ধ করে। শুধু চুল পড়া নয় মধু চুলের দুটো মুখ হয়ে ভেঙে যাওয়াও বন্ধ করে। চুল পড়া রোধ করতে গ্রিন টি-এর সঙ্গে মধু আর ল্যাভেন্ডার মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। এ ছাড়া ২ টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে সমপরিমাণ ভেজিটেবল অয়েল মিশিয়ে চুলে মাসাজ করে নিতে পারেন। ১৫ মিনিট হেয়ার মাস্কটা রাখার পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


৩| চুল ঝলমলে করে


চুলের মধ্যে আছে এমোলিয়েন্ট আর হিউমিকট্যান্ট উপাদান। দুটোই হল দুর্দান্ত ময়েশ্চারাইজার। এই দুটি উপাদান শুষ্ক নির্জীব চুলে প্রাণ নিয়ে আসে। চুল আর্দ্র ও ঝলমলে করে তোলে। 


৪| চুলের বৃদ্ধি ঘটায় 


মধু চুলের ফলিকলের যত্ন নেয়। মধু ও ভেজিটেবিল অয়েল মাথায় মাসাজ করলে চুলের বৃদ্ধি ঘটে। অন্যান্য যে কোনও এসেনশিয়াল অয়েল আর মধু মিশিয়েও চুলে মাখা যায়। স্ক্যাল্পে যে কোষগুলি আমাদের চুলের বৃদ্ধি ঘটায় সেগুলোর বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে মধু। 


মধুর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects of Honey)


মধুর সেরকম কোনও সাঙ্ঘাতিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ চিনি থাকে। তাই এটি খুব একটা বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়। তাছাড়া এর মধ্যে বিন্দুমাত্র ফাইবার না থাকায় এটি অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। 


মধুর ব্যবহার নিয়ে কিছু জরুরি প্রশ্নোত্তর (FAQs)


১| মধু কি অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারি? 


উত্তর: হ্যাঁ, এর মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। এটি মধুমেহ ও কারডিও ভাস্কুলার অসুখে খুব কাজে দেয়। 


২| মানুকা মধু কী?


উত্তর: এটি নিউজিল্যান্ডের মধু। বিভিন্ন প্রকার জীবাণুর বিরুদ্ধে এই মধু খুব ভাল কাজ দেয়। 


৩| মধু এমনি এমনি খাওয়া যায়?


উত্তর: না খাওয়াই ভাল। র মধুতে কিছু জীবাণু থাকে। এটি শিশু বা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ভাল নয়।  


৪| খাঁটি মধু কীভাবে চেনা যায়? 


উত্তর: এক চামচ মধু নিয়ে এক গ্লাস জলে দিন। যদি মধু জলে গুলে যায় তাহলে সেটি খাঁটি নয়। আর যদি জলের মাঝখানে ভেসে থাকে তাহলে সেটি খাঁটি। 


৫| ক্যানসার প্রতিরোধে মধুর ভূমিকা কী? 


উত্তর: ক্যানসার প্রতিরোধ করার কোনও ক্ষমতা মধুর নেই। তবে এর মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে তাই এটি ক্যানসার রুগীরা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে পারেন। 


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং বাংলাতেও!


এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...।


All Image Source: Pixabay