Dating এর শুরুর দিকে মেসেজ করো ভেবে চিন্তে!

Dating এর শুরুর দিকে মেসেজ করো ভেবে চিন্তে!

আজকের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপের দুনিয়ায় মানুষ নিজের মনের কথা সরাসরি বলার পরিবর্তে মেসেজের (texting) উপরেই বেশি ভরসা রাখেন। । তাদের মতে দেখা করে মনের কথা ঠিক করে বলতে বলতে অনেক সময় চলে যায়। তার চেয়ে বরং মেসেজই সেরা মাধ্যম।


সব ঠিক আছে! কিন্তু এই মেসেজে যদি কোনও ভুল থেকে যায়, তাহলেই তো বিপদ! কারণ সামনা সামনি কথা বললে মনের এবং মুখের ভাব সামনের মানুষটা বুঝতে পারেন, উপলব্ধি করতে পারেন। তাই তো ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা থাকে কম। কিন্তু মেসেজে তো সেই সুযোগ নেই। আর তাই তো আপনি এক ভেবে মেসেজ করলেন, কিন্তু সে বুঝলো আরেক ভাবে। তাহলেইবিপদ! এই কারণেই যারা ইতিমধ্যেই প্রেমের দুনিয়ায় পা রেখেছেন তাদের জেনে নেওয়া দরকার কীভাবে মেসেজ করবেন (Dos and donts of messaging your date)।


প্রেমিককে টেক্সট মেসেজ করার সময় যে যে বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:


একথা তো মানবেন যে, ভালোবাসার সম্পর্ক (dating) শুরুর দিকে অতটা গভীর হয় না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা গভীরতা খুঁজে পায়। তাই প্রথম দিকে ভালোবাসার মানুষটিকে অতটা ভালোভাবে চেনা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই ছোট ছোট কারণে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। আর ঠিক এই কারণেই মনের কথা লেখার সময় একটু সাবধান হতে হবে। আর নজরে রাখতে হবে কতগুলি বিষয়। যেমন...


১. সময় দেখে মেসেজ করা উচিত:


me-1
ধরুন আপনি যখন আপনার প্রেমিককে মেসেজ করছেন, তখন তিনি একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত আছেন । তাই একটু টেনশন, একটু স্ট্রেসের কারণে তার মেজাজটা একেবারেই ঠিক নেই। আর তখনই আপনার একের পর এক মেসেজ আছড়ে পড়ছে তার ফোনে। এমন পরিস্থিতিতে প্রেমিক বাবাজি কাজে মন দেবেন কীভাবে বলুন? ফলে স্বাভাবিকভাবেই তার মাথাটা গেল গরম হয়ে আর সব রাগ গিয়ে পড়ল আপনার উপর। এদিকে আপনি তো মিস করছেন বলে মেসেজ করছেন, তাতে তো কোনও ভুল নেই। কিন্তু সময় ঠিক না হওয়ার কারণে প্রেমের মুহূর্ত তৈরি হওয়ার পরিবর্তে লেগে গেল যুদ্ধ। তাই মেসেজ করুন, ক্ষতি নেই। কিন্তু সময় দেখে করা উচিত (how to text a guy)।


২. টেক্সটিং না হয়ে যায় সেক্সটিং:


me-2
এর মানে কী? সহজ কথায় বললে ভালোবাসার সম্পর্ক (relationship) তো আর দেশলাই নয়, যে জ্বললো আর ফুরুৎ করে নিভে গেল। এমন সম্পর্ক হলো অনেকটা মোমবাতির মতো, যা ধীরে ধীরে নিজের গভীরতা খুঁজে পায়। তাই ভালোবাসার শুরুর দিকেই ভালোবাসার মানুষটিকে না জেনে শুনেই যদি সেক্স সম্পর্কিত মেসেজ পাঠাতে থাকেন, তাহলে একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে (texting rules for dating guys)! আর এই কথাটা প্রেমিক-প্রেমিকা উভয়কেই মাথায় রাখতে হবে।


৩. ইমোজির খেলা:


me-3
অনেক সময় একটা ভুল ইমোজির কারণে কিন্তু মেসেজের মানেটাই বদলে যেতে পারে। তাই কোন সময়, কী ইমোজি ব্যবহার করছেন, তার দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।


৪. বানান যেন ভুল না হয়:


me-4
ভালোবাসার সম্পর্ক খোলা আকাশের মতো হয়। এখানে ভুল-ঠিকের কোনও জায়গা নেই। কিন্তু তাই বলে একটা প্রেমের কবিতা লিখে পাঠালেন, আর তাতে হাজার খানেক বানান ভুল, তা কিন্তু মেনে নেওয়া যায় না। তাই সাধারণ মেসেজ হোক কী স্পেশাল কোনও, যতটা সম্ভব ঠিক বানান লেখার চেষ্টা করবেন। তাতে আপনার সম্মানহানির আশঙ্কা কমবে!


৫. চেনা পথের বাইরে বেরতে হবে:


me-5
একবার ভাবুন তো আপনার প্রেমিকের মন খারাপ, আর ঠিক তখনই আপনার একটা মজাদার মেসেজ এসে পৌঁছালো তার ফোনে। কী হবে তখন? তার দুঃখের বোঝা কিছুটা অন্তত কমবে। তিনি ভাববেন তার খারাপ সময়ে আপনি তার পাশে আছেন। আর এমনটা হলে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা যে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে, তা কি বলার অপেক্ষা রাখে। তাই গতানুগতিক মেসেজের বাইরে গিয়ে একটু অন্য ধরনের মেসেজ লেখার চেষ্টা করুন। একটু ক্রিয়েটিভও হলেও ক্ষতি নেই! তাতে সম্পর্কের মজাটা আরও বাড়বে কিন্তু।


৬. একটা শব্দে উত্তর নৈব নৈব চ:


me-6
কেউ যখন আপনাকে মেসেজ করছে মানে সে আপনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়। আপনার মনের সে সময়কার অনুভূতি জানার চেষ্টা করছে। তাই ভালোবাসার মানুষ যখন আপনাকে মেসেজ করবে তখন যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন একটি শব্দে উত্তর দেবেন না দয়া করে। বরং আপনি যে ব্যস্ত , সেটা তাকে ভালোভাবে বলুন, তাতে ক্ষতি নেই! কিন্তু বারে বারে মেসেজের রিপ্লাই যদি বোরিং ইমোজি বা একটা মাত্র শব্দ হয়, তাহলে কিন্তু প্রেমিকের খারাপ লাগতে পারে।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!