Heat Stroke থেকে বাঁচতে ভরসা রাখুন এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলির উপর!

Heat Stroke থেকে বাঁচতে ভরসা রাখুন এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলির উপর!

গরমকালে (summer) কলকাতা সহ সারা রাজ্যেই যে হারে তাপমাত্রা বাড়ে, তাতে শরীরকে সুস্থ রাখতে ঘাম ছুটে যায়। বিশেষত তাপ প্রবাহের কারণে শরীরের তাপমাত্র এতটাই বেড়ে যায় যে হিট স্ট্রোকের আশঙ্কা যায় বেড়ে। আর এমনটা হলে শরীরের যে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, তা তো বলাই বাহুল্য। তাই তো গরমের সময় শরীরের তাপমাত্র যাতে কোনও ভাবেই বেড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর এমনটা করবেন কীভাবে? এক্ষেত্রে নিয়মিত কতগুলি খাবার এবং জুস যেমন খেতে হবে, তেমনি কিছু ঘরোয়া টোটকাকে (home remedies) কাজে লাগালেই দেখবেন কেল্লা ফতে (Effective Home Remedies To Beat The Heat stroke)!


হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচার উপায়:


অতিরিক্ত গরমের কারণে দেহের ভিতরের তাপমাত্রা যদি ৪০ ডিগ্রি বা আরও বেশি হয়ে যায়, তখনই হিট স্ট্রোকে (heat stroke) আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে বেশি করে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, তাহলেই শরীরের আর কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। আর ঠিক এই কারণেই যে যে প্রাকৃতিক উপাদানগুলির উপর ভরসা রাখা জরুরি, সেগুলি হল...


১. কাচা পেঁয়াজ অথবা পেঁয়াজের রস:


h-1
হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে হলে পেঁয়াজের রস খাওয়া জরুরি। কারণ আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে এই পানীয়টি পান করা শুরু করলে শরীরের ভিতরে নানাবিধ পুষ্টিকর উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যে কারণে দেহের তাপমাত্রা কমতে সময় লাগে না। তবে এক্ষেত্রে আরেকভাবেও পেঁয়াজের রসকে কাজে লাগানো যেতে পারে। পরিমাণ মতো পেঁয়াজের রস নিয়ে যদি নিয়মিত বুকে এবং কানের পিছনে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করা যায়, তাহলেও কিন্তু উপকার মেলে। আর যদি এইসব করতে মন না চায়, তাহলে সারা গরমকাল জুড়ে ভাতের সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে হবে। কারণ এমনটা করলেও উপকার মিলবে (onion to prevent heat stroke)!


২. ধনে এবং পুদিনা পাতা:


h-2
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে এই দুটি প্রাকৃতিক উপাদানে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণ "কুলিং এজেন্ট", যা গরমের সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো এই সময় নিয়মিত ধনে পাতা নয়তো পুদিনা পাতার রস খেতে হবে, তাহলেই আর কোনও চিন্তা থাকবে না।


ধনে এবং পুদিনা পাতার পাশাপাশি যদি জিরা এবং মৌরি জল পান করতে পারেন, তাহলেও কিন্তু অনেক উপকার পাওয়া যায়।


৩. চন্দনের পেস্ট:


h-3
পরিমাণ মতো চন্দনের গুঁড়ো নিয়ে তাতে অল্প করে জল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই পেস্ট কপালে এবং বুকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। সারা গরমকাল জুড়ে এইভাবে চন্দনের পেস্ট লাগালে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আর থাকবে না।


৪. তেঁতুল জল:


h-4
তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন, মিনারেল এবং ইলেকট্রোলাইট, যা তাপ প্রবাহের মাঝে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ জলে কয়েকটা তেঁতুল ফেলে জলটা কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর জলটা ছেঁকে নিয়ে তাতে এক চিমটে চিনি ফেলে পান করতে হবে। প্রতিদিন যদি এই পানীয়টি পান করা যায়, তাহলে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা তো কমবেই, সেই সঙ্গে বদহজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যাও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না।


৫. কাঁচা আমের শরবত:


h-5
গরমকালে যদি নিয়মিত কাঁচা আমের শরবতে জিরা, মৈরি এবং গোলমরিচ মিশিয়ে খাওয়া য়ায়, তাহলে হিট স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। কারণ এই পানীয়টি পান করা শুরু করলে শরীরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু উপকারী উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে গরমের কারণে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।


৬. অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার:


h 6
এক গ্লাস ঠান্ডা জলে অল্প করে মধু এবং অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে পান করা শুরু করুন, দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন! আসলে মধু এবং অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার একসঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে শরীরও ঠান্ডা থাকে।


POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!