নখকুনি বিষয়ে কিছু কথা ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে নখকুনি নিরাময়ের উপায় (Ingrown Toenail Treatment)

নখকুনি বিষয়ে কিছু কথা ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে নখকুনি নিরাময়ের উপায় (Ingrown Toenail Treatment)

আপাতদৃষ্টিতে ছোট সমস্যা, কিন্তু বড়ই বেদনাদায়ক নখকুনি। ছোট্ট শব্দ, কিন্তু তার বড়ই গভীর। আমাদের হাতে ও পায়ের নখ বাড়ে বাইরের দিকে। অনেক সময় সেটা না হয়ে উল্টো দিকে নখ বাড়তে থাকে অর্থাৎ নখের গ্রোথ হয় ভিতরের দিকে। একেই নখকুনি বা ইনগ্রোন টো নেল (Ingrown Toenail) বলে। যেহেতু পায়ের নখেই এটি বেশি হয়, তাই টো নেল (Toenail) বলা হচ্ছে। অবশ্য মাঝে-মাঝে হাতের নখেও এই সমস্যা দেখা দেয়। আজকের এই লেখায় আলোচনা করা হবে নখকুনি কেন হয় এবং তার নিরাময়ের উপায় (Ingrown Toenail Treatment In Bengali) নিয়ে। 

Table of Contents

    নখকুনি আসলে কী? (What Is Ingrown Toenail?)

    pixabay

    যখন নখের কোনা বা ধার বাইরের দিকে না বেড়ে ত্বকের ভিতরের দিকে বাড়তে থাকে, তখন তাকে নখকুনি বলে। নখকুনির নিরাময় বাড়িতেই করা সম্ভব। তবে কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয়। বিশেষত যাঁদের মধুমেহ বা ডায়বেটিস আছে এবং যাঁদের রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাঁদের নখকুনি বাড়িতে না সারানোই ভাল। 

    কী-কী কারণে নখকুনি হয়? (Ingrown Toenail Causes)

    pixabay

    মহিলা ও পুরুষ, উভয়েরই নখকুনির সমস্যা হতে পারে। তবে গবেষণা বলছে, টিনএজার ও বয়স্ক মানুষদের মধ্যে নখকুনি হওয়ার প্রবণতা বেশি। যাঁদের পা খুব ঘামে, তাঁদেরও নখকুনি বেশি হওয়ার চান্স থাকে। বয়স বাড়লে নখ মোটা হয়ে যায়। তখন নখকুনির (Ingrown Toenail) সমস্যাও বাড়ে। যে যে কারণে নখকুনি হয় সেগুলি হল...

    ১) ভুলভাবে বা বেঁকিয়ে নখ কাটলে। বেঁকিয়ে নখ কাটলে নখের সেদিকে গ্রোথের একটা প্রবণতা দেখা দিতে পারে। পরে সেটাই নখকুনির সমস্যা তৈরি করতে পারে। 

    ২) নখ যদি সমানভাবে কাটা না হয় বা কার্ভড হয়ে যায়। 

    ৩) জুতো, মোজা ও স্টকিংসের কারনেও নখকুনি হয়। যদি খুব টাইট জুতো বা মোজা পরা হয়, নখের বৃদ্ধিতে সেটা বাধা সৃষ্টি করে। নখ তখন স্বাভাবিকভাবে না বেড়ে উল্টোদিকে বাড়তে শুরু করে। 

    ৪) টোনেল বা পায়ের নখে কোনও ইনজুরি বা ব্যথা পেলেও নখকুনি হতে পারে। যদি অসাবধানতা বশত কেউ পায়ে আঘাত করে, পায়ের উপর যদি ভারি কিছু পড়ে যায়, তাহলেও নখকুনি হওয়ার আশঙ্কা আছে। যারা ফুটবল খেলেন তাঁদের নখকুনি হওয়ার চান্স খুব বেশি। কারণ তাঁরা পা দিয়ে ক্রমাগত ফুটবলে আঘাত করেন। এছাড়াও পায়ের পাতায় ক্রমাগত চাপ পড়ে এমন কাজের সঙ্গে যারা যুক্ত তাঁদেরও নখকুনি বেশি মাত্রায় হয়ে থাকে। যেমন যারা ব্যালে নৃত্যশিল্পী হন, যারা কিকবক্সিং করেন বা ফুটবলার হন এঁরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। 

    ৫) আপনার হাঁটা চলা বা বসার পোজ যদি ঠিক না হয়, তা হলেও নখকুনি হয়। 

    ৬) পা ঠিকমতো পরিষ্কার না করলে, নিয়মিত না ধুলেও নখকুনি দেখা দিতে পারে। 

    ৭) নখকুনির সমস্যা বংশগত হতে পারে। অর্থাৎ পরিবারের কারও এই সমস্যা থাকলে সেটা জিনবাহিত হয়ে আপনারও হতে পারে। 

    নখকুনির লক্ষণগুলি কী-কী? (Ingrown Toenail Symptoms)

    shutterstock

    প্রথম-প্রথম নখকুনি দেখা দিলে তার লক্ষণ অতটা স্পষ্ট হয় না। কিন্তু দীর্ঘদিন পরেও এই সমস্যা না কমলে তার লক্ষণ প্রকট হয়। 

    প্রথমদিকে নখকুনির যে লক্ষণগুলি দেখা যায় (Early Symptoms of Ingrown Toenail)

    ১| নখকুনি যেখানে হয়েছে, তার আশেপাশের ত্বক নরম হয়ে যায়। 

    ২| নখে চাপ পড়লে ব্যথা করে। 

    ৩| নখের চারপাশে তরল জমাট বেঁধে থাকে। 

    পরিণত স্তরে যখন নখকুনি থেকে সংক্রমণ হয়, তখন এই লক্ষণগুলি দেখা যায় (Final Symptoms of Ingrown Toenail)

    ১| রক্ত পড়া 

    ২| নখকুনির পাশে পুঁজ জমে যাওয়া 

    ৩| চামড়া মোটা হয়ে গিয়ে নখ ঢেকে দেওয়া। 

    নখকুনি রোধ করতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ? (Ways To Treat Ingrown Toenail)

    pixabay

    যেহেতু সমস্যাটা নখের তাই নখকুনি রোধ করতে সবার আগে নখের যত্ন নিতে হবে। বিশেষ করে নখ কাটার সময় অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। দেখে নিতে কীভাবে নখকুনি হওয়া বন্ধ (Home Remedies for Ingrown Toenail) করা সম্ভব। 

    ১| নখ খুব ছোট অবস্থায় কাটবেন না। নখ কাটার সময় নখের কোনার দিকে বিশেষ যত্ন নেবেন। খেয়াল রাখবেন নখের কোনা যেন বেঁকে না যায়। নখ সব সময় সোজা করে কাটবেন। 

    ২| জুতো বা মোজা বেশি টাইট পরবেন না। এমন জুতো বেছে নেবেন যেখানে আপনার টো বা পায়ের পাতা নড়াচড়া করার জন্য যথেষ্ট জায়গা পায়। 

    ৩| খেলাধুলো করার সময় সাবধান থাকবেন যেন পায়ে চোট না লাগে। মাঝে মাঝে খালি পায়ে শিশিরভেজা ঘাসের উপর হাঁটার চেষ্টা করবেন।  

    নখকুনি দূর করার ঘরোয়া উপায় (Ingrown Toenail Home Treatment)

    pixabay

    এমনিতে বিশেষ কোনও সমস্যা না হলে বা সংক্রমণ না হলে নখকুনির চিকিৎসা বাড়িতেই করা যায়। দেখে নেওয়া যাক কীভাবে বাড়িতে আমরা নিজেরাই এই সমস্যার সমাধান করতে পারি। তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন, চটজলদি সমাধান খুঁজতে বা আরাম পেতে হাতের সামনে ছুরি, কাঁচি বা ব্লেড যা পাবেন তাই দিয়ে এই নখ কাটার চেষ্টা করবেন না। এতে কোনও উপকার তো হবেই না, উল্টে আপনার ব্যথা আরও বাড়বে এবং সংক্রমণের সমস্যাও বাড়বে। যদি দেখেন ঘরোয়া উপায় (Home Remedies) অনুসরণ করেও নখকুনির (Ingrown Toenail) সমস্যা দূর হচ্ছে না বা ব্যথা কমছে না, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন। 

    ১| সাবান জলে পা ডুবিয়ে রাখুন (Soak Feet In Warm Soapy Water)

    pixabay

    ঈষদুষ্ণ জলে একটু সাবান দিয়ে সেখানে পা ডুবিয়ে বসে থাকলে, নখকুনি থেকে যে ব্যথা হয়েছে তার থেকে আরাম পাবেন। ক্যাসটাইল সাবান এক্ষেত্রে কাজে দেবে ভাল। জলের মধ্যে যদি একটু এপসাম নুন ছড়িয়ে দেন তাহলেও কাজে দেবে। মিনিট কুড়ি এই জলে পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। 

    ২| অ্যাপল সাইডার ভিনিগারে পা ডুবিয়ে রাখুন (Soak Feet In Apple Cider Vinegar)

    pixabay

    অ্যাপল সাইডার ভিনিগার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে, জ্বালা কমাতে পারে এবং ব্যথাও অনেক নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই সাবান জলের পরিবর্তে চাইলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগারও জলে মিশিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে রাখলে নখকুনি থেকে আরাম পাবেন। তবে কুড়ি মিনিটের বেশি পা এই জলে রাখবেন না আর ভাল করে পা মুছে নিতে ভুলবেন না।

    ৩| অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম লাগান (Apply Antibiotic Cream)

    নখকুনি থেকে সংক্রমণ হওয়ার একটা আশঙ্কা থাকে। তাই যেখানে নখকুনি হয়েছে সেখানে  প্রতিদিন নিয়ম করে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম লাগান । দেখবেন আস্তে আস্তে ব্যথা কমে এসেছে এবং আপনার নখকুনির সমস্যাও দূর হয়েছে। 

    ৪| সঠিক জুতো আর মোজা বেছে নিন (Choose Right Shoe and Shocks)

    নখকুনির মূল সমস্যা কিন্তু ভুল জুতো এবং মোজা থেকেই শুরু হয়। তাই বারবার এই কথা বলা হচ্ছে যে জুতো ও মোজা কেনার সময় আপনাকে যথেষ্ট সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই নখকুনির (Ingrown Toenail) সমস্যা আছে তাঁদের আরও সাবধান হওয়া উচিৎ। 

    ৫| টো ব্রেস (Toe Brace)

    টো ব্রেস একটি পাতলা প্লাস্টিকের চামড়ার মতো। কৃত্রিম এই চামড়া পায়ের উপর লাগালে এটি আপনার পায়ের পাতাকে সুরক্ষিত রাখবে এবং যখন আপনার নখ ধার বরাবর বাড়তে থাকবে এই টো ব্রেস সেটিকে আস্তে করে তুলে দেবে। টো ব্রেস অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়। কয়েকটি নির্দিষ্ট ওষুধের দোকানেও এটি পাওয়া যায়।

    ৬| লেবু ও পেঁয়াজের রস (Lemon and Onion Juice)

    pixabay

    পেঁয়াজ ও লেবুর রস গজ কাপড়ে লাগিয়ে সেটা দিয়ে রাত্রে শোয়ার আগে ব্যান্ডেজ করে নিতে পারেন। পেঁয়াজ ও লেবু দুটোর রসেই আছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান। ফলে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কমে।

    ৭| রসুন আর হলুদ (Garlic and Turmeric)

    pixabay

    রসুন থেঁতো করে নখকুনিতে লাগান। প্রয়োজনে উপরে ব্যান্ডেজ করে দিন। রসুন সংক্রমণ রোধ করে এবং ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। রসুনের মতো নখকুনির (Ingrown Toenail) ক্ষেত্রে হলুদও খুব কার্যকরী। হলুদও সংক্রমণ রোধ করে ও ব্যথা বেদনা দূর করে। তাই হলুদ বেটেও নখকুনিতে লাগাতে পারেন। 

    ৮| নারকেল তেল (Coconut Oil)

    pixabay

    যেখানে নখকুনি হয়েছে, সেখানে প্রতিদিন নিয়ম করে নারকেল তেল লাগান। নারকেল তেলে আছে কয়েকটি উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড যা ছত্রাকের সংক্রমণ রোধ করে এবং ব্যথাও কমায়। 

    ৯| এসেনশিয়াল অয়েল (Essential Oil)

    নখকুনি যাতে আর না বাড়ে এবং ব্যথা যাতে কমে তার জন্য দু’প্রকারের এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। টি ট্রি আর পেপারমিন্ট। টি ট্রি অয়েলে আছে অ্যান্টি ফাঙ্গাল, অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি সেপটিক গুণ। আবার পেপারমিন্ট অয়েলে আছে সুদিং এফেক্ট, যা নখকুনির ব্যথা থেকে আরাম দেয় এবং সংক্রমণ রোধ করে। 

    ১০| বেকিং সোডা (Baking Soda)

    বেকিং সোডায় আছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান। সামান্য বেকিং সোডা জলে মিশিয়ে প্রলেপ তৈরি করে নখকুনিতে লাগালে সংক্রমণ রোধ হয়।    

    নখকুনি থেকে সংক্রমণ হলে কী করা উচিত? (How To Treat An Infected Ingrown Toenail?)

    pixabay

    নখকুনি থেকে সংক্রমণ হলে সেখান থেকে রক্ত বেরোবে, নখ ফুলে উঠবে এবং পুঁজ জমা হবে। এরকম কিছু হলে ঘরোয়া উপায়ের (Home Remedies) উপর ভরসা না করে সত্বর চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। হতে পারে আপনার সার্জারির প্রয়োজন আছে।

    নখকুনির জন্য সার্জারি : পদ্ধতি ও সার্জারির পরে যত্ন (Ingrown Toenail Surgery: Procedure and Aftercare)

    shutterstock

    যখন ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করেও নখকুনি কমে না, তখন বাধ্য হয়ে সার্জারির সাহায্য নিতে হয়। তা ছাড়া যাঁদের ডায়বেটিস বা মধুমেহ থাকে, তাঁদের নখকুনি সহজে নিরাময় হয় না এবং অল্পতেই সংক্রমণের আশঙ্কা দেখা দেয়। অনেকের আবার ঘরোয়া উপায় (Home Remedies) অবলম্বন করে নখকুনি তখনকার মতো সেরে গেলেও পরে আবার দেখা দেয় এবং বারবার ফিরে আসে। এসব ক্ষেত্রে সার্জারির সাহায্য নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। 

    পদ্ধতি (Surgery Procedure)

    যেখানে নখকুনি হয়েছে, সেখানে স্থানীয় অ্যানাসথেসিয়ার ইঞ্জেকশন দিয়ে অবশ করে দেওয়া হয়। তারপর লম্বালম্বিভাবে বেঁকে যাওয়া নখ কেটে বের করে দেওয়া হয়। ডাক্তার বৈদ্যুতিন হিট মেশিন বা অ্যাসিডিক সলিউশন নখের ম্যাট্রিক্সে অর্থাৎ যেখান থেকে নখ জন্মায় সেখানে দিয়ে দেন। এতে রক্ত পড়া বন্ধ হয় এবং নখ দ্বিতীয়বার বেঁকে গিয়ে নখকুনির জন্ম দিতে পারে না। 

    সার্জারির পরে যত্ন (Care After Surgery)

    এমনিতে সার্জারির পরে ঠিক কী-কী করতে হবে সেটা আপনার ডাক্তারই আপনাকে বলে দেবেন। কী-কী ওষুধ খেতে হবে এবং কীভাবে ড্রেসিং করতে হবে সেটাও বলে দেবেন। সাধারণত নখকুনির সার্জারি হলে দু’সপ্তাহ খোলা জুতো পড়া উচিত। মাঝে-মাঝে ঈষদুষ্ণ সাবান জলে পা ডুবিয়ে বসা উচিৎ। তাছাড়া এই সার্জারির পর অন্তত কিছুদিন বেশি হাঁটাহাঁটি, এক্সারসাইজ বা নাচ করা উচিত নয়।

    নখকুনি নিয়ে কিছু জরুরি প্রশ্ন ও তার উত্তর (FAQs)

    ১। প্রশ্ন: নখকুনির সার্জারির পড় সুস্থ হতে কতদিন সময় লাগে?

    উত্তর: সেটা মূলত নির্ভর করে সার্জারি কতটা গভীর হয়েছে, তার উপর। এমনিতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ পরে সকলেই সুস্থ হয়ে যায়।

    ২। প্রশ্ন: কোন ধরনের নুন নখকুনি নিরাময়ে ব্যবহার করতে পারি?

    উত্তর: যখন আপনি ঈষদুষ্ণ সাবান জলে পা ডুবিয়ে বসছেন, তখন তাতে এপসাম লবণ ছড়িয়ে নিতে পারেন। এতে আছে অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারি উপাদান। অর্থাৎ এটি সংক্রমণ রোধ করতে ও জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। 

    ৩। প্রশ্ন: কোন ধরনের ক্রিম নখকুনিতে লাগানোর জন্য সেরা ?

    উত্তর: প্রকৃতপক্ষে সেরা কোনও ক্রিম হয় না। আপনার ডাক্তার আপনাকে এই বিষয়ে সাহায্য করবেন। তিনি নিওসপ্রিন বা ব্যাসিট্রাসিন জাতীয় ক্রিম দিতে পারেন। তবে আপনি এসেনশিয়াল অয়েল, লেবুর রস, হলুদের প্রলেপ এগুলোও লাগাতে পারেন। তবে নিজে থেকে কোনও ক্রিম না লাগানোই ভাল। 

    ৪। প্রশ্ন: জুতো পরিবর্তন করলে কি নখকুনির প্রতিরোধ করা সম্ভব?

    উত্তর: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাইট জুতো থেকেই নখকুনি হয়। তাই অনেক সময়ই জুতো পালটালে এই সমস্যা কমে যায়। এমন জুতো পরবেন, যেখানে টো বা পায়ের পাতা নাড়াবার জন্য একটু স্পেস  থাকে। 

    ৫। প্রশ্ন: এটি কি বংশগত সমস্যা?

    উত্তর: যদি দেখা যায় যে, আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্য যাঁদের সঙ্গে আপনার রক্তের সম্পর্ক তাঁদেরও বারে-বারে এই সমস্যা হচ্ছে, তা হলে এটা সম্ভবত আপনার বংশগত বিষয় যা জিনবাহিত হয়ে আপনার মধ্যে এসে পৌঁছেছে। তবে পরিবারে কারও এই সমস্যা থাকলে আপনারও হবে, তা কিন্তু নয়। 

    POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

    আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!