কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো কঠিন সমস্যা দূর করার পাঁচটি সহজ ঘরোয়া টোটকা

কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো কঠিন সমস্যা দূর করার পাঁচটি সহজ ঘরোয়া টোটকা

শিরোনামটা পড়েই হয়তো অনেকে হাসছেন অথবা নাক কুঁচকাচ্ছেন, কিন্তু constipation বা কোষ্ঠকাঠিন্য কিন্তু হেলাফেলা করার মতো বিষয় নয়। আপনার না হয় প্রতিদিন সক্কাল-সক্কাল পেট পরিষ্কার হয়ে যায়, কিন্তু যাঁদের হয় না, তাঁদের যে কী কষ্ট একমাত্র তাঁরাই বোঝেন! আপনারও যদি একদিন ঠিক করে পেট পরিষ্কার না হয় ভাবুন তো সারাটা দিন কেমন ভারী-ভারী মনে হয়, কোনও কাজে মন বসে না, শরীরের মধ্যে একটা অস্বস্তি হতে থাকে; তা হলে যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাঁদের কতটা অসুবিধে হয়!

অনেকেই নানা ধরনের ওষুধ খান এই সমস্যা সমাধান করার জন্য। কিন্তু কতগুলো ঘরোয়া টোটকা (home remedies) যদি নিয়মিত মেনে চলেন তা হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নির্মূল করাও সম্ভব।

আরো পড়ুনঃ ডেঙ্গু জ্বরের ঘরোয়া চিকিৎসা

১। প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে

শাটারস্টক

কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান এবং অন্যতম কারণগুলির মধ্যে একটি হল পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান না করা। আমরা সারাদিনে ঠিক কতটা জল খাই বলুন তো? একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সারাদিনে মোটামুটি আট থেকে নয় গ্লাস জল খাওয়া উচিত। অর্থাৎ প্রায় আড়াই লিটার জল পান করা উচিত। কিন্তু অনেকেই সারা দিনে এক লিটার জলও পান করেন না। ঘুম থেকে উঠেই দু’ গ্লাস জল পান করুন এবং তারপরই বাথরুমে যান। সম্ভব হলে দিনে এক-দু’বার ঊষ্ণ জলে সামান্য নুন দিয়ে সেই জলটা পান করুন, এতে পেট পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২। ফাইবারযুক্ত খাবার খেতে হবে

যেসব খাবারে ফাইবার রয়েছে, সেরকম খাবার বেশি করে খান। ময়দা ছেড়ে আটার রুটি খান, সঙ্গে খোসাসমেত ডাল, প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি তো খাবেনই, ফল খেতেও ভুলবেন না। ফাস্ট ফুড এবং জাঙ্ক ফুড না খেয়ে বরং সেসময় কোনও ডাইজেস্টিভ বিস্কুট খান। ফল খাবেন কামড়ে, রস করে খেয়ে কোনও লাভ নেই। কারণ, তাতে ফাইবার থাকে না। ফাইবার আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় না।

৩। ব্যায়াম করুন

শাটারস্টক

আপনি যতই সুষম আহার করুন না কেন, যদি নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম না করেন, তা হলে কিন্তু কোনও লাভ নেই। শুধুমাত্র ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম করতে হবে তেমন কোনও কথা নেই, শরীর সুস্থ রাখার জন্যও ব্যায়ামের প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত একবার করে পেটের ব্যায়াম করুন, যাতে পেট পরিষ্কার হয়।

৪। টক দই খান

টক দই-এ ন্যাচারাল ল্যাক্টিক অ্যাসিড আছে যা খাবার হজম করায় এবং মল নরম করতে সাহায্য করে। ফলে পেট পরিষ্কার হতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। খাওয়ার পাতে টক দই খান, চাইলে রায়তা খেতে পারেন অথবা দইয়ের ঘোলও খেতে পারেন।

৫। খোসাসমেত আপেল খান

আপেল কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য খুব ভাল। আর আপনি যদি আপেল খোসাসমেত খেতে পারেন, তা হলে আরও ভাল! কারণ, এতে ফাইবার রয়েছে এবং ফাইবার খাবার হজমে এবং মলত্যাগে সাহায্য করে।

 

মূল ছবি সৌজন্য: ইউটিউব

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!