জানেন কি, কোন ১১টি ডাক্তারি পরীক্ষা মহিলাদের নিয়মিত করানো উচিত?

জানেন কি, কোন ১১টি ডাক্তারি পরীক্ষা মহিলাদের নিয়মিত করানো উচিত?

আপনি যাই বলুন, আমরা মহিলারা না ঠিক নিজেদের যত্ন নিই না সেভাবে। হয় সংসার, সন্তান, স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির দেখাশোনা করতে করতেই দিন কেটে যায় অথবা বাইরের কাজ করতে করতে। দিনের পর দিন নিজের যত্ন না করে যখন বড়-সড় একটা সমস্যা হয়, তখন আমরা ছুটি ডাক্তারের কাছে! কিন্তু যদি বছরে অন্তত একবার করে কয়েকটি অতি আবশ্যিক হেলথ (health) চেকআপ (check-up) করিয়ে নিতে পারি, তা হলেই কিন্তু সমস্যা বড় হয়ে দাঁড়ানোর আগেই আমরা তা রুখতে পারি! মহিলারা ঠিক কোন-কোন ডাক্তারি পরীক্ষাগুলো (tests) অবশ্যই করাবেন, তার একটা মোটামুটি তালিকা এখানে দেওয়া হল।

আরও পড়ুনঃ সাদাস্রাব থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

ব্লাড প্রেশার

ঘরের কাজ এবং বাইরের কাজ, তার সঙ্গে আরও অনেকগুলো চাপ – সব মিলিয়ে মহিলাদের জীবনে কিন্তু স্ট্রেস প্রচুর! কাজেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা কিন্তু খুব জরুরি। শুধুমাত্র যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হয় তা নয়। অনেক মহিলাই লো ব্লাড প্রেশারের সমস্যাতেও ভোগেন। কাজেই নিয়মিত ব্লাড প্রেশার চেক করানো কিন্তু প্রয়োজন। 

কোলেস্টেরল পরীক্ষা

কোলেস্টেরল শুধুমাত্র মহিলাদের নয়, যে-কারও হতে পারে। কিন্তু মহিলাদেরও নিয়ম করে অন্তত বছরে একবার কোলেস্টেরল টেস্ট করানো উচিত যাতে হার্টের সমস্যা এড়ানো যায়।

প্যাপ স্মিয়ার

অনেক গাইনোকলজিস্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞই মনে করেন ২১ থেকে ৬৫ বছর বয়সি প্রতিটি মহিলার অন্ততপক্ষে প্রতি তিন বছরে একবার করে তো প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট করানোই উচিত। সারভাইক্যাল ক্যান্সার অথবা অন্য যে-কোনও ভ্যাজাইনাল সমস্যা আছে কিনা, তা জানার জন্য এই পরীক্ষাটি অত্যন্ত জরুরি।

ম্যামোগ্রাম

মহিলাদের নিজের প্রতি গাফিলতির ফলে অনেকেই ঠিক সময়মতো বুঝতে পারেন না যে তার স্তনের ছোট্ট লাম্পটি আদৌ ম্যালিগন্যান্ট বা ক্যান্সারাস কিনা! সেজন্যই ম্যামোগ্রাম টেস্ট করানোটা প্রয়োজন, বিশেষ করে ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সি মহিলাদের।

হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা

ডাক্তারদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পর থেকে মহিলাদের হাড়ের ঘনত্ব কম হতে শুরু করে এবং ঠিক সময়ে তার চিকিৎসা না হলে পরে গিয়ে অস্টিওপোরোসিস-এর মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কাজেই সময় থাকতে-থাকতে বোন ডেনসিটি টেস্ট করিয়ে নিন নিয়মিত।

এছাড়াও বিয়ের আগ দিয়ে আপনি এবং আপনার হবু স্বামী যে পরীক্ষাগুলো অবশ্যই করাবেন...

জেনেটিক টেস্ট

জেনেটিক ডিসঅর্ডার কিন্তু বহু প্রজন্ম আগে থেকেও সন্তানের মধ্যে আসতে পারে। হয়তো আপনার বা আপনার হবু স্বামীর মধ্যে কোনও জিনগত সমস্যা নেই। কিন্তু আপনাদের ডিএনএ-তে কয়েক প্রজন্ম আগের কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা, তা জানাও জরুরি আপনাদের সুস্থ সন্তানের জন্য।

ব্লাড গ্রুপ টেস্ট

ব্লাড গ্রুপ টেস্ট করানো বিয়ের আগে খুবই প্রয়োজন। ধরুন, আপনার ব্লাড গ্রুপ ও নেগেটিভ এবং আপনার হবু স্বামীর ব্লাড গ্রুপ এবি পজিটিভ, সেক্ষেত্রে আপনাদের সন্তানের ব্লাড গ্রুপ এবি নেগেটিভ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এটি যদিও কোনও সমস্যা নয়, কিন্তু এই ব্লাড গ্রুপটি অত্যন্ত দুর্লভ।

এইচ আই ভি টেস্ট

বিয়ের আগে এইচ আই ভি টেস্ট কিন্তু আপনাদের দু’জনেরই করা প্রয়োজন। কারণ যে-কোনও একজনও যদি এই রোগে আক্রান্ত হন, তা হলে শারীরিক মিলনের ফলে কিন্তু অন্যজনের মধ্যেও এই সমস্যা ছড়াতে পারে. 

এছাড়াও যে ডাক্তারি পরীক্ষাগুলো করানো প্রয়োজন - 

  • থ্যালাসেমিয়া টেস্ট
  • ফার্টিলিটি টেস্ট
  • সিকল সেল টেস্ট
  • থাইরয়েড টেস্ট

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এগুলোও আপনি পড়তে পারেন

ইউরেনারি ট্র্যাক ইনফেকশন কেনো হয়?

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!