সহকর্মীর প্রেমে পড়েছেন, ক্ষতি নেই! তবে এই বিষয়গুলি মাথায় না রাখলে কিন্তু বিপদ!

সহকর্মীর প্রেমে পড়েছেন, ক্ষতি নেই! তবে এই বিষয়গুলি মাথায় না রাখলে কিন্তু বিপদ!

প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবন জুড়ে! আর সেই ফাঁদে কখন যে কে পড়বে, তা আগে থাকতে ঠাউর করা দায়। তবে তাই বলে প্রেমের মানুষটির খোঁজ যে সব সময় ডেটিং সাইট, নয়তো ফেসবুকেই মিলবে, এমনও নয়! হঠাৎ করে পাশের বাড়ির বুবাইকে যেমন ভাল লেগে যেতে পারে, তেমনি অফিসে পাশের সিটে বসা 'হ্যান্ডসাম' ছেলেটিকেও ভালবেসে ফেলতে পারেন। তবে বুবাইকে ভালবাসলে কতটা ঝড়-ঝাপটা সামলাতে হবে জানা নেই। কিন্তু অফিসের সেই হ্যান্ডসামটির প্রেমে পরলেই যত বিপদ! বিপদ কেন?

না, ভালবাসলে কোনও বিপদ নেই। কিন্ত আপনাদের লীলা খেলা (dating) যদি কোনও সহকর্মীর নজরে চলে আসে, তাহলেই চিন্তার বিষয়! সেক্ষেত্রে চাকরি পর্যন্ত যেতে পারে। কারণ, অনেক অফিসই এমন সম্পর্ককে মান্যতা দেয় না। ফলে রেজিগনেশন দেওয়া ছাড়া প্রেমিক-প্রেমিকার হাতে অন্য কোনও উপায় আর থাকে না। একই ঘটনা আপনার সঙ্গেও ঘটুক, এমনটা আমরা চাই না। তাই এই প্রতিবেদনে এমন কিছু নিয়মের (rules) উল্লেখ রইলো, যা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললে আপনাদের সম্পর্কের কথা জানা-জানি তো হবেই না, বরং লোকচক্ষুর আড়ালে গোকুলে বেড়ে উঠবে আপনাদের প্রেমের সম্পর্ক।

১. আপনাদের সম্পর্কের কথা কেউ না জানতে পারে

অফিসের কোনও সহকর্মীকে ভুলেও আপনাদের সম্পর্কের কথাটা বলতে যাবেন না যেন! কারণ, এমন খবর মুখে মুখে ঘুরতে-ঘুরতে এক সময় দাবানলের চেহারা নেয়। আর সেই দাবানলের আঁচ যদি একবার বস পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়, তা হলেই বিপদ! তাতে দু'জনেরই চাকরি যেমন যেতে পারে, তেমনই সম্মানহানির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেোয়া যায় না। তাই মুখে কুলুপ আঁটাই নিরাপদের।

২. অফিস চত্বরে বেশি দেখা করা চলবে না

কথায়-কথায় দু'জনে মিলে কফি ব্রেকে যাওয়া চলবে না। একসঙ্গে লাঞ্চে যাওয়াও কম বিপদের নয়। কারণ প্রতিটা অফিসেই পরনিন্দা, পরচর্চাপ্রিয় এমন কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের নজর সারাক্ষণ বাকিদের উপর থাকে। এমন মানুষদের রেডারে একবার ধরা পরে গেলে সমস্যা বাড়বে বই কী! সেক্ষেত্রে নিমেষেই আপনারা গসিপের পাত্র হয়ে উঠবেন। তখন মানসিক শান্তি থাকবে কি? তাই অফিস চত্বরে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাটাই নিরাপদের। তাতে অকারণ অ্যাক্সিডেন্টের আশঙ্কা আর থাকবে না।

৩. ভুলেও অফিস আই-ডিতে প্রেম পত্র পাঠাবেন না যেন

প্রেমিককে খুব মিস করলে একটু উঁকিঝুঁকি মেরে তাঁকে এক ঝলক দেখে নিন না, তাতে কোন ক্ষতি নেই! কিন্ত ভুলেও আফিস আই-ডিতে 'মিসিং ইউ বেবি' গোছের মেল লিখে পাঠাবেন না যেন! তাতে ধরা পরবেই পরবেন। কারণ, অফিস আই-ডিতে সারাক্ষণ নজরদারি চলে। তাই আই টি সেকশনে যদি আপনার বাবা-কাকা না থাকেন, তা হলে সেই মেলের খবর যে সেকেন্ডে বসের কানে পৌঁছে যাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তারপর আপনার যে কী হাল হবে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।

৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাদের টিকিটিও যেন দেখা না যায়

যখন বুঝবেন সম্পর্কের ভিতটা একটু মজবুত হয়েছে, তখন থেকেই নতুন চাকরি দেখা শুরু করে দেবেন। কারণ এক অফিসে প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রীর কাজ করা উচিত নয়। তাতে হাজার রকমের ঝক্কি পোয়াতে হয়। তাই যতদিন না দু'জনে অফিস ছাড়ছেন, ততদিন আপনাদের কোনও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবেন না যেন! কারণ, আপনার ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে অফিসের কেউ না-কেউ তো আছে, সে যদি দেখে নেয়, তা হলেই হল! তাই প্রেমিকের সঙ্গে সোশ্য়ালি অ্যাকটিভ থাকুন, তাতে কোনও ক্ষতি নেই! কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি অ্যাকটিভ না থাকাই নিরাপদের।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!