মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে চান? তা হলে মেনে চলুন এই টিপসগুলো

মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে চান? তা হলে মেনে চলুন এই টিপসগুলো

আজকাল শুধুমাত্র কথা বলতে কেউ আর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। বরং আরও হরেক রকমের কাজে লাগানো হয়ে থাকে ডিভাইসটিকে। বিশেষ করে ব্যাঙ্কিং থেকে বিউটি টিপস, খাবার অর্ডার করা থেকে খবর পড়া, সব কাজই আজকাল আমরা মোবাইল ফোনে সেরে থাকি। সঙ্গে দেদার চলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুর ঘুর। ফলে ব্যাটারির হাল, বেহাল হতে সময় লাগে না। এদিকে এক মুহূর্তও আমরা মোহাইল ফোন (phone) ছাড়া থাকতে পারি না। অগত্যা চার্জার অন করেই চলে মোবাইলের ব্যবহার, তাতে ব্যাটারির আয়ু তো কমেই, সঙ্গে মোবাইলেরও নানা ক্ষতি হয়ে যায়। ফলে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই নতুন স্মার্টফোনের আয়ু শেষ। তাই তো বলি, চুটিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের পরেও যদি বছর খানেক ব্যাটারিকে (battery) চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে এই টিপসগুলি অক্ষরের অক্ষরে মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

১. যত কম চার্জ দেবেন, ততই আয়ু বাড়বে

লো ব্যাটারি থেকে ফুল ব্যাটারি, মানে শূন্য বা এক-দু' শতাংশ থেকে যখন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ দেওয়া হয়, তখন তাকে প্রযুক্তির ভাষায় charge cycle বলা হয়ে থাকে। এই চার্জ সার্কল ৪০০ পেরনো মাত্রাই ব্যাটারির ক্ষমতা ২০ শতাংশ হারে কমতে শুরু করে। অর্থাৎ ৪০০ বার ফুল চার্জ দিলেই ব্যাটারির খেল খতম হতে শুরু করে। আজকাল বেশ কিছু স্মার্ট ফোনের ব্যাটারি তো ১০০ সার্কলের পরেই মুখ থুবড়ে পরে। তাই ব্যাটারির আয়ু যদি বাড়াতে হয়, তা হলে চার্জ কম দিতে হবে। আর এমনটা তখনই সম্ভব, যখন মোবাইলের ব্যবহার কম মাত্রায় হবে। তাই মোবাইলের ব্যাটারি বহু দিন চাঙ্গা থাকুক, এমনটা যদি চান, তা হলে চেষ্টা করবেন দু'দিনে একবার চার্জ দেওয়ার। তাতে charge cycle-এর গুনতি বাড়ার আশঙ্কা কমবে। ফলে ব্যাটারির ক্ষতি হবে কম।

২. ভুলেও ১০০ শতাংশ চার্জ দেবেন না

শুনতে আজব লাগলেও, একাধিক স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, প্রতিবার যদি ১০০ শতাংশ চার্জ দেওয়া হয়, তা হলে নাকি ব্যাটারির আয়ু কমতে শুরু করে। তাই তো ব্যাটারির চার্জ ২০ শতাংশের নীচে নেমে গেলেই চার্জ দেওয়া শুরু করা উচিত। আর ৯০ শতাংশ হওয়া মাত্রই চার্জার আনপ্লাগ করে দেবেন। তাতে ব্যাটারির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমবে।

৩. খুব গরম বা ঠান্ডা জায়গায় ফোন রাখবেন না

বেশ কিছু স্টাডি অনুসারে, খুব গরম বা ঠান্ডা জায়গায় অনেকক্ষণ মোবাইল ফোন রেখে দিলে ব্যাটারির উপরে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, যে কারণে ক্ষমতা কমতে শুরু করে। তাই তো গরম কালে গাড়ির ক্যাবিনেটে ফোন রাখতে বারণ করা হয়। এমনকী, গ্যাস স্টোভ এবং মাইক্রোওয়েভের পাশেও মোবাইল ফোন রাখা উচিত নয়।

৪. screen brightness কমিয়ে ফেলুন

charge cycle বাড়তে থাকলে স্বাভাবিকভবেই ব্যাটারির আয়ু কমতে শুরু করে। তাই বহুদিন যদি ব্যাটারির ক্ষমতা ধরে রাখতে হয়, তা হলে কম করে দিনদুয়েক যাতে চার্জ থাকে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। আর ঠিক এই কারণেই মোবাইল স্ক্রিনের ব্রাইটনেস যতটা সম্ভব কম রাখতে হবে। তাতে ব্যাটারির খরচ কম হবে। ফলে বারে-বারে চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। এক্ষেত্রে আর একটি কাজও করতে হবে। কী কাজ? ৩০ সেকেন্ডে যাতে Auto-Lock হয়ে যায়, সেই মতো সেটিং-এ পরিবর্তন করতে হবে। কারণ, অটো লক না হওয়া পর্যন্ত ব্যাটারি খরচ হতে থাকে। ফলে লাফিয়ে লাফিয়ে ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৫. কিছু অ্যাপ ডিলিট করে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ

ফোনের battery setting-এ গিয়ে একবার দেখুন তো কোন-কোন অ্যাপ বেশি মাত্রায় ব্যাটারি খাচ্ছে। সেই অ্যাপগুলি ডিলিট করে দিলেই ব্যাটারির খরচ কমবে। ফলে বারে-বারে চার্জ না দেওয়ার কারণে অল্প দিনেই ব্যাটারির বারোটা বেজে যাওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!