‘গোয়েন্দা জুনিয়র’ নিয়ে পড়ুন ঋতব্রতর বিশেষ সাক্ষাৎকার in bengali | POPxo

কোনওদিকে তাকিয়ে থাকা মানে আসলে কিন্তু দেখতে পাওয়া নয়, শেখাবেন ‘গোয়েন্দা জুনিয়র’ ঋতব্রত

কোনওদিকে তাকিয়ে থাকা মানে আসলে কিন্তু দেখতে পাওয়া নয়, শেখাবেন ‘গোয়েন্দা জুনিয়র’ ঋতব্রত

গোয়েন্দাটা (detective) বরাবরাই পাবলিক হেব্বি খায়! পাবলিক মানে? এই তো আমি, আপনি, আপনারা, আমরা সবাই। এই সবাই রাজার দেশে গোয়েন্দা কার কার পছন্দ জানতে চাইলে, প্রচুর ভোট পাবে গোয়েন্দা সম্প্রদায়। সত্যি করে বলুন তো, ডিটেকটিভ গল্প পড়তে আপনিও তো ভালবাসেন নাকি? তেমনই ডিটেকটিভ বড় পর্দায় এলেও দর্শক খুশি হন।

আর এই সরল সত্যটা হাড়ে হাড়ে বোঝেন ফিল্ম নির্মাতারা। হিট পাওয়ার সহজ ফর্মুলা যেন গোয়েন্দা। ফেলুদা, কীরীটি, কাকাবাবু, ব্যোমকেশ, শবর, সোনাদা- টালিগঞ্জের লিস্ট নেহাত ছোট নয়। সাফল্য পাইবার সহজ সরল রাস্তা যেন গোয়ন্দা ছবি তৈরির মধ্যেই লুকিয়ে আছে। এই দুঃসময়ে, মানে সোশ্যাল মিডিয়ার রাজত্বে যখন অনেক দর্শকই সিনেমা হলমুখো হতে চান না, তখন হালকা করে গোয়েন্দা চেলে দিলে কিন্তু কিস্তিমাত!

তবে এত দিন আপনি বড় গোয়েন্দাদের দেখেছেন। গোগোলের মতো একেবারে কচিও ছিল বটে। কিন্তু টিনএজ গোয়েন্দা? না, সেই কনসেপ্ট এখনও তেমন জমেনি বোধহয়। এবার জমবে। কারণ আসছে ‘গোয়েন্দা জুনিয়র’। মৈনাক ভৌমিকের পরিচালনায় এসভিএফের প্রযোজনায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঋতব্রত (Rwitobroto) মুখোপাধ্যায়। রয়েছেন সিনিয়র মুখোপাধ্যাও। অর্থাৎ ঋতব্রত বাবা শান্তিলালও এই ছবির অন্যতম স্তম্ভ।

গল্পটা কেমন?

ঋতব্রত ব্যখ্যা দিলেন, এখানে বয়সে ছোট একটি ছেলে গোয়েন্দা তৈরি হচ্ছে। ১৬ বছর বয়স। বোর্ডের পরীক্ষা দেবে। অনাথ। বাবা, মা দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। স্বভাবে মুখচোরা। খুব একটা কথা বলতে পছন্দ করে না। স্কুলে মার খেলেও প্রতিবাদ করে না। কিন্তু পড়াশোনায় ভাল আর গোয়েন্দা গল্প পড়তে ভালবাসে। ছেলেটির লভ ইন্টারেস্ট যে (এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনুষা বিশ্বনাথন) তার বাবা (এই চরিত্রে রয়েছেন শান্তিলাল) কলকাতা পুলিশের ডিটেকটিভ। শহরে একটা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেটার তদন্ত শুরু করেন কলকাতা পুলিশের ওই গোয়েন্দা। এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে দুই বন্ধুও। কলকাতাতেই মাত্র ১১দিনের মধ্যে এই ছবির শুটিং শেষ করেছে গোটা টিম।

Instagram
Instagram

কীভাবে অফার এল?

ঋতব্রতর কথায়, “আমি নাটকের শোয়ের সময় ফোন সাইলেন্ট রাখি। একদিন ফোন বাজছে। বাবা বলল, মৈনাক ফোন করঠে। মৈনাকদা বলল, জুলাই মাসে কী করছিস? আমার ছবিটা কর। স্ক্রিপ্ট অনেক চেঞ্জ হয়েছে। আমরা ১২ বা ১৩ নম্বর ড্রাফ্টে কাজ করেছি। স্মার্টলি রিটেন থ্রিলার। এডিটের পরে আরও স্মার্ট হয়েছে। এখানে আসলে টিএনজ সমস্যা, একটা স্কুলেক ছেলের বড় হওয়া, ডিটেকটিভ হওয়া- শিক্ষক, ছাত্রের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে।”

পুলিশের গোয়েন্দাদের অন্যরা পাত্তা দেয়?

গল্পে, উপন্যাসে পুলিশের গোয়েন্দাদের অনেক ক্ষেত্রেই একটু কম পাত্তা দিয়েছেন লেখকরা। তাঁদের আগেই ফেলু মিত্তির বা ব্যোমকেশ কেস সলভ করে ফেলছেন, এ নজির কিন্তু কম নেই। এখানেই কি তাই? ঋতব্রত শেয়ার করলেন, “বাবার ছোটবেলার বন্ধু কলকাতা পুলিশের বড়কর্তা। আমি ছোট থেকে ওই কাকুকে দেখছি। অনেক কেস সলভ করেছেন। এই ছবিটায় বাবার লুক সেটের সময় বেশ কয়েকবার বাবা ওঁকে ফোনও করেছিল। আসলে কোরাপশনটা তো অনেক উপর লেভেল থেকে শুরু হয়। পুলিশের অনেক সময়ই কিছু করার থাকে না। এই ছবিতে গোয়েন্দা জুনিয়র উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগায়। বাবার একটা ডায়লগ আছে, থার্ড আই খুঁজছিলাম। এই ছেলেটা সেটাই। তাকিয়ে থাকা মানে আসলে কিন্তু দেখতে পাওয়া নয়।”

শুধু সিনেমা নয়। নাটকেও ঋতব্রত সফল। এই মুহূর্তে বিভিন্ন জায়গায় ‘অপবিত্র’ নিয়ে শো করতে যাচ্ছেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন নাটকের কাজ শুরু হবে। আর এই ব্যস্ততার মধ্যে প্রেম? হেসে ঋতব্রতর জবাব, “আগে ছিল এখন কেটে গিয়েছে। সবাই জানে তো...।”

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!