খাবারের পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে মাঝে-মধ্য়েই এই অন্য ধরনের পদ্ধতিগুলি মেনে রান্না করুন

খাবারের পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে মাঝে-মধ্য়েই এই অন্য ধরনের পদ্ধতিগুলি মেনে রান্না করুন

সরষের তেলে মুচমুচে করে ফ্রাই করা মাছ ভাজা খেতে তো মন্দ লাগে না। আবার পেঁয়াজ-লঙ্কা সহযোগে কষা করে তৈরি নানা পদ তো বাঙালির আল টাইম ফেভারিট। কিন্তু একথা জানা আছে কি, কোনও খাবারই বেশি আঁচে রান্না করা উচিত নয়। কেন জানেন? কারণ, অতিরিক্ত তাপে রান্না করলে মাছ হোক, কী সবজি, তাতে উপস্থিত উপকারী নানা ভিটামিন-মিনারেলের মধ্যে প্রায় ১৫-২০ শতাংশই নষ্ট হয় যায়। বিশেষ করে ভিটামিন সি, ফলেট এবং পটাশিয়ামের মতো উপকারী উপাদানগুলি একেবারে প্রথমেই নষ্ট হয়ে যায়। তাই তো এমন খাবার খেতে সুস্বাদু হলেও পুষ্টিগুণ কিছুই থাকে না। ফলে শরীরে ভিটামিন-মিনারেল সহ অন্যান্য উপকারী উপাদানের ঘাটতি দেখা দেওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই হাজার রকমের রোগ ঘাড়ে চেপে বসার আশঙ্কা বাড়ে। তাহলে উপায়? হঠাৎ করে রান্নার ধরন বদলে ফেলা তো আর সম্ভব নয়। তাই যেমন চলছে, তেমনই চলুক। তবে মাঝে মধ্যে ডিপ ফ্রাইয়ের পরিবর্তে এই পদ্ধতিগুলি মেনে রান্না করতে হবে, তা হলেই আর কোনও চিন্তা থাকবে না। চলুন, আর আপেক্ষা না করে জেনে নেওয়া যাক রান্না (Cooking) করার নানা স্বাস্থ্যকর উপায় সম্পর্কে...

১. ভাপে রান্না

স্টিম বা ভাপে যে কেবল সরষে দিয়ে ইলিশই রান্না করা করা যায়, এমন নয়। ইচ্ছা হলে রুই-কাতলা অথবা চিংড়ি মাছও ভাপে রান্না করতে পারেন। এমনকী, পটল, কচু সহ নানা শাক-সবজিও ভাপে রান্না করলে খেতে মন্দ হয় না। উপরন্তু এই পদ্ধতিতে রান্না করলে খাবারে উপস্থিত ভিটামিন-মিনারেল সহ নানা উপকারী উপাদানগুলি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও কমে। ফলে রসনা তৃপ্তি তো হয়ই, সঙ্গে শরীরও ফিট থাকে। তাই মাঝে মধ্যে স্বাদ বদল করতে তো বটেই, সেই সঙ্গে ছোট-বড় নানা রোগ দূরে রাখতেও ভাপে রান্না করা যেতেই পারে!

২. পোচিং (Poaching)

এ অবার কেমন ধরনের রান্নার পদ্ধতি? হালকা গরম জলে রান্না করার পদ্ধতিকে এই নামে ডাকা হয়ে থাকে। সহজ কথায় বললে সেদ্ধোর জাতভাই হল পোচিং। এক্ষেত্রে এক ফোঁটাও তেল ব্যবহার না করেই রান্না সেরে ফেলা হয়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরির প্রবেশ ঘটার আশঙ্কা আর থাকে না। সেই সঙ্গে খাবারের পুষ্টিগুণও বজায় থাকে। পোচিং পদ্ধতিতে মাছ বা ডিমের নানা পদ রান্না করা যেতে পারে। কীভাবে করবেন, তাই ভাবছেন? ইউটিউবে এই নিয়ে একাধিক ভিডিও রয়েছে, তার কোনওটা দেখে নিয়ে এই রান্নার পদ্ধতিটি শিখে নিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, অনেক দেশেই পোচিং পদ্ধতিতে রান্নার সময় জলের পরিবর্তে দুধ বা মাখন ব্যবহার করা হয়। আপনিও তাই করতে পারেন।

৩. সেদ্ধ

সেদ্ধ খাবারই সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর হয়। কারণ, এই পদ্ধতিতে রান্না করলে খাবারের পুষ্টিগুণ একটুও নষ্ট হয় না। তাই তো নিয়মিত এক বাটি করে সেদ্ধ সবজি আর খান দুয়েক সেদ্ধ ডিম খাওয়া শুরু করলে শরীর বাবাজিকে নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না। মাংস সেদ্ধ করে নিয়ে স্যালাডের সঙ্গে মিশিয়ে খেলেও মন্দ হয় না। মোট কথা সুস্থ থাকতে চাইলে সপ্তাহে দিনতিনেক সেদ্ধ খাবার খেতেই হবে, তাতে নানা ধরনের সবজি থাকা যেমন মাস্ট, তেমনই মাছ-মাংসও যেন থাকে, তবেই কিন্তু ছোট-বড় নানা রোগ দূরে থাকবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে তৈরি নানা পদও কিন্তু সমান উপকারী।

৪. গ্রিলিং

মাছ বা মাংস ভাল করে ম্যারিনেট করে ওভেন বা ননস্টিক প্যানে গ্রিল করে নিলে খেতে যেমন সুস্বাদু হবে, তেমনই শরীরেরও কাজে লাগবে। কারণ, রান্নার এর থেকে স্বাস্থ্যকর উপায় আর কিছু হয় না বললেই চলে। আসলে গ্রিল করার সময় একটুও তেল,মাখন বা ঘি ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না। ফলে মেদ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সঙ্গে মাংসে উপস্থিত প্রোটিন, আয়রন এবং উপকারী ফ্যাটের মতো স্বাস্থ্যকর উপাদানগুলিও নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo Shop-এর স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...