How To Control Mood Swings - ঘন ঘন মুড সুইংয়ের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় | POPxo

মিনিটে মিনিটে পাল্টে যায় মুড? কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন মুড সুইং (How To Control Mood Swings)

মিনিটে মিনিটে পাল্টে যায় মুড? কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন মুড সুইং (How To Control Mood Swings)

মন থাকলেই মন খারাপ!একটি বাংলা ছবির বিখ্যাত সংলাপ।তবে কথাটির কিন্তু গভীর অর্থ আছে। একটু বুঝিয়ে বলছি। ধরুন সকালে উঠে আপনি রোজকার মতো চান খাওয়া করে অফিস গেলেন। হঠাৎ অফিসে পৌঁছে কোনও কারণ ছাড়াই আপনার ভীষণ মন খারাপ হল। বা এই গোটা বিশ্বের উপর আপনার ভয়ানক রাগ হল। মনে হল সব জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিতে। আশ্চর্য ব্যাপার হল দু’ঘণ্টা পড়েই আপনার এই মন খারাপ বা বিরক্তি চলে গেল। এখন মানুষের মন বলে কথা। সেখানে কখনও মেঘ আর কখনও বৃষ্টি। তাই এমনটা যে এক আধদিন হতে পারে না সেটা বলছিনা। কিন্তু বারবার হলে বা প্রতিদিন হলে বুঝতে হবে আপনার মুড সুইংয়ের (Mood Swings) সমস্যা আছে। কী এই মুড সুইং? কেন হয় মুড সুইং? এটা কি আসলে জটিল কোনও মানসিক রোগ? কীভাবে মিলবে প্রতিকার (How To Control Mood Swings)? এরকম নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আজকের এই প্রতিবেদন।  

Table of Contents

    মুড সুইং আসলে কী? (What Is Mood Swings)

    pixabay
    pixabay

    খুব ঘন ঘন এবং কোনও নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া যখন মুডের পরিবর্তন হয় তাকে মুড সুইং বলা হয়। দেখা গেছে যে যাঁদের খুব দ্রুত মুড সুইং হয় সেইসময় তাঁদের মস্তিষ্ক খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং সমস্যার সমাধান বা কোনও ভবিষ্যৎ প্ল্যানিং করে ফেলতে পারে। তবে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল এটা সবার ক্ষেত্রে হয়না। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই বারবার মুড পরিবর্তন হওয়া খুব ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে।মনোবিদরা আশঙ্কা করেন গোড়ার দিকেই মুড সুইংয়ের (Mood Swings) সমস্যার সমাধান না করতে পারলে সেটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার বা দ্বৈত স্বত্বার মতো জটিল ও গভীর মানসিক রোগে পরিণত হয়।

    কী কী কারণে হতে পারে মুড সুইং (Common Causes of Mood Swings)

    pixabay
    pixabay

    চিকিৎসাশাস্ত্র বলছে আমাদের মস্তিষ্কে কয়েকটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে। এগুলি আসলে বিভিন্ন প্রকারের হরমোন। এই নিউরোট্রান্সমিটারের মধ্যে সেরোটোনিন ও নরপাইনফ্রাইন হল খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি আমাদের ঘুমের প্যাটার্ন, নানা রকমের মানসিক স্থিতি ও আবাগের ওঠাপড়ার সঙ্গে জড়িত। আর দ্বিতীয়টির সম্পর্ক আছে স্মৃতি, কোনও কিছু শেখার দক্ষতা ও শারীরিক চাহিদার সঙ্গে। এই দুটি নিউরোট্রান্সমিটার যদি একটু কম বেশি হয় তাহলে মুড সুইং দেখা দিতে পারে।এছাড়াও মুড সুইং হওয়ার অন্যান্য কয়েকটি কারণ আছে। সেগুলি এবার দেখে নেওয়া যাক।

    ১| স্ট্রেস বা মানসিক চাপ (Mental Stress)

    আমাদের প্রত্যেকের মানসিক চাপ নেওয়ার ক্ষমতা একেক রকমের হয়। কেউ একটু বেশি চাপ সহ্য করতে পারে আবার কেউ একটু কম চাপেই ভীত হয়ে পড়ে। অফিস, সংসার, ছেলেমেয়েদের চিন্তা, কেরিয়ার, প্রেম সহ নানা রকমের জটিলতার কারণে স্ট্রেস দেখা দেয়। আর এর থেকেই অনেক সময় মুড সুইং (Mood Swings) হতে পারে।

    ২| অস্থিরতা বা অ্যাংজাইটি (Anxiety)

    কেউ ধীর স্থির হয় আবার কেউ একটু ছটফটে। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা প্রত্যেক বিষয়েই অস্থির হয়ে পড়েন। হয়তো বিষয়টি খুব সামান্য, খুব সহজেই তার সমাধান করা সম্ভব তাতেও তাঁরা ভয়ানক চিন্তা ভাবনা শুরু করে দেন। যেমন ধরুন নির্দিষ্ট সময়ে বাস এলনা, ছেলে মেয়ে বা অন্য কেউ বাড়ি ফিরছে না, এসব ব্যাপার তাঁদের অতিরিক্ত ভাবায়। একেই অ্যাংজাইটি বলে। এর থেকেও মুড সুইং হতে পারে।

    ৩| অবসাদ বা ডিপ্রেশান (Depression)

    মনোবিদরা বলছেন মুড সুইংয়ের অন্যতম কারণ হল মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশান। এটাকে মুড সুইং এর অপর পৃষ্ঠা বলা যেতে পারে। আবার মানসিক অবসাদ আসে স্ট্রেস আর অ্যাংজাইটি থেকে। হঠাৎ করে মন খারাপ হয়ে যাওয়া বা গভীর দুঃখের সাগরে ডুবে যাওয়াও কিন্তু মুড সুইংয়ের অন্যতম লক্ষণ। তবে একটা কথা মনে রাখবেন। আমরা মনে করি মানসিক অবসাদ মানেই হল দুঃখ, তা কিন্তু নয়। মানসিক অবসাদ হলে ভয়ঙ্কর রাগও হয়।

    ৪| মদ্যপান ও অবৈধ মাদক (Drug or Alcohol)

    অনেকেই স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি ও অবসাদ থেকে বাঁচতে মদ্যপান বা অবৈধ মাদকের সাহায্য নেয়। তাঁরা মনে করেন এগুলি তাঁদের সমস্যার সমাধান করবে।আদতে কিন্তু সেটা হয়না। কারণ এগুলি আপনার শরীরে প্রবেশ করলে সাময়িকভাবে এগুলি স্নায়ু উজ্জীবিত করে তোলে। তখন মস্তিষ্ক নানা রকম আকাশ কুসুম কল্পনা করে যাকে হ্যালুসিনেশান বলা হয়। কিন্তু এর প্রভাব কমে গেলেই আবার মুড সুইং হয়। আর বারবার এর সাহায্য নিলে মুড সুইং পাকাপাকিভাবে আপনার সঙ্গী হয়ে যায়।

    ৫| ঘুমের অভাব (Sleep Deprivation)

    অতিরিক্ত কাজ, সাংসারিক সমস্যা বা অন্যান্য যে কোনও কারণে যদি দিনের পর দিন আপনার ঘুম না হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার মুড সুইং হবে।ঘুম না হওয়ার কারণে আপনি ক্লান্ত থাকবেন এবং আপনার স্নায়ুমণ্ডলী ঝিমিয়ে থাকবে। তখন কোনও কিছুই আপনার ভাল লাগবে না এবং ঘন ঘন মুড পরিবর্তন হবে। 

    ৬| বাইপোলার ডিসঅর্ডার বা দ্বৈত সত্ত্বা (Bipolar Disorder)

    বাইপোলার ডিসঅর্ডার বা দ্বৈত সত্ত্বা যাঁদের থাকে তাঁদেরও অনবরত মুড সুইং হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা অন্য জায়গায়। আমরা সাধারণত অবসাদ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে থাকি। কিন্তু বাইপোলার ডিসঅর্ডার যাঁদের হয়, তাঁদের একটি ম্যানিক স্থিতি বা ফেজ হয়। তখন এঁরা সাঙ্ঘাতিক এনার্জি পান।আচমকা কোনও প্রতিভার বিকাশ হয়। এঁরা তখন ছবি আঁকতে শুরু করেন, বাড়ি রং করতে শুরু করেন এবং এমন অনেক কিছু করেন যা তাঁরা ‘সুস্থ’ অবস্থায় করেন না। কিন্তু এইসময় তাঁরা ডাক্তারের কাছে যান না। কারণ তাঁরা মনে করেন তাঁরা সুস্থ আছেন।এই জাতীয় মানসিক সমস্যা থেকেও কিন্তু মুড সুইং (Mood Swings) হতে পারে।   

    ৭| ক্যাফেইন ও চিনি (Caffeine & Too Much Sugar)

    আমরা মনে করি কফি আমাদের স্নায়ু উজ্জীবিত করে। সারা দিনে একদু’কাপ কফি ঠিক আছে কিন্তু তার চেয়ে বেশি কফি পান করলে মুড সুইং হতে পারে। কারণ কফিতে থাকে ক্যাফেইন। যা সত্যিই স্নায়ু উজ্জীবিত করে কিন্তু তার প্রভাব বেশিক্ষণ থাকে না। ফলে সঙ্গে সঙ্গে আপনার মানসিক স্থিতির পরিবর্তন ঘটে।

    ৮| প্রিমেনস্ত্রুয়াল অবস্থা বা পিরিয়ডসের আগে (Premenstrual Syndrome)

    বোঝাই যাচ্ছে এই জাতীয় সমস্যা মহিলাদেরই হয়। পিরিয়ডস হওয়ার কিছুদিন আগে থেকেই এই জাতীয় সমস্যা দেখা দেয়। হরমোনের কম বেশি ক্ষরণ হয় তখন মেয়েদের শরীরে। আর সেইজন্যই তাঁদের এই সময় মুড সুইং হয়। তবে অনেক মহিলাই জানিয়েছেন এটা অত্যন্ত সাময়িক ব্যাপার। কারণ পিরিয়ডস একবার শুরু হয়ে গেলে বা শেষ হলে তাঁদের এই সমস্যা আর থাকে না।

    ৯| মেনোপজ ও পেরিমেনোপজ (Menopause & Perimenopause)

    পিরিয়ডসের আগে যেমন এই সমস্যা দেখা দেয় ঠিক তেমনই মেনোপজ দশা শুরু হলেও মহিলাদের মধ্যে মুড সুইং দেখা দেয়। তবে একেক মহিলার ক্ষেত্রে এটি একেক রকমভাবে পর্যবেক্ষণ করা গেছে। কেউ মানসিক অবসাদে ভোগেন, কারও খুব দ্রুত মুড সুইং হয় আবার কেউ কেউ বিষয়টি সামলেও নেন। তবে পরামর্শ দেওয়া হয় মেনোপজের পর একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে।

    ১০| কাজের চাপ (Work Pressure)

    অনেকেই অনেক দায়িত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন। এমন অনেক পেশা আছে যেখানে রাতের পর রাত জেগে থাকতে হয়। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হয় বলে অনেকেই মুড সুইংয়ের শিকার হন। অনেকে কাজ নিয়ে একটু বেশি ভাবেন এমনকী বাড়িতেও তাঁরা পেশাদার জীবনের সমস্যা টেনে নিয়ে আসেন। কেরিয়ার নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করেন বলেই এঁদের মুড সুইং দেখা দেয়।   

    কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন মুড সুইং (

    pixabay
    pixabay

    সব মুড সুইং মানসিক রোগের আকার ধারণ করে না। বরং মনোবিদরা বলছেন, মুড সুইং হওয়া শুরু হলেই কিছু সহজ পন্থা অবলম্বন করে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।সময় থাকতে এই সমস্যা আপনাকে বুঝতে হবে। যদি দেখেন আপনার খুব ঘনঘন এরকম হচ্ছে তাহলে বিষয়টি অবহেলা করবেন না।

    ১| পর্যাপ্ত ঘুম (Get Proper Sleep)

    ডাক্তাররা বলছেন ভাল করে ঘুমলে অনেক সময় মুড সুইংয়ের সমস্যা সেরে যায়। কারণ ঘুমের অভাবে স্নায়ুজনিত সমস্যা থেকেও মুড সুইং (Mood Swings) হয়।প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমোতে হবে। শুতে যাওয়ার আগে বেশি টিভি দেখবেন না বা মোবাইল দেখবেন না। 

    ২| কোনও রকমের উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ না করা (Avoid Caffeine and Alcohol)

    বারবার করে কফি, চা বা কোনও উত্তেজক পানীয় গ্রহণ করবেন না। মাদক বা মদ্যপানের তো কোনও প্রশ্নই ওঠেনা। এগুলো আপনার স্নায়ুকে আস্তে আস্তে বিকল করে দেবে। মূলত স্নায়বিক কারণেই মুড সুইং হয় তাই এগুলো এড়িয়ে চলুন।

    ৩| জলপান করা (Drink Too Much Water)

    কোনওরকম এনার্জি ড্রিঙ্ক নয় বা চিনি মেশানো কোনও নরম পানীয় নয়, আপনি সারাদিন শুধু প্রচুর পরিমাণে জলপান করুন। বড়জোর জলে একটা লেবু চিপে নিতে পারেন। এতে শরীর থেকে বাজে পদার্থ বেরিয়ে যাবে এবং শরীর অনেক হাল্কা লাগবে।

    ৪| ছোট ছোট ভাগে খাবার খাওয়া (Eat Small Amount Through Out The Day)

    মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে অনেকে বেশি বেশি খাবার খায়। আর এই খাওয়ার বেশিরভাগটাই জাঙ্ক ফুড। যেহেতু এটা সেইসময় খেতে খুব ভাল লাগে টাই তাঁদের মনে হয় এটা তাঁদের মানসিক শান্তি দেবে। আসলে বিষয়টি কিন্তু সেটা নয়। এতে উল্টে আপনার ওজন বাড়বে এবং নানারকম সমস্যা দেখা দেবে।তার চেয়ে ছোট ছোট সুস্বাদু কিন্তু পুষ্টিকর খাবার খান।

    ৫| যোগব্যায়াম (Do Not Skip Yoga)

    যোগব্যায়ামের মাধ্যমে মনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই যোগাক্লাসে ভর্তি হন বা বাড়িতেই নিয়মিত যোগব্যায়াম অভ্যেস করুন। প্রাণায়াম করুন। নিজের শরীর, মন ও নিঃশ্বাসের উপর ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ গড়ে তুলুন। মন খারাপের আভাস পেলেই ধ্যান করার চেষ্টা করুন।

    ৬| নিজের যত্ন নেওয়া (Take Care of Yourself)

    নিজের যত্ন নিন। এই যত্ন নেওয়ার অর্থ শুধু পার্লারে যাওয়া বা শপিং করা নয়। সামগ্রিক যত্নের কথা এখানে বলা হচ্ছে। অর্থাৎ সঠিক সময়ে খাওয়া দাওয়া, বেড়াতে যাওয়া, আড্ডা দেওয়া সবকিছুই এর মধ্যে পড়ে। আপনি যদি নিজেকে খুশি রাখতে না পারেন তাহলে অন্যরাও আপনাকে নিয়ে বিরক্ত হয়ে যাবেন।

    ৭| নিয়মিত এক্সারসাইজ (Regular Exercise)

    প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিট এক্সারসাইজ করুন। তার মানে এই নয় যে আপনাকে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে হবে। যে ধরনের এক্সারসাইজে আপনি স্বচ্ছন্দ আপনি সেটাই করুন। সাইক্লিং, সাঁতার, স্কিপিং যেটা আপনার ভাল লাগে সেটাতেই নিজেকে নিযুক্ত করুন। ঘাম ঝরলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে যাবে এবং আপনি এতে অনেক বেশি পজিটিভ বোধ করবেন।

    ৮| মাঝে মাঝে ডাক্তার দেখানো (Get A Check Up From Doctor)

    একটু একটু মন খারাপ হচ্ছে, পরে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে, এটা ভেবে চুপ করে বসে থাকবেন না। মনে রাখবেন মনের ডাক্তারের কাছে যাওয়ার মধ্যে কোনও লজ্জা নেই। তাই এক আধটা কাউন্সিলিং করতেই পারেন। এতে অনেকটা হাল্কা বোধ করবেন এবং মুড সুইংও (Mood Swings) অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।

    ৯| ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়া (Try Calcium Supplements)

    এটা মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে যে পিএমএস বা প্রিমেনস্ত্রুরাল কারণে যেসব মহিলাদের মুড সুইং হয় তাঁরা ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পর অনেকটাই ভাল আছেন। ৫০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রতিদিন গ্রহণ করে দেখুন এতে আওনার মুড সুইং ও অবসাদ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।  

    ১০| ডায়েটে পরিবর্তন (Change Your Diet)

    কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে আপনার রোজকার ডায়েটেও। কার্বোহাইড্রেট ও প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলুন। পরিবর্তে কমপ্লেক্স কার্ব ও প্রোটিন মিশিয়ে খান। খেয়াল রাখুন প্রতিদিনের খাবারে যেন পর্যাপ্ত সবজি আর ফল থাকে।

    মুড সুইং নিয়ে কিছু জরুরি প্রশ্নোত্তর (FAQs)

    ১ | প্রশ্ন: মুড সুইং কতক্ষণ স্থায়ী হয়?

    উত্তর: সেটা অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। মুড সুইং একদিনও স্থায়ী হতে পারে আবার এক ঘণ্টাও স্থায়ী হতে পারে। একেক জনের ক্ষেত্রে এটি একেক রকম হয়।

    ২| প্রশ্ন: মহিলাদের কি বেশি মুড সুইং হয়?

    উত্তর: না। মুড সুইংয়ের সঙ্গে মহিলা বা পুরুষ হওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। গর্ভবতী অবস্থায়, পিরিয়ডস হওয়ার আগে বা মেনোপজের পর মেয়েরা একটু আবেগ প্রবণ থাকেন। কিন্তু মুড সুইংয়ের সমস্যা ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে সবার হয়।

    ৩| প্রশ্ন: গর্ভাবস্থায় কি অতি মাত্রায় মুড সুইং হয়?

    উত্তর: সবার ক্ষেত্রে নয়। একেক জনের শারীরিক অবস্থা একেক রকম হয়। মনের গঠনও তাই। তাই প্রত্যেক হবু মায়েরই যে মুড সুইং হবে তার কোনও মানে নেই।

    ৪| প্রশ্ন: মুড সুইংয়ের সবচেয়ে কঠিনতম পর্যায় কি বাইপোলার ডিসঅর্ডার?

    উত্তর: হ্যাঁ। মুড সুইং যদি ঠিক সময়ে চিকিৎসা না হয় বা যদি এর কোনও প্রতিকার না হয় তাহলে সেটা বাইপোলার ডিসঅর্ডারে পরিণত হতে পারে।

    POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

    এগুলোও আপনি পড়তে পারেন

    এইডস এর লক্ষণ ও প্রতিকার

    এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo Shop-এর স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...