দাঁতের হলদে ছোপ দূর করতে কাজে লাগান এই সব ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে। in bengali | POPxo

দাঁতের হলদে ছোপ দূর করে হাসি ঝকঝকে করতে ভরসা রাখুন এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলির উপর

দাঁতের হলদে ছোপ দূর করে হাসি ঝকঝকে করতে ভরসা রাখুন এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলির উপর

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝেন না অনেকেই! তাই তো নিয়ম করে দাঁতের যত্ন নেওয়া তো দূরস্থান, ঘড়ি ধরে মিনিটদুয়েক ব্রাশ করা বা প্রতিবার খাবার খাওয়ার পরে ভাল করে কুলকুচি করে দাঁত পরিষ্কার করার মতো সময়ও অনেকের হাতে নেই! ফলস্বরূপ ক্যাভিটি এবং এনামেল ক্ষয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা তো আজকাল আকছারই ঘটছে। সঙ্গে দাঁতে হলদে ছোপ পড়ার মতো ঘটনাও লেজুড় হচ্ছে। ফলে দাঁতের সৌন্দর্য কমছে। একই সমস্যা শিকার কি আপনিও? তা হলে বেশ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্যে দাঁতের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে পারেন। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হল, এই সব ঘরোয়া চিকিৎসা করতে যে-যে উপাদানগুলির প্রয়োজন পড়বে, তা সবই আপনার হেঁশেলে মজুত রয়েছে। তাই দুর্গা পুজোর আগে দাঁতের (teeth) হলদে ছোপ দূর করে যদি ঝকঝকে হাসি পাওয়ার ইচ্ছে থাকে, তা হলে এই সব ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি আপন করে নিন!

Table of Contents

    দাঁতে হলদে ছোপ পড়ার কারণ

    নিয়মিত ঠিক করে ব্রাশ না করলে তো বটেই, সেই সঙ্গে আরও নানা কারণেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। যেমন ধরুন...

    বিশেষ কিছু পানীয়

    বেশ কিছু পানীয়ের কারণে দাঁতে হলদে ছোপ পড়ার আশঙ্কা বাড়ে, যার মধ্যে অন্যতম হল ওয়াইন। এছাড়াও কফি এবং কোল্ড ড্রিঙ্ক বেশি পান করলেও দাঁতের সৌন্দর্য কমে। কারণ, এই সব পানীয়ে tannin নামক একটি উপাদান মজুত রয়েছে, যা দাঁতের এনামেলের ভিতরে প্রবেশ করে এমন কিছু বিক্রিয়া ঘটায় যে দাঁত হলুদ হতে শুরু করে। তাই দাঁতের সৌন্দর্য কমে যাক, এমনটা যদি না চান, তা হলে যতটা সম্ভব এই ধরনের পানীয় এড়িয়ে চলবেন।

    ২. ধূমপান

    pixabay
    pixabay

    এক্কেবারে ঠিক শুনেছেন! ধূমপান করলেও কিন্তু দাঁতের ক্ষতি হয়। আর সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হল, ধূমপানের কারণে দাঁতে যে হলদে ছোপ পড়ে, তা এমন নাছোড়বান্দা হয় যে সহজে যেতে চায় না। তাই দাঁতের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এমন বদ অভ্যাস ত্যাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সঙ্গে নিয়ম করে যদি দিনে দু'বার ব্রাশিং এবং flossing করতে পারেন, তা হলে দাঁতের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরে আসতে সময় লাগবে না। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে কোনও 'teeth-whitening' প্রসাধনীও ব্যবহার করতে পারেন।

    ৩. ওরাল হাইজিন

    ঠিক মতো ব্রাশ না করলে অথবা প্রতিবার খাওয়ার পরে দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাস না থাকলেও দাঁতে ছোপ পড়ে। তাই তো দাঁতের যত্নে নিয়ম করে দিনে দু'বার ব্রাশ করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ঘড়ি ধরে যদি মিনিটদুয়েক ব্রাশ করা যায়, তা হলে নাকি দাঁতে কোনও ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।

    এমন সমস্যা থেকে দূরে থাকার উপায়

    বেশ কিছু নিয়ম মেনে চললে দাঁতের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব। শুধু তাই নয়, এই টিপসগুলি অক্ষরে অক্ষরে মানলে ক্যাভিটি হোক, কী মাড়ির সমস্যা, ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারবে না। 

    ১. চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে

    দুধ সাদা দাঁত পেতে যতটা সম্ভব মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষ করে চিনি খাওয়া কমাতে হবে। কারণ, এমন ধরনের খাবার বেশি মাত্রায় খাওয়া শুরু করলে দাঁতের ফাঁকে Streptococcus mutans নামে এক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যে কারণে plaque এবং gingivitis-এর মতো রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনই দাঁতে হলদে ছোপ পড়তে শুরু করে। তাই দাঁতের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে যতটা সম্ভব চিনি খাওয়া কমাতে হবে। সেই সঙ্গে এবার থেকে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার পরেই দাঁত ব্রাশ করে নেবেন, তাতে দাঁতের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকবে না।

    ২. বেশি মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না

    এই নিয়ে এখনও গবেষণা চলেছে ঠিকই। কিন্তু একটা বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, বেশি করে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়। বিশেষ করে দাঁতে হলদে ছোপ পড়ে। তাই প্রয়োজন ছাড়া এমন ওষুধ না খাওয়াই উচিত। আর যদি খেতেই হয়, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না!

    ৩. ক্যালসিয়ামের ঘাটতি যেন না হয়

    শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে enamel erosion হয়। সেটা কী জিনিস? এক্ষেত্রে দাঁতের উপরের অংশ, অর্থাৎ এনামেলে ক্ষয় দেখা দেয়, যে কারণে এনামেলের পরের স্তর, dentin প্রকাশ পায়, যা হলদে দেখতে। ফলে দাঁতে হলদে ছোপ পড়েছে বলে মনে হয়। তাই এমন সমস্যা থেকে দূরে থাকতে হলে নিয়মিত দুধ, দই, পনির এবং চিজের মতো ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া মাস্ট!

    ৪. অ্যাসিডিক খাবার এড়িয়ে চলতে হবে

    যে সব খাবার প্রকৃতিতে অ্যাসিডিক, যেমন ধরুন, চিনি, প্রসেসড ফুড, কোল্ড ড্রিঙ্ক, লেবু, টোম্যাটো প্রভৃতি বেশি মাত্রায় খাওয়া শুরু করলে এনামেল ক্ষয় হতে শুরু করে। এক সময় এনামেল ক্ষয়ে গিয়ে দাঁতের পরের স্তর ডেন্টিন প্রকাশ পায়, তখন দাঁতে হলদে ছোপ পড়েছে বলে মনে হয়। তাই তো দাঁতের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এই সব খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

    ৫. যতটা সম্ভব চা-কফি এড়িয়ে চলতে হবে

    pixabay
    pixabay

    যে সব পানীয়তে tannin নামক উপাদানটি রয়েছে, তা বেশি করে খাওয়া শুরু করলে স্বাভাবিকভাবেই দাঁতের সৌন্দর্য কমবে। তাই চা-কফি এবং কোল্ড ডিঙ্কের মতো পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই উচিত। আর যদি একান্তই চা-কফি ছাড়া থাকতে না পারেন, তা হলে এই পানীয়গুলি খাওয়ার পরে ভাল করে কুলকুচি করতে ভুলবেন না! তাতে দাঁতের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমবে।

    ৬. অ্যান্টিসেপটিক মাউথওয়াশ ব্যবহার করা মাস্ট

    দিনে অন্তত একবার অ্যান্টিসেপটিক মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে। তাতে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলি মারা পড়বে। সেই সঙ্গে অ্যাসিডের মাত্রাও কমবে। ফলে দাঁতের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকবে না। এমনকী, হলদে দাগ-ছোপও দূর হবে।

    দাঁতের হলদে ছোপ দূর করার নানা ঘরোয়া উপায়

    আমাদের হাতের কাছে থাকা নানা প্রাকৃতিক উাপদানের সাহায্যে অল্প দিনেই দাঁতের হলদে ভাব দূর করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, এই সব উপাদানে উপস্থিত নানা ভিটামিন-মিনারেল সহ নানা উপকারী উপাদনের গুণে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলি সব মারা যায়, সেই সঙ্গে দাঁত এবং মাড়ির স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। 

    ১. নারকেল তেল দিয়ে কুলকুচি করতে হবে

    নারকেল তেলে উপস্থিত Lauric Acid ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মেরে ফেলে plaque-এর মতো সমস্যাকে দূরে রাখে। ফলে দাঁতের সৌন্দর্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। এক্ষেত্রে চামচ দুয়েক নারকেল তেল মুখে নিয়ে মিনিটপাঁচেক কুলকুচি করতে হবে। নিয়ম করে এই ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্য নিলে উপকার পাবেই পাবেন।

    ২. বেকিং সোডা

    এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে দুই চামচ জল মিশিয়ে তৈরি পেস্ট, ব্রাশে নিয়ে মিনিটদুয়েক দাঁত মাজুন। নিয়ম করে বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলে দাগ-ছোপ তো দূর হবেই, সেই সঙ্গে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলিও মারা যাবে। ফলে ক্যাভিটি বা gingivitis-এর মতো রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা আর থাকবে না।

    ৩. তিল

    চার চামচ তিল বেটে তৈরি পেস্ট দিয়ে সপ্তাহে চার দিন দাঁত মাজলে হলদে ছোপ দূর হতে সময় লাগবে না, সেই সঙ্গে এনামেলের গঠনেও উন্নতি ঘটবে। ফলে দাঁতের উপরের অংশ ক্ষয়ে গিয়ে দাঁত হলদে দেখার আশঙ্কা আর থাকবে না। তিলের পেস্টের পরিবর্তে অল্প তিল তেল মুখে নিয়ে কুলকুচি করতে পারেন। তাতেও সমান উপকার পাওয়া যায়।

    ৪. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার

    এতে রয়েছে Acetic acid এবং একাধিক উপকারী উপাদান, যা নিমেষে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুদের মেরে ফেলে, সেই সঙ্গে হলদে ছোপও দূর হয়। ফলে দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন, তা হল অ্যাপেল সিডার ভিনিগার হল প্রকৃতিতে অ্যাসিডিক, তাই প্রতিদিন এই উপাদানটি ব্যবহার করা চলবে না। সপ্তাহে দুই দিন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার এবং জল মিশিয়ে তৈরি মিশ্রণ দিয়ে কুলকুচি করুন। এই মিশ্রণটি তৈরি করার জন্য এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগারে তিন চামচের মতো জল মেশাতে হবে। তা হলেই 'হোমমেড' মাউথওয়াশ তৈরি হয়ে যাবে। তবে এই মিশ্রণটি ব্যবহার পরে ঠান্ডা জল দিয়ে কিছুক্ষণ কুলকুচি করে নিতে ভুলবেন না যেন!

    ৫. পাতি লেবুর খোসা

    pixabay
    pixabay

    এক মুঠো পাতি লেবুর খোসা দিন দুয়েক রোদে রেখে একটু শুকিয়ে নিয়ে তারপর মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। এবার সেই গুঁড়ো থেকে দুই চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক চামচ গরম জল মিশিয়ে তৈরি পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজুন। সপ্তাহে দিনদুয়েক এভাবে দাঁতের যত্ন নিলে পাতি লেবুর খোসায় উপস্থিত bleaching properties-এর গুণে দাঁতের দাগ-ছোপ দূর হতে সময় লাগবে না।

    ৬. নিমের দাঁতন

    এককালে নিম ডালের দাঁতন দিয়েই সকলে দাঁত মাজতেন। তাই তো আজ থেকে বছর কুড়ি আগেও এত ধরনের দাঁতের সমস্যায় লোকে ভুগত না। ব্রাশ আবিষ্কারের পর থেকে প্রাকৃতিক উপাদানের প্রতি ভরসা হারিয়েছে আমজনতা। ফলে দাঁতের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে সময় লাগেনি। দাঁত যদি সুস্থ-সুন্দর রাখতে হয়, তা হলে আগের মতো নিমের দাঁতন ব্যবহার শুরু করুন। নিমের ডালে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের গুণে ক্যাভিটির মতো সমস্যা তো দূরে থাকবেই, সেই সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের হলদে ছোপও দূর হবে। এমনকী, মাড়িতে কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নিম গাছের ছাল গুঁড়ো করে তৈরি পাউডার দিয়ে দাঁত মাজলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।

    ৭. তুলসি পাতা

    টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজার পরে কয়েকটা তুলসি পাতা থেতো করে তা দাঁতে এবং মাড়িতে ঘষলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে, সেই সঙ্গে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়াও মারা পড়বে। ফলে plaque এবং ক্যাভিটির মতো সমস্যা দূরে থাকতে বাধ্য হবে। দাঁতের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যও ফিরে আসবে। তুলসি পাতার পরিবর্তে পুদিনা পাতাও ব্যবহার করতে পারেন।

    ৮. ভিনিগার এবং মধু

    এক্কেবারে ঠিক শুনেছেন! দাঁতের যত্নে মধুর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। চার চামচ মধুর সঙ্গে দুই চামচ দুয়েক ভিনিগার মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন। সেক্ষেত্রে অল্প দিনেই দাঁতের হলদে ভাব দূর হবে। শুধু তাই নয়, দাঁতের উপরের অংশের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না।

    ৯. লবঙ্গ এবং নুন

    pixabay
    pixabay

    দাঁতের যত্নে লবঙ্গ তেলের ব্যবহার বহুকাল ধরেই হয়ে আসছে। কিন্তু লবঙ্গ এবং নুনের মিশ্রণ কাজে লাগিয়ে যে দাঁতের দাগ-ছোপ দূর করা সম্ভব, তা কি জানা ছিল? এক্ষেত্রে এক চামচ লবঙ্গ গুঁড়োর সঙ্গে সম পরিমাণ নুন মিশিয়ে তা দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। নিয়মিত এই ভাবে দাঁতের যত্ন নিলে দুধ সাদা দাঁত পেতে স্কেলিংয়ের পিছনে আর গুচ্ছের টাকা খরচ করার প্রয়োজন পড়বে না।

    ১০. কলার খোসা

    দাঁতে হলদে ছোপ পড়ার কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? একটা কলার খোসা নিয়ে, তার ভিতরের সাদা অংশটা মিনিটদুয়েক দাঁতে ঘষে নিন। টানা এক-দেড় সপ্তাহে এভাবে দাঁতের যত্ন নিলে হলদে ভাব দূর হবে। সঙ্গে দাঁতের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও কমবে। তবে এক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তা হল, কলা ছাড়িয়ে সঙ্গে-সঙ্গে খোসাটা কাজে লাগাবেন। কয়েকদিনের ফেলে রাখা কলার খোসা দিয়ে দাঁতের যত্ন নিলে কিন্তু কোনও উপকারই মিলবে না।

    এই বিষয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর

    ১. বেকিং সোডার সঙ্গে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে দাঁত মাজলেও নাকি উপকার পাওয়া যায়?

    উত্তর: মাত্রাতিরিক্ত চা-কফি খাওয়ার কারণে যাঁদের দাঁতে হলদে ছোপ পড়েছে, তাঁরা যদি এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সমপরিমাণ পাতি লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি পেস্ট দিয়ে সপ্তাহে দিনতিনেক দাঁত পরিষ্কার করেন, তা হলে উপকার পাবেন।

    ২. আর কী-কী ভাবে দাঁতের হলদে ছোপ দূর করা যায়?

    উত্তর: কমলা লেবু, পাতি লেবু এবং কলার খোসা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলেও হলদে ছোপ দূর হতে সময় লাগবে না।

    ৩. ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলেও নাকি একই ঘটনা ঘটে থাকে?

    উত্তর: ২০০৭ সালে ncbi-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি স্টাডি অনুসারে শরীরে ভিটামিন সি-এর মাত্রা কমতে শুরু করলে মুখগহ্বরে ব্যাকটেরিয়া সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, সেই সঙ্গে দাঁত হলদে হতে শুরু করে। তাই তো দাঁতের সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়ম করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল এবং সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

    POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

    আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!