পার্টনারের মধ্যে এই গুণগুলো থাকলে তবেই সম্পর্ক আরও আগে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত

পার্টনারের মধ্যে এই গুণগুলো থাকলে তবেই সম্পর্ক আরও আগে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত

ভগবানও যেখানে একটুআধটু ভুল করে ফেলেন, সেখানে আমি-আপনি তো রক্ত-মাংসের মানুষ। তাই জীবনের নানা বাঁকে নানা ভুল করে ফেলাটা কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। তবে চিন্তার যেটা, সেটা হল জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় যদি ভুল হয়ে যায়, তা হলেই বিপদ! কারণ, এমন ভুলের বোঝা কিন্তু সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। বলবেন, মানিয়ে-গুছিয়ে নিতে না পারলে ডিভোর্সের রাস্তা তো খোলা! ঠিক কথা। কিন্তু বাঙালি সমাজে যে ডিভোর্সের ঝক্কি অনেক। তাছাড়া ভালবাসার সম্পর্ক এভাবে মাঝপথে ভেঙে দেওয়াটাও তো কোনও কাজের কথা নয়। তাই জীবনসঙ্গী বাছার সময় একটু চোখ-কান খোলা রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সঙ্গে অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিত পার্টনারের (Partner) মধ্যে কিছু চারিত্রিক গুণ (Charecteristics) আছে কিনা। সবক'টা গুণই যে থাকতে হবে তা নয়, তবে সিংহভাগ থাকলে আপনারই চিন্তা কমবে! 

১. মানসিকভাবে পরিণত হতে হবে

যাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা ভাবছেন, তিনি মানসিকভাবে কতটা পরিপক্ক তার উপর কিন্তু অনেক কিছু নির্ভর করে। কারণ, স্বামী-স্ত্রী'র সম্পর্ক হল অনেকটা রোলার কোস্টার রাইডের মতো। এই ভাল, তো এই ঝগড়া। এমন ধরনের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কিন্তু সহজ কাজ নয়। তাই বুঝতেই পারছেন, আপনার পার্টনার যদি মানসিক পরিণতিবোধের পরিচয় না দেন, তা হলে কিন্তু আপনারই সমস্যা বাড়বে। তাছাড়া মানসিকভাবে পরিণত ব্যক্তির একটা গুণ থাকে। তিনি নিজের এবং আপনার ভুলগুলো খোলা মনে মেনে নিতে পারবেন। ফলে ঝামেলা হলেও দেখবেন তার কোনও খারাপ প্রভাব আপনাদের সম্পর্কের (relationship) উপর পড়বে না। তাই তো এমন একজন পুরুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত, যিনি দায়িত্ব নিতে পিছপা হন না। জানবেন, ভালবাসার সম্পর্কের প্রতি মানসিক ভাবে দায়বদ্ধ থাকাটা কিন্তু একটা বড় গুণ।

২. খোলা মনের মানুষ হওয়াটা জরুরি

সমালোচনা করতে পারে এবং সমান ভাবে সমালোচনা সইতে পারেন, এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু দিনে-দিনে কমছে। তাই আপনি যদি এমন কারও খোঁজ পান, তা হলে তার হাত শক্ত করে ধরতে দেরি করবেন না যেন! কারণ, খোলা মনের মানুষেরা মনের কথা সরাসরি বলে ফেলতে যেমন অভ্যস্ত হন, তেমনই মনের মানুষ যাতে বিপদে না পরেন, তার জন্য সমালোচনা করতেও পিছপা হন না। তাছাড়া এমন মানুষদের চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যেতে পারে। তাই প্যাঁচালো মনের নয়, বরং মন খুলে হাসে, এমন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিন। দেখবেন, যতই দুঃখ আসুক না কেন, জীবনটা আনন্দে কেটে যাবে।

৩. সততাই শেষ কথা

যে-কোনও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে সৎ হওয়াটা জরুরি। কারণ, স্বামী-স্ত্রী যদি একে অপরের প্রতি সৎ না হন, তা হলে সম্পর্কে বিশ্বাস থাকবে না। আর বিশ্বাস ছাড়া সম্পর্কের বাঁধন যে আলগা হয়ে যেতে বাধ্য। তাই যাঁকে ভালবেসেছেন, সে যদি দু'পয়সা কম রোজগার করে, তাতে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু মানুষটা যদি মন থেকে সৎ হন, তা হলে যত প্রতিকূলতাই আসুক না কেন, তাঁর হাত কিন্তু ভুলেও ছাড়বেন না!

৪. আপনার স্বাধীনতা এবং মতামতকে গুরুত্ব দেয় তো?

কাউকে ভালবাসা মানে কিন্তু গলায় পাথর বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়া নয়। বরং দু'জন মানুষ স্বাধীনভাবে একে অপরের হাত ধরে ভালবেসে একসঙ্গে থাকবেন, সেটাই তো ভালবাসার সম্পর্কের আসল মন্ত্র। তাই যদি লক্ষ করেন, আপনার পার্টনার আপনার প্রতি সংবেদনশীল নন বা, তাঁর কাছে আপনার মতামত বা ভাল-মন্দের কোনও গুরুত্ব নেই, তা হলে আরও একবার ভেবে চিন্তে দেখা উচিত। কারণ, এমন সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে ফেললে সারা জীবন কিন্তু পস্তাতে হবে। বলতে পারেন, কেমন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত? যে নিজের পাশাপাশি আপনার ভাল-মন্দের খোঁজ রাখবেন, আপনার মতামতকে গুরুত্ব দেবেন এবং অবশ্যই যিনি আপনার আবেগকে সম্মান করবেন, এমন মানুষের সঙ্গে জীবন কাটানোটাই সম্মানের। তাই তো বলি, কারও সঙ্গে গভীর সম্পর্কে জড়ানোর আগে জেনে-বুঝে নেওয়া উচিত যে মানুষটি কতটা সংবেদনশীল।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo Shop-এর স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...