প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কীভাবে ভালো থাকবেন ওয়ার্কিং মহিলারা? রইল কিছু গাইডলাইন

প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কীভাবে ভালো থাকবেন ওয়ার্কিং মহিলারা? রইল কিছু গাইডলাইন

মা হওয়া নাকি এক অনন্য অনুভূতি। অন্তত এক্সপিরিয়েন্সডরা তেমনটাই দাবি করেন। জীবনের একটা বড় পার্ট তো বটেই। একইসঙ্গে পড়াশোনা শেষ করার পর আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়াটাও বেশিরভাগ মেয়ের পছন্দ। ধরুন, আপনি সন্তান আগমনের খবর পেলেন। আগামী কয়েকটা মাস আপনাকে সাবধানে থাকতেই হবে। তা বলে কি কেরিয়ার বিসর্জন দেবেন? একেবারেই নয়। অফিস তো সামলাতেই হবে। কিন্তু সাধারণ কয়েকটা বিষয় মনে রাখলে প্রেগন্যান্সি (Pregnancy) পিরিয়ডেও (period) আপনার কাজ সামলাতে কোনও অসুবিধে হবে না। শারীরিক তো বটেই, মানসিক ভাবে ভাল থাকার জন্যও কিছু প্ল্যানিং জরুরি। কিছু নিয়ম মেনে চলাও দরকার। কীভাবে ওই সময়টা ব্যালেন্স করবেন দুটো দিক তারই একটা গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করলাম আমরা। রইল জরুরি কিছু টিপস (tips)।

আরও পড়ুনঃ প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কি ধরনের পোশাক পরবেন

Table of Contents

    প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে ক্লান্তি সামলাবেন কী করে (How to Handle Pregnancy Fatigue at Work?)

    ক্লান্তি। একটা সময়ের পর শরীর ক্লান্ত হবেই। সাধারণ অবস্থাতেও ক্লান্ত হয়ে পড়ে মানুষ। আর সন্তানসসম্ভবা হলে ক্লান্তি দিনের বিভিন্ন সময়ে আসতে পারে। কিন্তু সন্তানসম্ভবা মহিলা যদি কর্মরতা হন, তাহলে অ্যাজ আ প্রফেশনাল বেশ কিছু সময় সেই ক্লান্তি সামলাতে হয়। কারণ কাজের জায়গায় ক্লান্তি কেউ দেখবে না। কিন্তু ক্লান্ত হলে তা লুকিয়ে রাখার উপায় কী? অথবা যাতে কম ক্লান্তি আসে, সেজন্যই বা কী করতে পারেন হবু মায়েরা? 

    ১| আপনি সন্তানসম্ভবা হলে কখনও খালি পেটে থাকবেন না। তাহলে ক্লান্তি আসতে পারে।

    ২| অল্প করে খান। কিন্তু ছোট ছোট বিরতিতে খেতে থাকুন।

    ৩| পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম খুব জরুরি। না ঘুমোলে তার এফেক্ট কাজের জায়গায় পড়বেই। ক্লান্তি গ্রাস করবে আপনাকে।

    ৪| এসময় যথেষ্ট পরিমাণ ফ্লুয়িড শরীরে যাওয়া প্রয়োজন। পরিমাণ মতো জল খাবেন।

    ৫| কাজের জায়গায় ছোট ছোট ব্রেক নিন। একটানা কাজ করলে ক্লান্তি আসে সহজেই।

    ৬| একটানা বসে কাজ করবেন না। হালকা পায়ে হেঁটে নিন মিনিট দু’য়েক। ফের কাজে বসুন। এতে ক্লান্তি দূর হবে নিমেষে।

    ৭| যদি আপনার দাঁড়িয়ে কাজ করা আপনার প্রফেশন ডিমান্ড করে, তাহলে মাঝেমধ্যে বসে রেস্ট নিতে হবে।

    ৮| আপনার ফিটনেস রুটিনে যেন বিরতি না পড়ে। সকালে অফিসে আসার আগে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

    ৯| কাজের বিরতিতেও প্রয়োজন পড়লে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করলে ক্লান্তি দূর হবে সহজে।

    কাজের জায়গায় ব্যালেন্স করবেন কীভাবে? (5 Ways to Balance Pregnancy and Work)

    Shutterstock

    কাজের জায়গায় প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে ব্যালেন্স করবেন কীভাবে, রইল তার গাইডলাইন।

    ১| তিন থেকে পাঁচবার স্বাস্থ্যসম্মত খাবার (Eat Healthy Meals Three to Five Times a Day)

    পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে খাওয়াটা মাস্ট। সবুজ শাকসব্জি, ফল, ইয়োগার্ট, চিজ, নানা রকমের ডাল, সোয়া মিল্ক, ডিম একজন সন্তানসম্ভবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। ব্রেকফার্স্ট, লাঞ্চ, স্ন্যাক্স, ডিনারের মেনুতে কখনও না কখনও এই খাবারগুলি রাখতেই হবে যে কোনও ফর্ম্যাটে। ক্যালসিয়াম বা ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ খাবার যা শিশুর বৃদ্ধিতে সহায়ক তা মেনুতে থাকা বাঞ্ছনীয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মেনু ঠিক করুন। এ সময় ২৪ ঘণ্টায় তিন থেকে পাঁচবার ভারী খাবার খেতে হবে। এছাড়াও সারা দিনে ছোট ছোট বিরতিতে খাবার খেতে হবে। সঙ্গে ফলের রস বা সাধারণ জল। যাতে শরীরে ফ্লুয়িডের পরিমাণ সঠিক থাকে।

    আরও পড়ুনঃ প্রতিটি মহিলার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল টেস্ট

    ২| গুছিয়ে রাখার অভ্যেস করুন (Stay Organised)

    কর্মরতা সন্তান সম্ভবাদের অনেক বেশি গোছানো হতে হবে। প্রয়োজন হলে একটি নোটপ্যাড তৈরি করুন প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডের জন্য। অফিসে কী কী কাজ রয়েছে, কোন কোন মিটিং অথবা কোন কাজের পর কোন কাজটা করলে তাড়াতাড়ি হবে তা একটি নোটপ্যাডে লিখে রাখুন। এতে প্রথমত কাজ ভুলে যাওয়ার সম্ভবনা কমবে। দ্বিতীয়ত কাজের গতি বাড়বে। তৃতীয়ত, আপনার টার্গেট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকবে। এছাড়াও নিজের জন্য একটা স্পষ্ট রুটিন তৈরি করতে পারবেন। যাতে কোনও একদিন শরীর ক্লান্ত থাকলে বা মন ভাল না লাগলে, পরের দিন কাজটা করেও টার্গেট মিট করা যায়। প্ল্যান করে কাজ করলে ওয়ার্ক লোড কমবে। কোনও একদিন হঠাৎ করে বেশি কাজ করার প্রেশারও নিতে হবে না। একই ভাবে নোটপ্যাডে লিখে রাখতে পারেন বাড়ির কাজের তালিকাও। কোনদিন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে সেই রিমাইন্ডারও লিখে রাখতে পারেন খাতায়।

    ৩| অ্যালকোহল বাদ (Avoid Alcohol)

    প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে এক ফোঁটা অ্যালকোহলও আপনার শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ওই কয়েকটা মাস অ্যালকোহলের থেকে একেবারে দূরে থাকুন। ফেটাল অ্যালকোহল সিনড্রোম দেখা দিলে শিশুর জন্মের সময় নানা রকম জটিলতা তৈরি হয়। তাই কোনওরকম ভাবেই অ্যালকোহল নেবেন না। শিশুর ক্ষতি তো হবেই। প্রভাব পড়বে আপনার কাজের জায়গাতেও।

    ৪| স্মোকিং বাদ (Don't Smoke During Pregnancy)

    ধুমপান এমনিতেই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। সন্তানসম্ভবা অবস্থায় সব রকম ভাবে ধূমপান এড়িয়ে চলুন। এতে শিশুর ওজন কমে যাওয়া, অ্যাবরশন হওয়া, প্রি-ম্যাচিওর বেবির জন্ম অথবা গর্ভস্থ শিশুর মতো বহু ঘটনা ঘটে। নিজে তো ধুমপান করবেনই না। ধুমপান কেউ করলে সেই জায়গা থেকেও দূরে থাকুন। কারণ ওই ধোঁওয়াও হবু মায়েদের জন্য চরম ক্ষতিকর।

    ৫| ব্যায়াম জরুরি (Moderate Exercise)

    প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে হালকা ব্যায়াম খুব জরুরি। অফিস করতে করতেই মাঝেমধ্যে কাজের ফাঁকে সমান জায়গায় হেঁটে নিন। এতে রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভবনা কমবে। পা এবং পায়ের পাতা সচল রাখা জরুরি। ভারী কোনও জিনিস তুলবেন না। ভারী কোনও কাজও এড়িয়ে চলা ভাল। একইসঙ্গে ভারী কোনও এক্সসারসাইজও অ্য়াভয়েড করুন। রাতে শোওয়ার সময় পায়ের নীচে বালিশ দিয়ে শুলে আরাম পাবেন। আর কাজের জায়গায় মনও ফুরফুরে রাখার চেষ্টা করবেন। অথবা কোনও বিষয় নিয়ে টেনশন কিন্তু গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি করতে পারে।

    কী কী করবেন (Do’s For Working Woman During Pregnancy)

    Shutterstock

    ১| প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে অফিসে নিয়ে যাওয়ার জন্য আলাদা একটা খাবারের ব্যাগ রাখুুন। ছোট ছোট টিফিন বক্সে খাবার ভরে নিন। কাজু, আখরোটের মতো শুকনো ফল, কেক, রকমারি স্ন্যাক্স, লাঞ্চ, গোটা ফল সবই ব্যাগে রাখুন। দুধ বা কফির মতো তরল ফ্লাস্কে ক্যারি করতে পারেন। কিছু শুকনো খাবার রেখে দিন অফিসের ড্রয়ারেও।

    ২| যদি অফিসের জল ভাল না হয়, তাহলে সারাদিন খাওয়ার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে জল ব্যাগে ক্যারি করুন। তিন থেকে চার ঘণ্টা অন্তর যেন জল ফের ভরতে হয় তা খেয়াল রাখবেন। অর্থাৎ প্রচুর জল খাওয়া জরুরি।

    ৩| আপনার সন্তান সম্ভবনার খবর প্রথম বসকে জানান। অন্য কারও মাধ্যমে বসের কাছে খবর পৌঁছনোটা বিজনেস ওয়ার্ল্ডের বিচারে ব্যাড ম্যানার্স। আপনার প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কাজের সঙ্গে কোনওরকম কম্প্রোমাইজ করবেন না, সে ব্যাপারেও বসকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিন।

    ৪| এ সময় টার্গেট অ্যাচিভ করার বিষয়ে অকারণ টেনশন করবেন না। সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন। তাতে বাড়তি চাপ হবে না। মনে রাখবেন, প্রোমেশন নয়। এ সময় আপনার শিশুর ভাল থাকা অনেক বেশি জরুরি।

    ৫| নিজেকে জাজ করবেন না। মনে করবেন না, ব্যক্তিগত বা প্রফেশনাল লাইফে আপনার কারও প্রতি অবিচার করছেন। আর কাজের জায়গায় কারও সাহায্য প্রয়োজন হলে তা বলতে দ্বিধা করবেন না।

    কী কী করবেন না (Don'ts For Working Woman During Pregnancy)

    ১| প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে অফিসে একটানা বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করবেন না। ৪৫ মিনিট পর পর অবস্থান পরিবর্তন করুন। হালকা বা হাঁটুন বা সামান্য ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও করে নিতে পারেন।

    ২| শরীরের সঙ্গে সেঁটে থাকা পোশাক এ সময় এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। আপনাকে দেখতে কতটা ভাল লাগছে, তার থেকেও আপনি কতটা কমফর্টেবল, সেটা বেশি জরুরি। সুতির পোশাক ট্রাই করতে পারেন।

    ৩| প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে বেশ কিছু সুবিধে আপনি পেতে পারেন অফিস থেকে। সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকাটা বাঞ্ছনীয় নয়। 

    ৪| তেল বা ভাজা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। বদহজম বা অ্যাসিডিটি হতে পারে এমন খাবার একেবারে বাদ।

    ৫| ব্যাগে পিপারমিন্ট বা মুখশুদ্ধি জাতীয় কিছু রাখতে ভুলবেন না। যাতে হঠাৎ বমি পেলে তা সামলে উঠতে পারেন অনায়াসে।

    সাধারণ কিছু পরামর্শ (Health Tips For Pregnant Working Women)

    Shutterstock

    ১| সপ্তাহে ৩২ ঘণ্টার বেশি সন্তান সম্ভবাদের কাজ করা উচিত নয়। তা নাকি সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর।

    ২| শিশুর জন্মের কমপক্ষে ১৫ সপ্তাহ আগে অফিসে বসকে জানিয়ে দিন আপনার সন্তান সম্ভাবনার কথা।

    ৩| প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কাজের মারাত্মক কিছু ভুল না হলে সাধারণত অফিসে হবু মাকে সমস্যায় পড়তে হয় না। অফিসও যেমন আপনার শারীরিক সমস্যার কথা মাথায় রাখবে, তেমন আপনিও কাজে ভুল এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

    ৪| কনসিভ করার পর থেকেই বসার সময় পিছনে একটা সাপোর্ট রেখে দিন। হালকা বালিশ বা কুশন রাখতে পারেন অফিসেও। প্রেগন্যান্সি পিলো বিভিন্ন স্টোরে কিনতে পাওয়া যায়।

    ৫| এই সময় নাইট শিফট যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। এতে মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বাড়ে।

    ৬| সাধারণত যে কোনও ধরনের চাকরিতেই হবু মায়েরা মেটারনিটি লিভ পাওয়ার যোগ্য। সেটা কখন, কীভাবে খরচ করবেন সে বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নিন।

    ৭| প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কোন দিক ফিরে শোওয়া উচিত, তা নিয়ে অনেক রকম ধারণা রয়েছে। অনেকে বলেন, বাঁদিক ফিরে শোওয়া আদর্শ। এতে সন্তানের সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আপনি ডান দিক ফিরেও শুতে পারেন।

    ৮| ওভারটাইম কাজ একেবারেই করবেন না এ সময়। এতে শিশুর বাড়বৃদ্ধির ওপর নেগেটিভ প্রভাব পড়ে বলে মনে করেন চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ।

    ৯| প্রেগন্যান্সির সময় নতুন কোনও চাকরি শুরু করাটা একটু ঝুঁকির। কারণ নতুন কাজের জায়গা আপনার থেকে যে পারফরম্যান্স আশা করবে, শারীরিক সমস্যার কারণে তা আপনি নাও দিতে পারেন। পাশাপাশি পুরনো অফিসে যে সব সুবিধা পেতে পারতেন, তাও হারাতে হতে পারে।

    ১০| হবু মায়ের প্রতিদিন কমপক্ষে আট ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। কোনওদিন তা না হলে, তার প্রভাব পড়তে পারে কাজেও। 

    সাধারণ কিছু প্রশ্নোত্তর (FAQs)

    প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কীভাবে অফিস সামলাবেন তা নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্নোত্তর রইল।

    ১| কর্মচারী প্রেগন্যান্ট হলে কী কী সুবিধে পাবেন?

    প্রেগন্যান্সি ডিসক্রিমিনেশন অ্যাক্ট এবং ফ্যামিলি অ্যান্ড মেডিক্যাল লিভ অ্যাক্ট সম্পর্কে হবু মায়েদের সম্যাক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। আপনি অফিসে কোন কোন দিক থেকে কী কী সুবিধে পেতে পারেন, তা জেনে নিন স্পষ্টভাবে। কত দিনের ছুটি পাবেন, মাতৃত্বকালীন ছুটি ছাড়াও অন্য কোন ছুটি আপনি নিতে পারেন জেনে নিন। চিকিৎসার খরচ কত শতাংশ বা কীভাবে অফিস বহন করবে জেনে নিন। 

    ২| আইন অনুযায়ী প্রেগন্যান্ট কর্মচারী কত ঘণ্টা কাজ করবেন?

    ওয়ার্কিং টাইম রেগুলেশনস ১৯৯৮ অনুযায়ী প্রত্যেক অফিসে প্রেগন্যান্ট মহিলাদের সব রকম স্বাচ্ছন্দ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁরা প্রতিদিন ছ’ঘণ্টা করে কাজ করবেন। একবারে ২০ মিনিটের বেশি কাজ তাঁদের দিয়ে করানো যাবে না।

    ৩| প্রেগন্যান্ট অবস্থায় আপনি কি কোনও হাসপাতালে কাজ করতে পারবেন?

    Instagram

    হাসপাতালে কর্মরতারা প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে কি কাজ করবেন না? সংক্রমণের ভয় থেকেই অনেকে এ প্রশ্ন করেন। এর সহজ উত্তর হল, পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আপনি যে কোনও জায়গায় কাজ করতে পারেন। শুধু মনে রাখবেন, এ সময় আপনার এবং আপনার শিশুর স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    ৪| নতুন কোনও কাজে যোগ দিলে প্রেগন্যান্সির কথাটা কি শুরুতেই বলবেন?

    প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে যদি কোনও নতুন চাকরির অফার পান, ইন্টারভিউয়ে গিয়ে সত্যিটা বলবেন কিনা, তা নিয়ে অনেকের সংশয় থাকে। সত্যি কথা বললে, কাজ হাতছাড়া হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে অনেক ক্ষেত্রেই। কিন্তু যে কোনও পরিস্থিতিতেই আপনার শারীরিক অবস্থার কথা নতুন কোম্পানিকে আগে থেকেই জানানো উচিত। যাতে নতুন চাকরি শুরু করলেও কয়েক মাস পরে অন্যান্য সুবিধে পেতে আপনার কোনও অসুবিধে না হয়।

    ৫| মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার যোগ্য হতে গেলে কোনও কোম্পানিতে কমপক্ষে কত দিন কাজ করতে হয়?

    আইন অনুযায়ী কমপক্ষে ২৬সপ্তাহ কোনও একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর কোনও সন্তানসম্ভবা মেটারনিটি লিভ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়।

    POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

    এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo Shop-এর স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...