এই জেট গতির জীবনে সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত সাইড প্ল্যাঙ্ক এক্সারসাইজটি করা চাই-ই

এই জেট গতির জীবনে সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত সাইড প্ল্যাঙ্ক এক্সারসাইজটি করা চাই-ই

চাকরি আর সংসারের দায়িত্ব সামলে নিজেদের দিকে খেয়াল করার সময় কই আমাদের। কোনও মতে নাকে-মুখে গুঁজে ছুটে চলেছি। তাতে করে পুষ্টির ঘাটতি তো হচ্ছেই, সঙ্গে শরীরেরও বারোটাও বাজছে। তাই তো বিশের কোটা পেরতে না পেরতেই ছোট-বড় নানা রোগ ঘাড়ে চেপে বসছে। বিশেষ করে শরীরের সচলতা কমে যাওয়ার কারণে ওজন বাড়ছে, যার লেজুর হয়ে এসে হাজির হচ্ছে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং ব্লাড প্রেসারের মতো রোগ। দুর্বল হচ্ছে হার্টও। তাই তো শরীরকে (health) সচল রাখতে অল্পবিস্তর শরীরচর্চা করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন প্রশ্ন হল কেমন ধরনের এক্সারসাইজ করলে এই সব ঝুট-ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে? চাইলে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতেই পারেন, তাতে উপকার পাবেন বই কী! আর যদি হাতে সময় না থাকে, তা হলে দিনে বারকয়েক সাইড প্ল্যাঙ্ক (Side Plank) করুন, তাতেই কিন্তু সমান উপকার পাবেন। 

১. 'কোর স্ট্রেন্থ' বাড়বে

পেট এবং তার আশেপাশের পেশীর ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার মধ্যে দিয়ে কোর স্ট্রেন্থ (Core Strength) বাড়াতে সাইড প্ল্যাঙ্কের জুড়ি মেলা ভার। আর একবার কোর স্ট্রেন্থ বাড়তে শুরু করলে ভুঁড়ি কমতে যেমন সময় লাগবে না, তেমনই কোমর এবং পিঠের ক্ষমতাও বাড়বে। সঙ্গে শরীর টোনড হবে। তাই বুঝতেই পারছেন, অল্প সময়েই মেদ ঝরিয়ে ফেলার ইচ্ছে থাকলে নিয়ম করে সাইড প্ল্যাঙ্ক করতেই হবে।

২. হাত এবং কব্জির ক্ষমতা বাড়বে

এই এক্সারসাইজটা করার সময় শরীরের পুরো ভারটাই হাতের উপর থাকে। তাই তো স্বাভাবিকভাবেই হাত, কব্জি এবং কাঁধের ক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। ফলে কথায় কথায় হাতে-কাঁধে ব্যথা হওয়ার মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না।

৩. পায়ের পেশী শক্তপোক্ত হয়

সারা দিন শরীরের ভার বহন করে চলেছে দুটো পা। ফলে দিনের পর দিন অতিরিক্ত চাপের কারণে পায়ের ক্ষমতা কমে যাওয়াটা তো স্বাভাবিক। সঙ্গে লেজুড় হতে পারে আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যাও। এই কারণেই তো সময় থাকতে থাকতে পায়ের পেশীর ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু এমনটা করা যায় কীভাবে? এক্ষেত্রে নিয়ম করে সাইড প্ল্যাঙ্ক করতে হবে। তাতে হাঁটুতে এবং পায়ে কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমবে, তেমনই পায়ের পেশি টোনড হবে, তাতে শরীরের সৌন্দর্য বাড়বে বই কী!

৪. শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকবে

নিয়মিত সাইড প্ল্যাঙ্ক করলে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে, সেই সঙ্গে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যে সমন্বয়ও তৈরি হয়। ফলে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে শিরদাঁড়ার ক্ষমতাও বাড়ে। ফলে ল্যাপটপের ব্যাগ বইতে-বইতে কুঁজো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যাঁরা সারা দিন বসে কাজ করেন, তাঁদের কোমর এবং পিঠের ক্ষমতা ধীরে-ধীরে কমে যায়। সেই সঙ্গে শিরদাঁড়াও দুর্বল হয়ে পরে। এই কারণেই তো এদের নিয়ম করে সাইড প্ল্যাঙ্ক এক্সারসাইজ করা উচিত।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটবে

হাজার চেষ্টা করেও কি বদহজম এবং গ্যাস-অম্বলের সমস্যা পিছু ছাড়ছে না? তাহলে কাল থেকেই এই এক্সারসাইজ শুরু করে দিন। তাতে মেটাবলিজম রেট এমন বাড়বে যে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগবে না। ফলে ছোট-বড় অনেক রোগই দূরে থাকতে বাধ্য হবে। সঙ্গে শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটিও বাড়বে, যে কারণে কথায়-কথায় চোট-আঘাত লাগার আশঙ্কাও কমবে।

সাইড প্ল্যাঙ্ক করার পদ্ধতি

ডান দিকে ফিরে শুয়ে পরুন। এবার ডান কনুইয়ের উপর ভর দিয়ে কোমরটা উপরের দিকে তুলে বাঁ হাত দিয়ে কোমরটা ধরুন। এই সময় কাঁধ এবং পা সরল রেখায় থাকবে এবং ডান হাত থাকবে ইংরেজির 'এল' অক্ষরের মতো। এই অবস্থায় ৪০-৫০ সেকেন্ড থেকে স্বাভাবিক পজিশনে ফিরে এসে কিছু সময় বিশ্রম নিয়ে এক্সারসাইজটি আরও ছয় বার করতে হবে। 

picture courtesy: youtube

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...