প্রতি মাসে কি ইলেকট্রিসিটি বিল চড়চড় করে বাড়ছে? বিলে লাগাম পরাতে এই টিপসগুলি মেনে চলুন

প্রতি মাসে কি ইলেকট্রিসিটি বিল চড়চড় করে বাড়ছে? বিলে লাগাম পরাতে এই টিপসগুলি মেনে চলুন

আজকাল প্রায় সব বাড়িতেই ইলেকট্রনিক্স গুডসের ছড়াছড়ি। কোনও ঘরে দিন-রাত টিভি চলছে, তো কোনও ঘরে পাখা-এসি বন্ধ হওয়ার নামই নেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মাসের শেষ ইলেকট্রিসিটি বিল দেখে চোখ কপালে ওঠে। বলতেই পারেন, কলকাতায় যা গরম তাতে পাখা-এসি বন্ধ করে রাখা যায় নাকি! সে কথা ঠিকই। কিন্তু খরচের দিকটাও তো দেখতে হবে। তাই তো ইলেকট্রিসিটির খরচ বাঁচানোর কিছু মোক্ষম দাওয়াইয়ের সন্ধান দিলাম আমরা। এই টিপসগুলি মেনে চললে পাখা-এসির ব্যবহার না কমিয়েই কিন্তু ইলেকট্রিসিটি বিল (Electricity Bill) কমিয়ে ফেলা সম্ভব!

১. সাধারণ বাল্ব নয়, ব্যবহার করুন 'সি এফ এল'

বাড়ির প্রতিটা হলুদ বাল্ব বদলে ফেলে সি এফ এল বা এল ই ডি বাল্বের ব্যবহার শুরু করুন। পুরনো টিইব লাইটের জায়গায়ও এল ই ডি লাইট লাগান, তাতে ইলেকট্রিসিটির (Electricity) খরচ অনেক কম হবে। কারণ, 'সি এফ ইল' বাল্বগুলি প্রায় ৭৫ শতাংশ কম ইলেকট্রিসিটি খরচ করে। উপরন্তু সাধারণ বাল্ব এবং টিউব লাইটের চেয়ে এই সব বাল্বগুলি চলেও বহুদিন। ফলে সব দিক থেকে সাশ্রয় হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইলেকট্রিসিটির খরচ কমাতে হলে অপচয় বন্ধ করতে হবে। তাই অকারণে পাখা-আলো যাতে জ্বলে না থাকে, সেদিকে যেমন নজর রাখতে হবে, তেমনই সন্ধ্যার আগে বাল্ব বা টিউব লাইট জ্বালনো চলবে না। প্রয়োজনে জানলা-দরজা খুলে রেখে দিনের আলোতেই কাজ সারুন। কিন্তু অকারণে বাল্ব বা টিউব লাইটের ব্যবহার বন্ধ করুন।

২. ফাইভ স্টার রয়েছে এমন এসি কিনুন

কলকাতায় যা গরম পরে, তাতে এসি না কিনে উপায় নেই। কিন্তু এক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। তা হল ফাইভ স্টার এসিই কেনা উচিত। তাতে এককালীন একটু বেশি টাকা খরচ হবে ঠিকই, কিন্তু ইলেকট্রিসিটির খরচ বাঁচবে। ফলে গরমের সময় সারা দিন এসি চালালেও কিন্তু বিল খুব একটা বেশি আসবে না। গরম যখন একটু কম থাকবে, তখন ঘণ্টাখানেক এসি চালিয়ে বন্ধ করে দিন। তারপর পাখা চালিয়ে রাখুন, তাতে ঘরটা ঠান্ডা থাকবে, এদিকে ইলেকট্রিসিটি বিলও খুব একটা বাড়বে না। এনার্জি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ এসি দিনে ঘণ্টাপাঁচেক চালালে বছরে যেখানে কম-বেশি ২৭ হাজার টাকার বিল মেটাতে হয়, সেখানে ইনভার্টার এসি ব্যবহার করলে মাত্র ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়। অর্থাৎ বছরে ১০ হাজার টাকা সাশ্রয়। তাই বুঝতেই পারছেন, বেশি টাকা খরচ করে অত্যাধুনিক এসি কিনলে আখরে আপনারই লাভ।

৩. ঠিক জায়গায় ফ্রিজ রাখতে হবে

ইলেকট্রিসিটি বিল কমবে না বাড়বে, তা কিন্তু অনেকাংশেই নির্ভর করে ফ্রিজের ব্যবহার এবং এর অবস্থানের উপরে দেওয়াল থেকে দুই ইঞ্চি দূরে ফ্রিজ রাখলে হাওয়া-বাতাস ঠিক মতো চালাচল করতে পারে। ফলে ফ্রিজের power efficiency এতটাই বেড়ে যায় যে ইলেকট্রিসিটির খরচ অনেকটাই কমে। ফ্রিজের উপরে যেন সরাসরি সূর্যালোক না পড়ে, তাতে ফ্রিজ গরম হয়ে যাবে। ফলে অতিরিক্ত ইলেকট্রিসিটি খরচ হবে। একই ঘটনা ঘটে ফ্রিজে ঠেসে-ঠেসে মাল ঢোকালেও। বেশি মাল থাকলে ফ্রিজকে দ্বিগুণ হারে কাজ করতে হয়, তাতে ইলেকট্রিসিটি বিলও বাড়ে। তাই সব সময় ফ্রিজে কম পরিমাণে খাবার রাখতে ভুলবেন না যেন!

৪. বিল ক্যালকুলেটরের সাহায্যে নিতে পারেন

পর পর কয়েক মাস যদি ইলেকট্রিসিটি বিল বেশি আসে, তা হলে একটু খেয়াল করুন তো খরচটা ঠিক কোথায় হচ্ছে। এক্ষেত্রে অনলাইন ইলেকট্রিসিটি বিল ক্যালকুলেটরের সাহায্য নিতে পারেন, তাতে কোথায় কত পরিমাণে ইলেকট্রিসিটি খরচ হচ্ছে, তা বুঝে যাবেন। আর সেই মতো খরচ বাঁচালেই বিল কম আসবে।

৫. ইলেকট্রনিক ডিভাইস 'প্লাগ-ইন' করে রাখবেন না

টিভি-ফ্রিজ হোক কী কম্পিউটার, যখন ব্যবহার করছেন না, তখন প্লাগ খুলে রাখতে ভুলবেন না! কারণ, এই সব জিনিস বন্ধ থাকাকালীনও কিন্তু ইলেকট্রিসিটি খরচ হয়। তাই বিদ্যুতের খরচ বাঁচাতে হলে এদিকে নজর দেওয়াটাও একান্ত প্রয়োজন।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...