শীতকালে চুলের যত্ন নেবেন কীভাবে? রইল কয়েকটি সমস্যার সমাধানে কিছু জরুরি পরামর্শ

শীতকালে চুলের যত্ন নেবেন কীভাবে? রইল কয়েকটি সমস্যার সমাধানে কিছু জরুরি পরামর্শ

শীতকাল (winter) মানেই শুষ্ক চুলের (Hair) সমস্যা। এ দিকে ঠান্ডার চোটে নিয়মিত শ্যাম্পুর কথাও ভাবতে পারেন না অনেকেই। পার্টি, পিকনিকের জেরে মাথায় নোংরাও জমে। শীতে কীভাবে চুল ভাল রাখবেন। কী কী করবেন, কী কী করা উচিত নয়, কোন কোন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন, এ সব নিয়েই আমরা কিছু পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করলাম। 

Table of Contents

    কেন শীতে চুলের যত্নের প্রয়োজন (Why does your hair need more care and attention in winters)

    সারা বছরই চুলের একটা বেসিক যত্ন প্রয়োজন হয়। কিন্তু শীতকালে একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন। কেন? জেনে নিন কিছু সাধারণ কারণ। 

    শুকনো তালুর সমস্যা (Dry scalp Problem)

    শীতকালে আবহাওয়ার কারণেই ত্বক শুকিয়ে যায়। এই সময় শুকিয়ে যায় স্ক্যাল্প অর্থাৎ মাথার তালুও। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালেই এই সমস্যা বেশি হয়। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে তা আরও বাড়তে পারে। 

    চুলের বৃদ্ধি কমে যায় (Reduced hair growth)

    শীতকালে চুলের বৃদ্ধি কমে যায়। স্ক্যাল্পে ময়শ্চার কমে যায়। খুশকির সমস্যায় চুলও পড়ে যায় অনেক। চুলের বৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে যায়।  

    ঘর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত চুল (Tangled hair)

    Instagram

    শীতকালে বেশিরভাগ সময় টুপি, রুমাল বা স্কার্ফে মাথা ঢেকে রাখতে বাধ্য হই আমরা। জ্যাকেটের হুডি কখনও চাপিয়ে দেওয়া হয় মাথায়। এতে টুপি জাতীয় জিনিসের সঙ্গে ঘর্ষণে চুলের ক্ষতি হয়। চুল পড়ে যায়। টুপি না পরেও তো উপায় নেই। তাই চুলের আলাদা যত্নের প্রয়োজন। 

    ড্রাই হেয়ার (Dry hair)

    যাঁদের এমনিতেই শুষ্ক ত্বক বা চুল, তাঁদের কথা তো ছেড়েই দিন। অয়েলি স্কিন বা চুল হলেও শীতকালে তা শুষ্ক হবেই। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাওয়া এবং হঠাৎ করেই আবহাওয়া পরিবর্তেনর জন্য শুষ্ক হয়ে যায় চুলের ধরন। ফলে যত্ন তো নিতেই হবে!

    ফ্রিজি হেয়ার (Frizzy hair)

    শীতকালে চুল শুকনো হয়ে যাওয়ার পরে জট পাকিয়ে যায় সহজেই। তাই সময় নিয়ে ভাল কন্ডিশনার ব্যবহার করা জরুরি।

    খুশকির সমস্যা বৃদ্ধি (Increased Dandruff)

    Instagram

    শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের বেশি খুশকির সমস্যা দেখা দেয়। তবে যে কোনও ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রেই শীতকালে খুশকির সমস্যায় বেশি ভোগেন মানুষ। খুশকি আসলে ত্বকের মরা কোষ। ঠিক মতো চুল পরিষ্কার না করলে এ সমস্যা আরও বাড়ে। আর আবহাওয়ার কারণে আপনি এড়িয়েও যেতে পারবেন না। তার থেকে যত্ন নেওয়াই শ্রেয়।

    বাড়িতেই কীভাবে চুলের যত্ন নেবেন (Hair Care in winter with home remedies)

    শীতকালে বাড়িতেই চুলের যত্ন নেওয়ার কয়েকটি সহজ উপায়। 

    ১| হট অয়েল ট্রিটমেন্ট (Hot oil treatment)

    শীতকালে গরম তেল মাথায় মাসাজ করা খুব উপকারি। নারকোল তেল বা অলিভ অয়েল গরম করে লাগাতে পারেন। এর সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন ডিম এবং মধু। স্নানের এক ঘণ্টা আগে তেল মাসাজ করুন। স্নানের সময় ভাল করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন।  

    ২| অ্যালোভেরা হেয়ার মাস্ক (Aloe vera hair mask)

    দুই চা চামচ ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল, এক চা চামচ মধু এবেং তিন চা চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। আধ ঘণ্টা মতো রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুকনো চুলের জন্য এই মাস্ক ভাল কন্ডিশনারের কাজ করবে। চুলে বাউন্স আসবে সহজে। 

    ৩| কলা এবং ডিম দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক (Banana & egg hair mask)

    Instagram

    প্রথমেই কলা চটকে নিন। তারপর ভেঙে নিন একটি ডিম। এর মধ্যে তিন টেবিল চামচ দুধ, তিন টেবিল চামচ মধু এবং পাঁচ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। সব উপকরণ যাতে মিশে যায় সেটা খেয়াল রাখবেন। এরপর স্ক্যাল্পে এবং চুলে ব্যবহার করুন এই হেয়ার মাস্ক।

    ৪| ডিম এবং ইয়োগার্টের হেয়ার মাস্ক (Egg & yogurt hair mask)

    একটি পাত্রে এক টেবিল চামচ ফ্রেশ ইয়োগার্টের সঙ্গে মিশিয়ে নিন একটি ডিম। যতক্ষণ না ক্রিমের মতো আকার নিচ্ছে, ততক্ষণ মিশিয়ে নিন। এরপর মাথার তালুতে এবং চুলে লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা রেখে দেওয়ার পর ভাল করে শ্যাম্পু করে নেবেন। খুশকির সমস্যা দূর করে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে এই হেয়ার মাস্ক।

    ৫| দুধ এবং মধুর হেয়ার মাস্ক (Milk and honey hair mask)

    আধ কাপ দুধের সঙ্দে তিন টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। হালকা গরম করে নিন। এতে মধু পুরোপুরি গলে যাবে। চুলে এবং স্ক্যাল্পের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে লাগিয়ে নিন। মিনিট কুড়ি রেখে ধুয়ে ফেলুন।

    ৬| ডিম, মধু এবং অলিভ অয়েলের মাস্ক (Egg yolk, honey and olive oil mask)

    একটি পাত্রে ডিমের কুসুম ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এরপর অল্প মধু এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মিনিট পাঁচেক মাসাজ করে মাথায় লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা রেখে দেওয়ার পর ভাল করে শ্যাম্পু করে নিন। শীতকালে সপ্তাহে তিন বার ব্যবহার করুন এই হেয়ার মাস্ক।

    ৭| ইয়োগার্ট, লেবু এবং ভিনিগার মাস্ক (Yogurt, lemon and apply cider vinegar mask)

    Instagram

    একটি পাত্রে ইয়োগার্ট নিন। তার সঙ্গে আপেল সিডার ভিনিগার এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে মাথার তালু এবং চুলে লাগিয়ে নিন। আধঘণ্টা রেখে দেওয়ার পর রেগুলার শ্যাম্পু ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন।

    ৮| ইয়োগার্ট এবং দইয়ের মাস্ক (Yogurt and banana mask)

    একটি পাত্রে ভাল করে কলা চটকে নিন। এর সঙ্গে ইয়োগার্ট এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুল ও স্ক্যাল্পে লাগিয়ে রাখুন ৪৫ মিনিট। শ্যাম্পু করুন উষ্ণ জলে।

    ৯| নারকেল তেল, ভিনিগার, মধুর মাস্ক (Coconut oil, apple cider vinegar and honey mask)

    একটি পাত্রে নারকেল তেল, আপেল সিডার ভিনিদার এবং মধু মিশিয়ে নিন। চুলে ও মাথার তালুতে লাগিয়ে নিন। আধ ঘণ্টা রেখে দেওয়ার পরে শ্যাম্পু করে নিন। একবারে অনেকটা তৈরি করে রাখতে পারেন। ব্যবহার করার আগে ঝাঁকিয়ে নিন। 

    ১০| বাটার এবং নারকেল তেলের হেয়ার মাস্ক (Shea Butter & Coconut Oil Hair Mask)

    বাটার, নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। এতে চুল মোলায়েম হবে। শীতকালে চুলে যে অতিরিক্ত কন্ডিশনারের প্রয়োজন হয়, সেটা পাবেন এই হেয়ার মাস্ক থেকেই। 

    শীতকালে চুলের ক্ষতি রুখতে কিছু জরুরি পরামর্শ (Tips to prevent winter hair damage)

    Instagram

    ১| শীতকালে খুব ঘন ঘন শ্যাম্পু করবেন না। বাইরে বের হলে যাতে চুলে বেশি ময়লা না জমে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। সপ্তাহে তিনদিন শ্যাম্পু করলেই যথেষ্ট। হাল্কা গরম জলে চুল ধুয়ে নিন।

    ২| শীতের জন্য রেগুলার শ্যাম্পু ব্যবহার না করে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত শ্যাম্পু এবং সঙ্গে অবশ্যই ক্রিম কন্ডিশনার বেছে নিন।

    ৩| শ্যাম্পু করার সময় কয়েক ফোঁটা তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে চুল সিল্কি হবে, রুক্ষতাও কম হবে। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, তেল মাখা অবস্থায় রাস্তায় বের না হওয়াই ভালো। এতে চুলে অনেক বেশি ময়লা জমে যায়। ফলে বারবার শ্যাম্পু করতে গিয়ে চুলের স্বাভাবিক আদ্রর্তা নষ্ট হয়ে যাবে।

    ৪| রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য অলিভ অয়েল হাতের তালুতে ঘষে নিয়ে পুরো চুলে এবং মাথার ত্বকে হাল্কা হাতে মাসাজ করুন। এছাড়া সপ্তাহে একদিন রাতে তেল গরম করে মাসাজ করতে পারেন।

    ৫| সপ্তাহে অন্তত একদিন ডিপ কন্ডিশনিং মাস্ক বা কোনও ময়েশ্চারাইজ়িং হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। চুলের ধরন বুঝে মাস্ক বা প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

    ৬| খুশকির সমস্যা থেকে বাঁচতে তিন টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে এক টেবিল চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল এবং কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চুলে এবং মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

    ৭| চুল বাঁচাতে গেলে রোদ্দুর থতেকে কিছুটা দূরে থাকাই ভাল। দিনের বেলা বাইরে বেরলে হালকা স্কার্ফ ব্যবহার করুন যা সরাসরি রোদ থেকে চুলকে বাঁচাবে।

    ৮| যে কোনও রকম রং বা হেনা থেকে শীতকালে দূরে থাকুন। কারণ রং বা হেনার মধ্যে থাকা কেমিক্যাল চুলের ক্ষতি করে।

    ৯| শীতের শুরুতেই চুলে একটা ভাল হেয়ার কাট করিয়ে নিন। কাটতে না চাইলে ট্রিমও করিয়ে নিতে পারেন। 

    ১০| সপ্তাহে দু-তিনবার ফিশ অয়েল ক্যাপসুল বা ভিটামিন-ই ক্যাপসুল খেতে পারেন। এতে চুল ভাল থাকবে।

    ১১| প্রতি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একটি পাত্রে নারকেল তেল, জোজোবা অয়েল ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। জোজোবা কিংবা অলিভ অয়েল না থাকলে কম খরচে ক্যাস্টর অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। তেলের ওই মিশ্রণকে প্রথমে ফুটিয়ে নিন। ফোটানোর সময় এতে কাঁচা আমলকির টুকরো ও কিছুটা লেবুর রস যোগ করুন। ঈষদুষ্ণ অবস্থায় চুলের গোড়ায় এই মিশ্রণ লাগান এক দিন অন্তর। সারা রাত মাথায় স্কার্ফ বেঁধে রাখুন। পরের দিন গরম জলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না।

    ১২| শীতের সময় নিয়ম মেনে শ্যাম্পু বা চুলের যত্নে অনীহা দেখা যায় অনেকের মধ্যেই। সেটা না করে প্রতিদিন যত্নে রাখুন।

    কী কী করবেন (Do’s)

    Instagram

    ১| যদি মাথা ভিজিয়ে স্নান করেন তবে চুল ভাল করে ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে, তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছে তবেই রাস্তায় বেরোন।

    ২| ভিটামিন সি, ডি এবং জিঙ্ক চুল পড়া কমায়। এগুলো ছাড়াও ভিটামিন ই এবং বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার নিজের ডায়েটে রাখুন

    ৩| শীতকালে মাথা যত ঢেকে রাখতে পারবেন চুল তত ভাল থাকবে। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া, হাওয়ায় চুল উড়ে জট পড়বে। বাড়ি এসে চুল আঁচড়ালেই কিন্তু প্রচুর চুল উঠবে। তাই রাস্তায় বেরোলে টুপি, চাদর বা স্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এতে খুস্কিও কম হবে।

    ৪| শীতের স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় চুল ওঠার সমস্যা বেড়ে যায় তাই যতটা সম্ভব ঘষা লাগা এড়িয়ে চলুন। রাতে চুল বেঁধে শোন। রাস্তায় বেরোলেও চুল বেঁধে রাখুন। পার্টি চুল খোলা রাখতে পারেন কিন্তু সারা দিনের জন্য পিকনিকে গেলে চুল অবশ্যই বেঁধে রাখুন।

    ৫| স্ক্যাল্প শুকিয়ে যাওয়া, খুস্কির সমস্যায় জেরবার থাকলে স্ক্যাল্পে প্যাক বা অন্য কিছু লাগানো যতটা পারবেন এড়িয়ে চলুন। সিরাম বা জেল লাগাতে পারেন। কিন্তু স্ক্যাল্প শুধুই শ্যাম্পু করে পরিষ্কার রাখুন।

    কী কী করবেন না (Dont’s)

    Instagram

    ১| শ্যাম্পু করলে কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। কলা-মধুর প্যাক লাগাতে পারেন। তবে স্ক্যাল্প বাঁচিয়ে। 

    ২| ঘন ঘন চুল ধোবেন না। সপ্তাহে তিনবার সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু এবং কনডিশনার দিয়ে পুরো চুল ধুয়ে ফেলুন।

    ৩| কালার, কার্লিং, প্রেসিং-এর মতো কোনও ট্রিটমেন্ট শীতকালে পার্লারে না করানোই ভাল। একান্তই প্রয়োজন হলে হার্বাল কোনও ট্রিটমেন্ট করাতে পারেন।

    ৪| জাঙ্ক ফুড যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভাল। এতে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে।

    ৫| খুশকির মতো সমস্যা হলে তা ফেলে রাখবেন না। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন। 

    শীতকালে চুলের যত্নের সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

    instagram

    শীতকালে চুলের যত্নের উপর সাধারণ কিছু প্রশ্নোত্তর নিয়ে এবার আলোচনা করা যাক। 

    ১| শীতে চুলের যত্নে সবচেয়ে ভাল কোন তেল?

    বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, নারকেল তেল চুল হাইড্রেটেড রাখতে সবচেয়ে কার্যকরী। নারকেল তেল হালকা গরম করে নিয়মিত মাথায় মাসাজ করুন।

    ২| শীতকালে বেশি চুল আঁচড়ালেই কি চুল পড়ে?

    এই ধারণা ভুল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। যত বেশি পারেন চুল আঁচড়ান। এতে চুলের গোড়া থেকে তেল সারা চুলে ছড়িয়ে যাবে। শুষ্ক চুলের সমস্যা দূর হবে। পেতে থাকা চুল কিছুটা ওয়েভি হবে।

    ৩| শীতকালে চুল বেঁধে নাকি খুলে রাখা উচিত?

    নোংরা চুল যত খোলা রাখবেন ময়লা তত বেশি হবে। অস্বস্তিও হবে। তাই যতটা সম্ভব চুল পিছনে টেনে বেঁধে রাখার চেষ্টা করুন। এতে চুল কম নোংরা হবে। 

    POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

    এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়..