যে-কোনও সম্পর্কের মধ্যে নেগেটিভ ইমোশন বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই পজিটিভ থাকুন

যে-কোনও সম্পর্কের মধ্যে নেগেটিভ ইমোশন বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই পজিটিভ থাকুন

আমাদের শরীরের মধ্যে দুই রকমের এনার্জি (energy) কাজ করে। নেগেটিভ (negative) আর পজিটিভ (positive)। এই দুটো এনার্জি আমদের চিন্তাধারাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বা উল্টো করে বলা চলে যে আমাদের চিন্তাধারা এই দুটো এনার্জিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এখন আপনার মধ্যে যদি সর্বদা নেগেটিভ এনার্জির প্রবাহ চলে, তা হলে কিন্তু সমূহ বিপদ। কারণ, তার প্রভাব পড়বে আপনার সম্পর্কে (relationship)। আর সম্পর্ক বলতে এখানে শুধু প্রেমের সম্পর্কের কথা বলা হচ্ছে না। কর্মক্ষেত্রে আপনার বস, সহকর্মী, বান্ধবী বা বাড়ির লোকজনেরাও এই দায়রায় পড়ে। তাই সময় থাকতে নিজের এই নেগেটিভ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ করুন এবং সব সময় পজিটিভ থাকুন। দেখবেন, জীবন আগের চেয়ে অনেক সুন্দর হয়ে গেছে।

কাকে বলে নেগেটিভ এনার্জি?

যে-কোনও বিষয়ে “না” ভাবাই হল নেগেটিভ এনার্জির মূল উৎস। এটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। অনেকে তাঁর সঙ্গীকে একেবারেই বিশ্বাস করেন না সব বিষয়ে সন্দেহ করেন। এটাও যেমন নেগেটিভ এনার্জি আবার সেরকমই রাস্তায় জ্যাম হলে যদি কোথাও পৌঁছতে দেরি হয়, তা হলে যদি অতিরিক্ত বিরক্তি প্রকাশ করে তা হলে সেটাও নেগেটিভ এনার্জি। এঁরা যে কোনও বিষয়ে না ভেবেই এগোন। 

কীভাবে নেগেটিভ এনার্জি সম্পর্কে প্রভাব ফেলে?

pixabay

যেহেতু এঁরা সবকিছুতেই না ভেবেই এগোন, তাই প্রথমেই এঁরা সঙ্গীর উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। এর মানে কিন্তু এই নয় এঁরা মনে করেন সঙ্গী অন্য কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। এঁরা ধরেই নেন যে সঙ্গীর দ্বারা কিচ্ছু হবে না। ছোট-ছোট ঝগড়া বা সমস্যা এলেই এঁরা অতিরিক্ত বিচলিত হয়ে পড়েন এবং নিজেদের উষ্মা খুব সহজেই প্রকাশ করেন। দিনের পর দিন এটা সহ্য করতে করতে একদিন সম্পর্ক ভেঙেই যায়।

কীভাবে এই নেগেটিভ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ করব?

pixabay

এটা আপনার একার লড়াই তাই একাই আপনাকে লড়তে হবে। নিয়ম করে ধ্যান ও প্রাণায়াম করুন। এতে আপনার শরীর ও মন দুইই আপনার বশে থাকবে। এমন বই পড়ুন বা সিনেমা দেখুন যা জীবন বিষয়ে অনুপ্রাণিত করে। ছোট ছোট বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা বন্ধ করুন। রাস্তাঘাটে বেরোলে যে কোনও কিছু হতে পারে। যে কোনও কিছু হতে পারে কাল বা তার পরের দিন। ভবিষ্যৎ আমরা দেখতে পাইনা। সে চেষ্টা করারও কোনও দরকার নেই। সর্বোপরি নিজের মনের মানুষ, পরিবারের লোকজন ও সহকর্মীদের উপর আস্থা রাখতে শিখুন। অনেক সময় এটা শরীরে কোনও খনিজের অভাব হলে বা হরমোনের সামঞ্জস্য হারিয়ে গেলেও হয়ে থাকে। তাই সময় থাকতে চিকিৎসক বা মনোবিদের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। তাতে আখেরে লাভই হবে।

এই দশকটি আমরা শেষ করতে চলেছি #POPxoLucky2020-র মাধ্যমে। যেখানে আপনারা প্রতিদিন পাবেন নতুন-নতুন সারপ্রাইজ। আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম...আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার আগামী বছরটা POPup করে ফেলুন!