শনির দশা বা সাড়ে সাতি থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়, দুর্ভাগ্যের মেঘ কেটে সৌভাগ্য আসুক জীবনে

শনির দশা বা সাড়ে সাতি থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়, দুর্ভাগ্যের মেঘ কেটে সৌভাগ্য আসুক জীবনে

সত্যি কথা বলুন তো? নামটা শুনলেই বুকের ভিতরটা কীরকম একটা করে ওঠে না? আসলে ছোটবেলা থেকে জেনে এসেছি, ইনি ভারী রগচটা দেবতা, রুষ্ট হয়ে ভাগ্নের মাথাটাই বিসর্জন দিয়ে দিয়েছিলেন, অমন যে দোর্দণ্ডপ্রতাপ মহাদেব-পার্বতীর জুটি, তাঁরাও কিনা শেষ পর্যন্ত হাতির মাথা কেটে ছেলের মাথায় বসালেন! দেবাদিদেবেরই যদি এই অবস্থা হয়, সেখানে আমরা তো তুচ্ছ মনুষ্যমাত্র। শনিদেব যদি রুষ্ট হন, আমরা তো ধনেপ্রাণে মারা পড়ব! শনিদেবের এই রুষ্ট হওয়ার কথা থেকেই তৈরি হয়েছে শনির দশা কিংবা শনির (Shani) সাড়ে সাতির উপমাটি। একবার সাড়ে সাতি লাগলে নাকি ৭.৫ বছর লাগে সেই দুর্ভাগ্যের দশা কাটতে। কিন্তু ঘরোয়া উপায়েই (tips) একটু সতর্ক হয়ে এই শনির দশা কিংবা শনির সাড়ে সাতি (Sade Sati) কাটানো সম্ভব। 

শনির দশা বা শনির সাড়ে সাতি কাকে বলে?

মোটামুটি তিনটি রাশি পেরোতে শনিগ্রহের সাড়ে সাত বছর সময় লাগে। এই সময়টাকেই বলে সাড়ে সাতি। হিসেবটা খুবই সোজা, তিনটি রাশি, প্রতিটি রাশির ঘরে ২.৫ বছর করে মোটা সাড়ে সাত। শুরুর আড়াই বছরে আসবে আর্থিক দুর্যোগ, তার পরের আড়াই বছরে আসবে মানসিক অবসাদ, আর শেষ আড়াই বছরে আপনি মুখোমুখি হবেন সম্পর্কজনিত সমস্যার। আরও একটু বুঝিয়ে বলা যাক। ধরুন, শনি এখন ঢুকলেন বৃশ্চিক রাশিতে। তা হলে তার আগের রাশি, মানে, তুলার তখন সাড়ে সাতির শেষ পর্যায়টি চলছে। আর বৃশ্চিকের শুরু হয়েছে প্রথম আড়াই বছরের দশাটি। এর পর শনি যাবেন মকর রাশিতে. তখন বৃশ্চিক পাবে সাড়ে সাতির মাঝের আড়াই বছর আর ধনু, মানে মকরের পরের রাশিটি পাবে প্রথম আড়াই বছরটি। একটু গোলমেলে কিন্তু! সাড়ে সাতির দ্বিতীয় ফেজটি সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করেন জ্যোতিষীরা। যদি আপনার জন্মছকের দ্বাদশ, প্রথম অথবা দ্বিতীয় ঘরে চন্দ্র অবস্থান করেন, তা হলে শনিগ্রহ কিন্তু আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তবে এই ব্যাপারে বেশি খুঁটিনাটি জানতে চাইলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াটাই ভাল।

 

কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কাটাতে পারেন শনির দশা

১. প্রতি মঙ্গল ও শনিবার নিয়ম করে হনুমান চালিশা পাঠ করুন। সম্ভব হলে বাড়ির কাছেপিঠে কোনও হনুমান মন্দির থাকলে সেখানে গিয়ে এই দুই বারে পুজোও দিতে পারেন।

২. দুঃস্থদের দান করুন। তা সে খাবারই হোক কিংবা টাকাপয়সা। মন্দিরে গিয়ে কালো তিল, সরষের তেল এবং ছোট কালো কাপড়ের টুকরো ও অশ্বত্থ পাতার মালা শনিদেবের পায়ে দিন। 

৩. অচেনা কাউকে আহার করান, তা-ও ঘরে রাঁধা খাবার দিয়ে। রাস্তায় বেরিয়ে কোনও ভিখিরিকেই খাওয়াতে হবে, এমন নয়। যিনি আপনার বাড়ির পরিচারিকা, তাকে সেদিন নিজে হাতে রান্না করা খাবার পরিবেশন করে খাওয়ান। এ ছাড়া রাস্তার কুকুর-বিড়ালদের খেতে দিন ঘরে তৈরি ভাত। অনেকে কাককেও খাবার দিতে বলেন শনিবারে। তবে সবই নিরামিষ খাবার হতে হবে।

৪. যদিও উইক এন্ড পার্টি করার সময়, কিন্তু শনির দশা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে এদিন মদ্যপান কিংবা ধূমপান একেবারেই করবেন না।

৫. সদর দরজায় ঝোলান ঘোড়ার নাল, তাতে সিঁদুর দেবেন এবং এক টুকরো কালো কাপড়ও বেঁধে দেবেন।

৬. সম্ভব হলে, প্রতি শনিবার কালো পোশাক পরবেন মনে করে। 

৭. শনিবার কোনও চামড়ার জিনিস, পোশাক কিংবা ঝাঁটা কিনবেন না।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty - POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়...