ছোটখাটো বিষয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার বদভ্যাস আছে নাকি? জেনে নিন তা থেকে মুক্তির উপায়

ছোটখাটো বিষয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার বদভ্যাস আছে নাকি? জেনে নিন তা থেকে মুক্তির উপায়

ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। কথাটা আমরা প্রত্যেকেই সেই ছোট্টবেলা থেকে শুনে আসছি। অর্থাৎ, যা-ই করবেন, বেশ চিন্তাভাবনা করে করবেন। চিন্তা করা ভাল কাজ, এমনকী, এই কথাটা তো আমরা প্রায়ই শুনেও থাকি আবার বলেও থাকি, ‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’; কিন্তু অতিরিক্ত ভাবা বা একই বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা (over thinking) করেই চলা বোধ হয় ততটা ভাল ব্যাপারও নয়। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা ছোট্ট-ছোট্ট বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ ভাবতে থাকেন এবং ভেবে-ভেবে তিল থেকে তাল তৈরি করে ফেলেন। ফলস্বরূপ অ্যাংজাইটি, দুশ্চিন্তা, নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যা ধীরে-ধীরে বাসা বাঁধে এবং চিন্তায় জর্জরিত (over thinking) মানুষটি যে কখন অবসাদগ্রস্ত (depression) হয়ে পড়েন, তা নিজেও বুঝতে পারেন না। কিন্তু অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তি পাবেন কীভাবে?

জেনে নিন, কীভাবে 'কথায় কথায় রাগ' কমাবেন!

বিনা কারণে দুশ্চিন্তা না করে বরং এই টিপসগুলি মেনে চলুন

দুশ্চিন্তায় ঘুম নষ্ট করবেন না

১। প্রথমেই আপনাকে বেশ খানিকটা সচেতন হতে হবে। অনেকে নিজেরাও হয়তো বুঝতে পারেন না যে, তাঁরা অতিরিক্ত চিন্তা (over thinking) করেন। তাঁদের কাছে হয়তো এটাই খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়, কিন্তু ধীরে-ধীরে যে বিনা কারণে দুশ্চিন্তা করার স্বভাব তাঁদের অবসাদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, এই কথাটা যখন তাঁরা বুঝতে পারেন, তখন তাঁরা অলরেডি অবসাদগ্রস্ত (depression) এবং ফিরে আসার কোনও পথ থাকে না। কাজেই সময় থাকতে সচেতন হন।  

২। অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হন। অনেকেই এটা ভেবে দুশ্চিন্তা করেন যে, তাঁর জীবনের সমস্যার চেয়ে বড় আর জটিল সমস্যা বোধহয় আর কারও জীবনে নেই। কখনও-কখনও অন্য কারও সমস্যার কথাও মন দিয়ে শুনুন। নতুন মানুষের সঙ্গে মিশুন, তা হলেই বুঝতে পারবেন যে আপনার সমস্যাটা কত ছোট। তবে অন্য কারও সমস্যার কথা শুনে আবার সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে বসে যাবেন না যেন!  

কাজে মন বসছে না? মনঃসংযোগ বৃদ্ধি করতে এই দু'টি মেডিটেশন পদ্ধতি ট্রাই করুন

নিয়মিত শরীরচর্চা করলে অতিরিক্ত চিন্তার সময় পাবেন না

৩। পৃথিবীর সব দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে নয়, বা অন্য কারও জীবনে কোনও ঘটনার জন্য আপনি দায়ী নন, এই সত্যটা মানতে শিখুন। বুঝিয়ে বলি তা হলে। আপনার প্রতিবেশীর ছেলে কেন পরীক্ষায় ভাল ফল করল না বা অমুক আত্মীয়ের মেয়ের এখনও কেন বিয়ে হল না, এসব ভেবে আপনি কেন নিজের মন ও শরীরকে ব্যস্ত করবেন? কিছু-কিছু বিষয় থাকে যা আমাদের হাতে থাকে না এবং সেগুলো নিয়ে আপনি যতই চিন্তা করুন না কেন, লাভ কিছুই হবে না।

৪। যে কাজগুলো করতে আপনি পছন্দ করেন, সেই কাজগুলো আবার শুরু করুন। হয়তো আপনি কোনও এক সময়ে ছবি আঁকতে খুব পছন্দ করতেন বা ভাল গান গাইতেন বা আবৃত্তি করতেন, কিন্তু এখন সময়ের অভাবে বা অন্য কোনও কারণে এখন আর সেই কাজগুলো করা হয়ে ওঠে না। নিজেকে একটু মোটিভেট করে আবার পছন্দের কাজগুলো করতে শুরু করুন। দেখবেন, দুশ্চিন্তা (over thinking) করার জন্য যে সময়টা প্রয়োজন, সেটা আর পাচ্ছেন না।

৫। জীবনে একটা রুটিন মেনে চলুন। সময়ের কাজ সময়ে করুন। নিয়মিত ব্যায়ম করুন, না পারলে নিদেনপক্ষে সকালে বা বিকেলে একটু হাঁটতে যান। বাড়ির আশেপাশে যদি পার্ক থাকে তা হলে সেখানে হাঁটুন; না থাকলে ছাদে হাঁটুন।

ছবি সৌজন্য: শাটারস্টক

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম...আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!