"তোর দ্বারা কিচ্ছু হবে না" নয় সন্তানকে বলুন, "আমি তোর পাশে আছি, লেটস ফাইট টুগেদার!"

"তোর দ্বারা কিচ্ছু হবে না" নয় সন্তানকে বলুন, "আমি তোর পাশে আছি, লেটস ফাইট টুগেদার!"

আপনি যদি কোনও ডুবন্ত মানুষকে দেখেন তাহলে সেই মুহূর্তে আপনি কী করবেন? সে কেন জলে পড়ে গেল? কার দোষ ছিল এবং জলে ডুবে গেলে কী কী করা উচিত সেই বিষয়ে জ্ঞান দেবেন? নাকি তাঁর দিকে হাত বাড়িয়ে তাঁকে জল থেকে টেনে তুলবেন? আপনি শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হলে দ্বিতীয়টাই করবেন। তাহলে নিজের সন্তানের (kids) ক্ষেত্রে প্রথমটা কেন করেন বলুন তো? কী বলছি বুঝতে পারছেন না? সাফল্য আর ব্যর্থতা একই কয়েনের দুটো পিঠ। আজ যদি সন্তান অঙ্কে কম নম্বর পেয়ে বাড়ি আসে বা তার যদি আদৌ পড়াশোনায় মন না থাকে, তাহলে সে যে আদতে কোনও কাজের নয়, সে অপদার্থ এগুলো বলে তার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরাবেন না। সন্তানকে বলুন পজিটিভ থাকতে। সন্তানকে বলুন লড়াই করতে। তার পাশে বন্ধুর মতো দাঁড়ান। সন্তানের সাফল্যর কথা যদি পাঁচ মুখে সব জায়গায় বলে বেড়াতে পারেন তাহলে তার ব্যর্থতার দায় আপনি নেবেন না? সন্তানের পাশে দাঁড়িয়ে তার আত্মবিশ্বাস (confidence) বাড়িয়ে (boost) তুলুন, ব্যর্থ বলে তাকে হতাশার অন্ধকারে ডুবে যেতে দেবেন না। সন্তানকে বলুন এটা আপনাদের লড়াই, তার একার নয়। 

কেন সে পারছে না ভেবে দেখুন

pixabay

যে কোনও বিষয়ে আপনার সন্তান পিছিয়ে পড়ছে বলে তাকে আপনি বকাবকি করছেন বটে, কিন্তু কেন? সেটা ভেবে দেখেছেন কি? হতে পারে সে কোনও কারণে বিষয়টায় ভয় পাচ্ছে। যদি টাই হয় তাহলে তার সেই ভয় কাটিয়ে তুলতে হবে। কোনও কারণে সে মানসিকভাবে অস্থির হয়ে আছে কিনা সেটাও আপনাকে বুঝতে হবে। দরকারে কোনও কাউন্সিলার বা মনোবিদের সাহায্য নিতে পারেন। 

অন্য কারও সঙ্গে তুলনা টানবেন না

সন্তান যখন নিজের ব্যর্থতা বা অপারগতা বুঝতে পারে তখন সে একটা নিশ্চিন্ত আশ্রয় খোঁজে, যেখানে সে নিজের মনের কথা উজাড় করে বলতে পারবে। সেই সময় মা বা বাবা হিসেবে তাকে সেই আশ্রয়টুকু দিন। কিছু মন্তব্য না করে তার সব কথা শুনুন। অন্য কেউ যদি তার চেয়ে ভাল রেজাল্ট করে তাহলে সেটা নিয়ে তাকে খোঁটা দেবেন না বা তুলনা টানবেন না। একেকজনের মেধা বা যে কোনও কিছু গ্রহণ করার ক্ষমতা একেক রকমের হয়, তাই সেটা নিয়ে তুলনা করার কিছু নেই। 

অন্য কিছুতে কি তার আগ্রহ আছে?

সবাই যে পড়াশোনায় দুর্দান্ত ভাল হবে, তার কোনও মানে নেই। আপনার সন্তান হয়তো পড়াশোনায় ভাল নয়, কিন্তু সে খুব সুন্দর ছবি আঁকতে পারে বা গান গাইতে পারে। তাহলে সে যেটা পারে, সেটাকেই তুলে ধরার চেষ্টা করুন। পড়াশোনা যেটুকু না করলেই নয়, সেটুকু করুক। বাকি সময়টা সে অন্য কিছু শেখায় বা জানায় মনোনিবেশ করতে পারে। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!
আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম...আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!