প্রেমপত্র লিখেছেন কখনও? না লিখলে এবার লিখেই ফেলুন, এই অভিজ্ঞতা ভোলার নয়

প্রেমপত্র লিখেছেন কখনও? না লিখলে এবার লিখেই ফেলুন, এই অভিজ্ঞতা ভোলার নয়

আজকের জেনারেশন প্রেমপত্র লিখবে! এখন তো ইনস্ট্যান্ট প্রেমের জমানা। আলাপ হতেই ফোন নম্বর আদান-প্রদান। তারপর হোয়াটসঅ্যাপই ভরসা। সেখানেই ঘন্টার পর ঘন্টা কথা চলতেই থাকে। সেই একঘেয়ে রদ্দি মার্কা ইমোজি, আর ইন্টারনেট থেকে চুরি করা রোমান্টিক লাইন, এই তো ভরসা মিলেনিয়ালদের। দু'কথা লিখবে, তার জন্য নাকি সময়ই নেই। এদিকে অন্য লোকের লেখা লাইন চুরি করে প্রেম করার সময় রয়েছে। এই ভাবে কোনও মতে মাস খানেক এগোতে না এগোতেই ব্রেকআপ। আজকাল তো হোয়াটসঅ্যাপই অনেকে ব্রেকআপ পর্ব সেরে ফেলেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রেমপত্র লেখার কথা বলছেন? একথা ঠিক যে ভিডিও কল আর হোয়াটসঅ্যাপের যুগে প্রেমপত্র লেখার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। কিন্তু এর গুরুত্ব যে এখনও কমেনি, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। একরত্তি চিঠির এমন কী গুরুত্ব শুনি? উত্তরটা জানার পরে আপনারও যে এক খান প্রেমপত্র লিখতে মন চাইবে, সে কথা হলফ করে বলতে পারি।

মনের কথা উজাড় করে বলতে হলে প্রেমপত্রই ভরসা

মেসেজে তো মনের ভাবটাই ঠিক মতো প্রকাশ পায় না, তাহলে প্রেমিক তা বুঝবে কীভাবে? এই কারণেই তো প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে এত ভুল বোঝাবুঝি হয়। একই কথা একবার সাদা পাতায় লিখে ফেলুন! দেখবেন, অনেক সহজ ভাবে মনের অনেক কথাই সাদা পাতাকে ভরিয়ে তুলুছে। তাছাড়া মনের ভাব খাতায়-কলমে যতটা সুন্দর ভাবে প্রকাশ করা যায়, ততটা যে মেসেজে করা যায় না, তাতে তো কোনও সন্দেহ নেই। তাই তো এক কালে প্রেমপত্রের এত কদর ছিল। আপনিও একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন। বেশি ভাবতে হবে না। মনে যা আসছে, তাই লিখে ফেলুন। ভাষার দিকেও খেয়াল রাখার প্রয়োজন নেই। শুধু যা বলতে চাইছেন, তা গুছিয়ে লিখতে পারছেন কিনা, সেটুকু খেয়াল রাখলেই চলবে। দেখবেন, সেই চিঠি যখন আপনার প্রেমিকের কাছে পৌঁছাবে, তখন ম্যাজিক ক্রিয়েট হবেই হবে! তাই তো আজও প্রেমপত্রের (love letter) বিকল্প খুঁজে পাওয়া দায়।

স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে

দীর্ঘ দিন প্রেম, তারপর বিয়ে হওয়ার পরে কোনও একদিন আপনার পার্টনার সেই বহুকালে আগে লেখা আপনার চিঠিগুলো পড়ে শোনালে কেমন লাগবে বলুন! গায়ে কাঁটা তো দেবেই। হোয়াটসঅ্যাপে লেখা মেসেজগুলি কি এইভাবে রাখতে পারবেন? মনে তো হয় না! এক না একদিন চ্যাট হিস্ট্রি ডিলিট হতে বাধ্য। আর যদি এমনি মেসেজ হয়, তাহলে তো কথাই নেই! আজকাল যে স্পিডে আমরা ফোন বদল করি, তাতে সেই সব প্রেমের মেসেজগুলি হারিয়ে যাওয়ারই কথা। তাই সম্পর্ক নিয়ে যদি সিরিয়াস থাকেন, তাহলে একটু কষ্ট করে চিঠি লেখার অভ্যাস করুন। দেখবেন, দু'জনের কাছেই তা স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে। তাছাড়া একবার ভাবুন তো লেটারবক্স খোলা মাত্র হঠাৎ করে নিজের নামে একটা চিঠি দেখে আপনার প্রেমিক একটু হলেও অবাক হবেন। তারপর যখন দেখবেন সেই চিঠিটা আপনার কাছ থেকে এসেছে, তখন কতটা আনন্দই না পাবেন! খুশির চোটে লাফিয়েও উঠতে পারেন। এই সবই কিন্তু মনের মণিকোঠায় থেকে যাবে। আর এই ভাবেই তো প্রেম তার গভীরতা খুঁজে পাবে। তাই দয়া করে ভিড়ের অংশ হবেন না প্লিজ!

নিজের মনও অনন্দে ভরে উঠবে

এতদিন যে সব ছোট ছোট ইমোশনগুলো (love) বলে উঠতে পারেন নি, সেগুলি যখন ধীরে ধীরে ভাষা খুঁজে পাবে, তখন দেখবেন অজান্তেই নিজের মনও আনন্দে ভরে উঠবে। প্রথমে তো বিশ্বাসই হবে না যে এই ভাবেও আপনি ভাবতে পারেন। প্রেমের চিঠি শুধু মনের কথাকে আর একজনের কাছে পৌঁছে দেয় না। নিজের মনকে বুঝে উঠতেও সাহায্য করে। খেয়াল করে দেখবেন অনেক সময়, অনেক কথাই প্রেমিককে বলা হয়ে ওঠে না। সে সব কথা চিঠিতে লিখে ফেলুন। আপনাকে নতুন ভাবে চিনতে পেরে পার্টনারেরও যে মন্দ লাগবে না, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই তো বলি, প্রেমের সম্পর্ককে আরও মজবুত করে তুলতে প্রেমপত্র যতটা জোরালো ভূমিকা নেয়, ততটা সাহায্য করা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা ভিডিয়ো কলের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই আর সময় নষ্ট না করে খাতা-কলম নিয়ে বসে পরুন। আর মন যা চায়, তাই লিখে ফেলে প্রেমিককে পাঠিয়ে দিন।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!