ঘরোয়া উপায়ে ভুঁড়ি কমানোর উপায় কী কী?

ঘরোয়া উপায়ে ভুঁড়ি কমানোর উপায় কী কী?

বাঙালিদের মধ্যিখানে ছোট্ট একটা ভুঁড়ি...। বাংলা ব্যান্ড চন্দ্রবিন্দুর সদস্যেরা এই লাইনটা লিখেছেন অনেকদিন আগেই। আর এতো ধ্রুব সত্য। মধ্যভাগের ওই ছোট্ট ভুঁড়ি (belly fat) নিয়ে কত অসুবিধেই তো হয় বলুন। কেউ মনমরা হয়ে যান। কেউ বা লাগাতার পেটের মেদ কমানোর চেষ্টা করেন। কেউ যোগব্যায়াম করেন। কেউ বা জিমে যান। আবার কেউ পেটের চর্বি বেশি হওয়ার কারণে কনফিডেন্সের অভাব বোধ করেন!

দেখুন, এটা কিন্তু ঘর ঘর কি কহানি। অর্থাৎ প্রতি বাড়িতেই এই সমস্যা রয়েছে। কেউ স্বীকার করেন। কেউ বা করেন না। সমাধানের উপায় নিয়েও কনফিউজড হয়ে যান অনেকে। কোনও আলাদা এফর্ট না দিয়ে বাড়িতে বসেই ঘরোয়া উপায়ে কি ভুঁড়ি কমানো সম্ভব? সম্ভব। এক বাক্যে উত্তর দেন ডায়েটিশিয়ান, চিকিৎসক, মনোবিদ, জিমের ট্রেনারের মতো নানা বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কীভাবে? আমরা সাধারণ কিছু ঘরোয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম। ইচ্ছে হলে ফলো করতে পারেন।  

১) সকালে খালি পেটে পাতিলেবুর জল খেলে যে মেদ কমে, তা তো আপনার অনেকেই জানেন। শরীরের যাবতীয় টক্সিন এতে বেরিয়ে যায়। এটা ফলো করার জন্য সত্যিই আলাদা কোনও এফর্ট দিতে হবে না আপনাকে। অথচ ভুঁড়িও কমবে।

২) রসুন ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। লেবুর জল খাওয়ার আগে যদি এক কোয়া করে রসুন রোজ খেতে পারেন, তাহলে ভুঁড়ি কমবে ম্যাজিকের মতো।

৩) ধনেপাতার রসও দ্রুত ফ্যাট কমায়। ধনেপাতার রস প্রতিদিন সকালে হালকা গরম জলে পাতিলেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলেও ভুঁড়ি কমবে দ্রুত।

৪) হালকা গরম জলে আদার কুচি ফেলে খেতে পারেন দিনের যে কোনও সময়। সেই সুবিধে না থাকলে আদার কুচি কাঁচা চিবিয়ে নিন। তাতেই উপকার পাবেন। আদা ফ্যাট কমায় প্রাকৃতিক ভাবে।

৫) গোটা জিরে সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই জল ছেঁকে একটা বোতলে নিয়ে নিন। বার তিনেক অল্প অল্প করে ওই জল খান। ভুঁড়ি তো কমবেই। দেহের অন্যান্য অংশের ফ্যাটও কমবে নিশ্চিত।

৬) রাতে ঘুমতে যাওয়ার অন্তত দেড় ঘণ্টা আগে ডিনার সেরে ফেলুন। তারপর নিজের কাজ করতে পারেন। শুতে যাওয়ার আগে হালকা পায়চারি। এতে আপনার খাবার হজম হবে। খাবার হজম না হওয়ার কারণে মেদ জমে শরীরে। ফলে হজম হওয়ার সময় দিলে ভুঁড়ি কমবে সহজেই।

৭) যদি নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারেন, তার থেকে ভাল আর কোনও অপশন নেই। সেটা সম্ভব না হলেও দিনের মধ্য়ে কিছুটা সময় পায়চারি, হালকা পায়ে হাঁটার চেষ্টা করুন। এক জায়গায় বসে কাজ করার অভ্যেস থাকলে তা বন্ধ করতে হবে আজই।

৮) খাবার সময়ের মধ্যে যেন দীর্ঘ সময়ের বিরতি না থাকে। অর্থাৎ দিনে তিনবার ভারী খাবারের জায়গায় পাঁচ, ছ'বার হালকা খাবার খান। আর সবথেকে বড় কথা আনন্দে থাকুন।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!