করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দি অবস্থাতেই বাড়ছে আপনার সেভিসং! কিন্তু কীভাবে? জেনে নিন

করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দি অবস্থাতেই বাড়ছে আপনার সেভিসং! কিন্তু কীভাবে? জেনে নিন

করোনা আতঙ্কে এখন আমরা সকলেই গৃহবন্দি (quarantine)। সারা ভারতে চলছে লকডাউন। অত্যাবশকীয় পণ্য কিনতে মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে হয়তো বেরচ্ছেন আপনি। আবার হতে পারে পরিবারের কোনও এক সদস্য বেরিয়ে কিনে আনছেন দরকারি জিনিস। 

হঠাৎ পাওয়া অবসর। যা চিন্তার। যা মন খারাপের। এর মধ্যে অনেকেই বাড়ি থেকে কাজ করছেন। ওয়ার্ক ফ্রম হোম। কারও বা সে উপায় নেই। কারণ কাজের ধরন যা, তাতে বাড়িতে বসে কাজ করলে চলবে। সকলেই এক অসহায় পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন। হতাশা বাড়ছে। কবে সব স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে যেমন চিন্তা রয়েছে, তেমনই স্বাভাবিক হওয়ার পর অর্থনৈতিক মন্দার কারণে পেশার জায়গাটা কতটা সুরক্ষিত থাকবে, তা নিয়েও চিন্তা কাটছে না।

সোশ্য়াল মিডিয়া তো বটেই, অন্যান্য ভাবেও বিশেষজ্ঞরা মন ভাল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তার নানা উপায় রয়েছে। কিন্তু আমরা আপনাকে বলতে পারি, এভাবে গৃহবন্দি থাকার ফলে আপনার সেভিংস হচ্ছে অনেকটাই। সেটা একবারও ভেবে দেখেছেন?

 

১) এখন বাড়ি থেকে বেরচ্ছেন না। ওয়ার্ক ফ্রম হোম। ফলে প্রতিদিন অফিস যাওয়া-আসা বাবদ খরচ হত আপনার। সেটা এখন পুরোটাই সেভিংস। আপনি হয়তো মেট্রো বা ট্রেনে করে অফিসে যান। কোনও কোনও দিন প্রয়োজন এবং ইচ্ছে বলে ওলা, উবের। তাতে আবার খরচা বেশি। আবার কেউ বা নিজের গাড়িতে অফিস যেতেন। এই পুরো খরচটাই একন বেঁচে যাচ্ছে।

২) নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিয়ে প্রতি মাসেই প্রত্যেকেই কিছু না কিছু শখের জিনিস কেনেন। অ্যাকসেসরিজ, জুতো, মেকআপের সামগ্রী, পোশাক, বাড়ি সাজানোর জিনিস- এমন হরেক জিনিসের কোনও না কোনও একটা প্রত্যেকেই কেনেন। কিন্তু এখন সে সব বন্ধ। ফলে এই খরচটাও আপনার সেভিংসের খাতায়।

৩) এবার ভাবুন খাবারের কথা। এই মুহূর্তে আপনার যতটুকু রসদ রয়েছে, তা দিয়ে চালাতে হবে। ফলে বাড়িতে ভাল-মন্দ রান্নার প্রশ্ন নেই। তাই মাঝেমধ্যেই নানা রকম খাবার খাওয়ার ইচ্ছেটা আপাতত মুলতুবি রাখতে হচ্ছে। ফলে বাজার খরচ কম।

৪) খাবারের ক্ষেত্রে আরও একটা দিক থেকে আপনি সেভিংস করছেন। ভেবে দেখুন তো, গোটা মাসে অন্তত তিন-চারদিন তো বাইরের খাবার খান আপনি। কখনও বা অফিসে লাঞ্চ আনিয়ে নেন বাইরে থেকে। সে সব বাবদ ফুড বিল কিন্তু বেড়েই চলে। এই সময়টা এ সব বন্ধ। সবটাই সেভিংস।

৫) ইমপালসিভ পারচেজ। এই শব্দটার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। অর্থাৎ যে জিনিসটা প্রয়োজন নেই, অথচ দেখতে ভাল লাগছে, এমন কিছু কিনে ফেলার প্রবণতা কিন্তু অনেকেরই থাকে। অফিস ফেরত ফুটপাতে দেখলেন রঙিন বোতল, প্রয়োজন না থাকলেও কিনে ফেললেন। আবার একদিন দেখলেন সুন্দর মোমদানি, এটাও কিনে ফেললেন হঠাৎই। এই সব এখন বন্ধ। ফলে বিন্দু বিন্দু করে সে সব জমা হচ্ছে আপনার সেভিংস। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!