লকডাউনে বাড়িতে থেকে মোটা হয়ে যাচ্ছেন? ব্যায়াম না করেও কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন?

লকডাউনে বাড়িতে থেকে মোটা হয়ে যাচ্ছেন? ব্যায়াম না করেও কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন?

করোনা আতঙ্কের মধ্যে এখন দিন কাটছে গোটা বিশ্বের। কেউই ব্যতিক্রম নন। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চলছে লকডাউন (lockdown)। ফলে পরবর্তী পরিস্থিতি কী হবে, ভবিষ্যতে চলবে কীভাবে তা নিয়েও চিন্তা রয়েছে সব মহলে। গৃহবন্দি অবস্থায় স্বাভাবিক রুটিনে থাকতে পারছেন না অনেকেই। নিয়ম মতো শরীরচর্চা বা ডায়েট ফলো করা যাচ্ছে না। ফলে ওজন (Weight) বাড়ছে। কীভাবে লকডাউন পিরিয়ডেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তা নিয়েই এই প্রতিবেদনে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম আমরা। 

১) প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় নুনের পরিমাপ কমাতে হবে। অতিরিক্ত নুন ফ্যাট বাড়ায়। আলাদা করে ওয়ার্ক আউট না করলে, মেপে নুন খাওয়াটা মাস্ট।

২) ব্যালান্স ডায়েট ফলো করার চেষ্টা করুন। এখন প্রয়োজনীয় সবজি বা ফল হয়তো অনেকেরই মজুত নেই। বাড়িতে যেটুকু রয়েছে, তার মধ্যে থেকেই পুষ্টিকর অথচ সুস্বাদু কোনও প্রিপারেশন তৈরি করে ফেলুন। সম্ভব হলে ঘরে পাতা দই খান প্রতিদিন।

৩) মানসিক স্ট্রেসের কারণে অনেকের মধ্যেই বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। আপনি নিজেও হয়তো বুঝতে পারছেন, যে সময় যে জিনিসটা খাচ্ছেন, তা কিন্তু খিদে পেয়েছে বলে নয়। বরং অনেকটাই ইচ্ছে করছে বলে। এই ইচ্ছেতে লাগাম পরাতেই হবে। কারণ এতে যএমন একদিকে আপনার ওজন বেড়ে যাচ্ছে, তেমনই মজুত করা রসদও ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত।

৪) জল মেপে খাওয়ার অভ্যেস করুনয। দিনে তিন থেকে চার লিটার জল খেতেই হবে। এতে আপনার ইমিউনিটি বাড়বে। করোনার মোকাবিলা করার জন্য যা একান্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

৫) স্বাভাবিক রুটিন একদম ঘেঁটে ফেলবেন না। অর্থাৎ আপনার যদি স্বাভাবিক সময় সকাল আটটায় ওঠার অভ্যেস থাকে, লকডাউনে সেটা বেলা বারোটা করবেন না। এতেও খাওয়ার সময়ের গন্ডগোল হয়। ভুল সময়ে ভুল খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। যার ফলে ওজন বাড়তে পারে। 

৬) দিনের বিভিন্ন সময়ে না ঘুমিয়ে রাতে ঘুমনোর চেষ্টা করুন। দুপুরে বা বিকেলে ঘুমলে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয় বা ঘুম হয় না। পর্যাপ্ত ঘুম না হলেও কিন্তু ওজন বাড়ে।

৭) নিজেকে কোনও না কোনও ভাবে ব্যস্ত রাখুন। যদি বাড়ি বসে অফিসের কাজ করেন, তাহলে সেটাতে বেশ কিছুক্ষণ ব্যস্ত থাকবেন। আর সেই উপায় না থাকলে বাড়ির কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। ঘর মোছা, বাজন মাজার মতো শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করুন। আলাদা করে ওয়ার্কআউট না করলেও এতে কিছুটা উপকার হবে। 

৮) নেগেটিভ চিন্তা থেকে যতটা নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন, তত ভাল। নেগেটিভ চিন্তা অবসাদ নিয়ে আসা। যা কিন্তু ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!