লকডাউনের পর এই কাজগুলোর মধ্যে কোনটা পার্টনারের সঙ্গে প্রথমে করবেন?

লকডাউনের পর এই কাজগুলোর মধ্যে কোনটা পার্টনারের সঙ্গে প্রথমে করবেন?

করোনা আতঙ্ক এবং লকডাউনের (lockdown) জেরে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি আমরা অনেকেই। তার সঙ্গে রয়েছে অনিশ্চিত ভবিষ্য়তের চিন্তা। এতদিনের আগলে রাখা সম্পর্কগুলোও কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে। লকডাউনের সময় অনেক কাপল একে অন্যকে নতুন করে চিনতে পারছেন। নতুন করে বুঝতে পারছেন জীবনে কাছের মানষের প্রয়োজনীয়তা। কারও আবার সম্পর্কের তিক্ততা এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে লকডাউনের পরে হয়তো বিচ্ছেদের কথাও ভাবছেন অনেকে।

তবে যে কোনও পরিস্থিতিতেই পজিটিভ থাকা উচিত আমাদের সকলের। ভাল সময়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত। কিছু কাপলের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। লকডাউনের পরে প্রথম কোন কাজটা পার্টনারের (partner) সঙ্গে করতে চান, এই ছিল আমাদের প্রশ্ন। বেশিরভাগ কাপল যা উত্তর দিয়েছেন তা এই প্রতিবেদনে শেয়ার করলাম আমরা। দেখুন তো, আপনার ভাবনা এর সঙ্গে মেলে কিনা।

১) বহু দম্পতি পেশার প্রয়োজনে নিজের শহরের বাইরে অন্য শহরে থাকেন। কেউ বা একই শহরে বাবা-মায়ের থেকে আলাদা থাকেন। তাঁদের বেশিরভাগই লকডাউন পর্বের শেষে একসঙ্গে বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। দীর্ঘ সময় সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে থাকতে অসুবিধে হচ্ছে সকলেরই। বয়স্কদের সমস্য়া আরও বেশি। তাই লকডাউনের পরে একসঙ্গে বাবা-মায়ের কাছে কিছুদিনের জন্য যেতে চান অনেকে।

২) সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ। বাকি দুদিন বিশ্রাম। আর তার মধ্যে পার্টি মাস্ট। পার্টি মানেই বাইরে কোথাও, বড় রেস্তোরাঁয় যেতে হবে এমন নয়। হাউজ পার্টিতেও অভ্যস্ত বহু কাপল। এটাই তাঁদের এতদিনের চেনা রুটিন ছিল। সে কারণেই লকডাউনের পর পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমেই একটা হাউজ পার্টির আয়োজন করতে চান বহু কাপল। বন্ধুরা আসবেন সেখানে। একসঙ্গে হবে হুল্লোড়।

৩) করোনা আতঙ্ক এবং লকডাউনের এফেক্ট কোনও কোনও কাপলের উপর এতটাই পড়েছে যে তাঁরা লকডডাউন উঠে গেলেও বেশ কিছুদিন সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনটেন করতে চান। প্রয়োজন না থাকলে বাড়ির বাইরে বেরতে নারাজ তাঁরা। বাড়ি থেকেই করতে চান অফিসের কাজ। এমনকি মাস্ক পরা বা হাত ধোওয়ার মতো সাবধানতাও অবলম্বন করতে চান তাঁরা।

৪) কোনও কোনও কাপল আবার লকডাউনের সময়টা একসঙ্গে থাকতে পারছেন না। কেউ কেউ পুলিশ, চিকিৎসক, নার্স, সংবাদকর্মীর মতো পেশায় রয়েছেন। ফলে একদিকে কাজের ব্যস্ততা, অন্যদিকে সংক্রমণের আশঙ্কায় আলাদা থাকার পথ বেছে নিয়েছেন তাঁরা। আবার কারও ক্ষেত্রে ঘটনাটা একটু আলাদা। লকডাউনের আগে স্ত্রী হয়তো বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতে গিয়েছিলেন। লকডাউন শুরু হওয়াতে আর ফেরা হয়নি। ফলে আলাদা থাকতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। সেই সব কাপলরা একবাক্যে জানিয়েছেন, লকডাউন মিটে গেলে একসঙ্গে থাকতে চান তাঁরা।  

মূল ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!