শুধু খেলে নয়, ওটসের ফেসপ্যাক মাখলেও বাড়বে সৌন্দর্য

শুধু খেলে  নয়, ওটসের ফেসপ্যাক মাখলেও বাড়বে সৌন্দর্য

স্বাস্থ্য সচেতনতা বর্তমানে আমাদের রুটিনের অঙ্গ। ১৫-২০ বছর আগেও মানুষ যতটা স্বাস্থ্য সচেতন ছিলেন, এখন তার থেকে সচেতনতা কয়েকগুণ বেড়েছে। আর আপনিও যদি সেই তালিকায় পড়েন, তাহলে আপনার বাড়িতে ওটস (Oats) থাকাটা মাস্ট।

ওটস অনেকের পছন্দের খাবার। অনেকে আবার স্বাস্থ্যের কথা ভেবে পছন্দ না হলেও খেয়ে নেন। আর চটজলদি ব্রেকফাস্ট তৈরি করতে হলে ওটসের জুরি মেলা ভার।

ওটস শুধুমাত্র খেলেই উপকার, তা কিন্তু নয়। ওটসের বেশ কিছু বিউটি (beauty) বেনিফিটও রয়েছে। অর্থাৎ আপনার সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলতেও কাজে লাগাতে পারেন ওটস। সেটা কীভাবে সম্ভব, তা নিয়েই এই প্রতিবেদনে আলোচনার চেষ্টা করলাম আমরা।

প্যাক তৈরির সুবিধের জন্য ওটস পাউডার কিনে রাখতে পারেন। ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

১) রূপচর্চায় ওটস প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এর মধ্যে থাকা বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ই, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেল ত্বকের একজিমার মতো অসুখ সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

২) শুষ্ক এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ওটস অয়েল প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। ত্বকে জলের ভারসাম্য বজায় রাখে। বলিরেখা থেকে ত্বককে রক্ষা করে ওটস অয়েল।

৩) ওটসের মধ্যে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে ব্যাকটেরিয়ার বিনাশ ঘটায়। ত্বকের মরা কোষ উঠে যায়। ব্রণ বা যে কোনও রকমের দাগ, ছোপ থেকে ত্বককে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে ওটস।

৪) ওটসের মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি ত্বকের রক্ত চলাচল বাড়ায়। এর ফলে ত্বকের উপরিভাগে কোনও ডার্ক স্পট আসে না। 

৫) সূর্যের ইউভি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে বা সূর্যের তাপে ত্বকের কোনও অংশ পুড়ে গেলে ওটসের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ওষুধের মতো কাজ করে।

ওটস দিয়ে তৈরি কিছু ফেসমাস্কের হদিশ দেওয়ার চেষ্টা করলাম আমরা। ত্বকে অ্যাপ্লাই করুন, ভাল থাকবেন।

ব্রণর সমস্যা সমাধানে ফেসপ্যাক

অর্ধেক কাপ জলে অর্ধেক কাপ ওটস ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। ঠাণ্ডা হলে দেখবেন একটি মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। এবার ত্বকের যে সব জায়গায় ব্রণ হয়েছে, সেখানে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন। অন্তত ২০ মিনিট রেখে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতেই ব্রণর সমস্যার সমাধান হবে। সপ্তাহে অন্তত দুবার ব্যবহার করুন এই ফেসপ্যাক।

ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা সমাধানে ফেসপ্যাক

দুই টেবিল চামচ ওটস পাউডার, তিন টেবিল চামচ ইয়োগার্ট এবং অর্ধেক টেবিলচামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ নাকের উপরে, দুই পাশে, থুতনিতে এবং ত্বকের যে সব অংশে ব্ল্যাকহেডস রয়েছে, সেখানে লাগিয়ে রাখুন। মিনিট ১৫ রেখে শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে ঘষে তুলে ফেলুন। এরপর হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে নিলেই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যার সমাধান হবে।

ট্যান তোলার ফেসপ্যাক

তিন টেবিল চামচ ওটস পাউডারের সঙ্গে পরিমাণ মতো দই মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। ত্বকের যে সব জায়গায় সূর্য রশ্মি থেকে ট্যান পড়েছে সেখানে এই প্যাকটি লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে শুকিয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নেবেন। সপ্তাহে তিন বার এই প্যাক লাগালে ট্যান অনেকটাই দূর হবে।

মূল ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!