স্ট্রেস কমাতে প্রতিদিন মেনুতে রাখুন এই খাবার

স্ট্রেস কমাতে প্রতিদিন মেনুতে রাখুন এই খাবার

স্ট্রেস (stress) নিয়ে কম-বেশি আমরা সকলেই ভুক্তভোগী। নানা কারণে স্ট্রেস হতে পারে। এমনকি যে কোনও বয়সের মানুষ স্ট্রেসের শিকার হতে পারেন। গত কয়েক মাস ধরে যে পরিস্থিতিতে রয়ছে গোটা বিশ্ব, তাতে স্ট্রেস আসাটা খুব স্বাভাবিক। কীভাবে এর মোকাবিলা করবেন?

স্ট্রেস মোকাবিলায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আপনার বয়স, পেশা, ওজন অনেক কিছু বিচার করে তিনি পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু যদি নিজে বুঝতে পারেন আগে থেকেই যে আপনি স্ট্রেসের শিকার, তাহলে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন। আপনার ডায়েট হতে পারে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের হাতিয়ার।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার (food) প্রতিদিনের মেনুতে রাখলে সহজে স্ট্রেস কন্ট্রোল করতে পারবেন। আমরা সেই সব খাবারের একটা তালিকা তৈরির চেষ্টা করলাম। এর মধ্যে যতগুলো সম্ভব খাবার প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট শুরু করুন নিজেই।

 

ডার্ক চকোলেট স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টে উপকারী। ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

১) যে কোনও রকমের ফ্যাটি ফিশ খেতে হবে। এর মধ্যে থাকা ওমেগা থ্রি স্ট্রেস মোকাবিলায় দারুণ কাজ করে। ওমেগা থ্রি-র মধ্যে দুরকমের প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। ইপিএ এবং ডিএইচএ। এর মাধ্য়মেই স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ হয় এবং হেলদি ব্রেন তৈরি হয়।

২) ডিমের কুসুম স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের জন্য খুবই উপকারী। এর মধ্য়ে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে। ডিম এমনিতেই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। এর মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড সার্বিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাছাড়া মুড ভাল থাকে। ঘুম ভাল হয়। আপনি রিল্যাক্স থাকতে পারবেন। আপনার ব্যবহারেও পরিবর্তন আসবে।

৩) কুমড়োর বীজে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে। ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমাতেও কুমড়োর বীজ খুব উপকারী।

৪) ডার্ক চকোলেট খুব তাড়াতাড়ি স্ট্রেস কমাতে পারে। এর মধ্যে যে কোকো থাকে, তা আমাদের মুড ভাল করে দেয়। পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড এই দুই উপাদান আমাদের মস্তিষ্কের কোষ সতেজ রাখতে সাহায্য করে, স্ট্রেস কমায়। যে চকোলেটে ৭০ শতাংশ অথবা তার বেশি কোকো থাকে, সেটাই বেছে নিতে হবে। দ্রুত মুড ঠিক করে ডার্ক চকোলেট। স্ট্রেস একেবারে কমিয়ে দেয়।

৫) আপনি যদি ঘন ঘন অ্যাংজাইটি বা উদ্বেগে আক্রান্ত হন, আপনার দৈনিক ডায়েটে ইয়োগার্ট নিয়ে আসুন। উদ্বেগ থেকেই স্ট্রেসের জন্ম। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার ফলাফল বলছে কী যদি টানা চার সপ্তাহ দিনে দু’বার ইয়োগার্ট খায়, তার মস্তিষ্ক অনেক বেশি কাজ করে।

৬) স্ট্রেস কমাতে হলুদ খুব উপকারী। ভারতীয় প্রায় সব রকম রান্নায় হলুদের ব্যবহার বহু প্রাচীন। কখনও দুধের মধ্যে হলুদ দিয়ে খাওয়ার পরামর্শও দেন বিশেষজ্ঞরা। খেতে পারেন কাঁচা হলুদও। কিন্তু প্রতিদিনের ডায়েটে কোনও না কোনও ভাবে হলুদ রাখা মাস্ট।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!