সঙ্গী ডিভোর্সী হলে মনে রাখুন এই জরুরি বিষয়

সঙ্গী ডিভোর্সী হলে মনে রাখুন এই জরুরি বিষয়

সম্পর্ক কখনও খুব জটিল। কখনও আবার খুব সরলও। আসলে আগলে রাখতে জানতে হয়। হতেই পারে আপনার সঙ্গীর (partner) আগে কোনও সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ক গড়িয়েছে ডিভোর্স (divorce) পর্যন্ত। আপনার সঙ্গে নতুন করে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কীভাবে সামলাবেন? কয়েকটি সাধারণ পরামর্শ দিলাম আমরা। দেখুন তো আপনার কাজে লাগে কিনা।

১) যাকে ভালবেসেছেন, সেই মানুষটি হতেই পারেন এক বা দুই সন্তানের বাবা-মা। ভালবাসার মানুষের পাশাপাশি তাঁর সন্তানকেও ভালবাসতে চেষ্টা করুন। আপনাদের নিজস্ব সময় থাকবে নিশ্চয়ই, কিন্তু তার মাঝে তাঁর সন্তানকে অগ্রাহ্য করলে চলবে না! তিনিও তা চাইবেন না। নিজেরা একান্তে সময় কাটাতেই পারেন, কিন্তু আপনি যে তাঁর সন্তানকে আপনাদের মাঝে পছন্দ করছেন না, এমনটা যেন না হয়! কাজেই আপনার ক্ষেত্রে হবু সঙ্গীর সন্তানকে আপন করে নেওয়াই তাঁর মন জয় করার প্রথম পদক্ষেপ।

২) আপনার সঙ্গীর পাশাপাশি তাঁর সন্তানেরও পছন্দ-অপছন্দ জানাটা জরুরি। সঙ্গীর মতোই তাঁর সন্তানের সঙ্গে দেখা করার জন্য আলাদা সময় রাখুন। ধীরে সুস্থে তার ব্যাপারে জানুন, বুঝুন। হতে পারে প্রথম দেখাতেই বাচ্চাটির আপনাকে পছন্দ হল না। সেভাবে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করুন। কারণ সম্পর্ক এগোলে আপনার সঙ্গীর সন্তানেরও কিছু দায়িত্ব আপনাকে সামলাতে হবে। তাই আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, সেই দায়িত্ব নিতে আপনি তৈরি তো?

৩) আপনার সঙ্গী যদি তাঁর প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে সন্তানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কারণে যোগাযোগ রাখেন, তাহলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন না। এ ব্যাপারে আগে থেকেই দু’জনের স্পষ্ট ধারণা থাকা বাঞ্ছনীয়। হতে পারে আপনার সঙ্গী তাঁর প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক রাখতে চান। তাতেও আপত্তি যেন না থাকে, সেই বিষয়ে প্রথম থেকে পরিষ্কার থাকুন।

 

৪)  ভবিষ্যতে আপনিও যদি সন্তান চান, তাহলেও সঙ্গীর সঙ্গে আলোচনা করে নিন। কারণ দু’জনের সিদ্ধান্তের মর্যাদাতেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়।

৫) প্রত্যেক সম্পর্কেরই কিছু চাহিদা থাকে। বিভিন্ন সম্পর্কের নিরিখে তা আলাদা হয়ে যায়। ফলে আপনার এবং আপনার সঙ্গীর সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক চাহিদা সম্পর্কে নিজেরা সচেতন থাকুন।

৬) সঙ্গীর প্রাক্তনকে নিয়ে এমন কোনও কথা বলবেন না, যাতে তাঁর খারাপ লাগতে পারে। এমনকি আপনার সঙ্গী যদি কোনও বিদ্বেষমূলক আলোচনা করতে চান, সেটা থেকেও বিরত থাকুন। কারণ ওঁদের সম্পর্ক এক সময় তো ভাল ছিল। সেটা নিয়ে পরে পোস্টমর্টেম করার কোনও মানে হয় না।

৭) আপনাদের বন্ধুদের মধ্যে আপনাদের সম্পর্ক নিয়ে যদি আলোচনা হয়, তা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। অথবা আপনারা যে নতুন সম্পর্কে খুশি তা স্পষ্ট করে দিন।

৮) নতুন সম্পর্ক, নতুন করে শুরু করুন। সঙ্গীর প্রাক্তনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় কে দায়ী তা আলোচনায় নিজেদের সময় নষ্ট করবেন না।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!