এই ৪টি শর্ত মেনে চললেই আপনার সম্পর্ক থাকবে সুন্দর!

এই ৪টি শর্ত মেনে চললেই আপনার সম্পর্ক থাকবে সুন্দর!

সব সম্পর্ক ভালো (healthy relationship) রাখার কয়েকটি ছোট ছোট শর্ত আছে। সেইগুলো যদি মেনে চলতে পারেন, আপনার প্রত্যেকটি সম্পর্কই সুন্দর থাকবে। আসলে সম্পর্ক শুরু করা হয়তো খুবই সহজ। কিন্তু সেই সম্পর্ক সারা জীবন একইভাবে ভালো রাখা একটু হলেও কঠিন। প্রায়ই মনমালিন্য, অভিমান সম্পর্কে দূরত্বও তৈরি করতে পারে। তবে কয়েকটি ছোট ছোট শর্ত যদি মেনে চলতে পারেন, তবে আপনার সম্পর্কও আপনার কাছে সহজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে। আসুন জেনে নিই কী কী মেনে চললে আপনার সম্পর্ক সুন্দর (healthy relationship) থাকবে...

সংযোগ বা কমিউনিকেশন

প্রত্যেক সম্পর্কে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কমিউনিকেশন বা সংযোগ। বেশিরভাগ সম্পর্কেই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয় মিস কমিউনিকেশনের কারণে। কমিউনিকেশনে ঘাটতির কারণেই কিন্তু তৈরি হয় দূরত্ব। সংযোগ ঠিক রাখার অন্যতম উপায় হল কথা বলা। আপনার পার্টনারের সঙ্গে কথা বলুন। কোনও কিছু খারাপ লাগলে সেই বিষয়ে জানান। সেভাবেই কোনও কিছু ভালো লাগলেও সেই বিষয়ে জানাবেন। ছোট বড় মুহূর্ত একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নিন। সব কথাই একে অপরকে জানান। সম্পর্ক ভালো থাকবে।

সম্মান

প্রতিটি সম্পর্কের যদি কয়েকটি ভিত ঠিক করা যায়, তবে সম্মান হল তার অন্য়তম ভিত। আপনার সম্পর্ককে সম্মান করতে হবে। ঠিক তেমনই সম্মান করতে হবে আপনার পার্টনারকেও। আপনার বিপরীতের মানুষটিকে যদি আপনি সম্মান করতে না পারেন, তবে সম্পর্কে একের পর এক সমস্যা তৈরি হবেই। আপনার সম্পর্কের প্রতি আপনার আচরণ এবং আপনার পার্টনারের সঙ্গে আপনার কথা বলার ধরনই বুঝিয়ে দেবে আপনি তাঁকে এবং আপনাদের সম্পর্ককে কতটা সম্মান করেন (healthy relationship tips) । মনে রাখবেন, যে সম্পর্কে একে অপরের প্রতি সম্মান নেই সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলেও তা আসলে সম্পর্ক নয়।

 

সম্পর্ক সুন্দর রাখতে পারেন আপনিই

বিশ্বাস

সম্পর্কের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিশ্বাস। এই ক্ষেত্রেও যেমন সম্পর্কের প্রতি আপনাকে আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে, একইভাবে আপার পার্টনারের প্রতিও আপনাকে বিশ্বাস রাখতে হবে। পার্টনারের প্রতি অবিশ্বাস আপনাদের সম্পর্কে ইনসিকিওরিটি তৈরি করবে। যা সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস না থাকলে সেই সম্পর্ক ভালো হতে পারে না(healthy relationship tips) । ছোট বিষয় নিয়ে একে অপরের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অশান্তি তৈরি হতে পারে।

ব্যক্তিগত পরিসর

প্রত্যেক মানুষের জীবনেই একটি ব্যক্তিগত পরিসর বা পার্সোনাল স্পেস থাকে। যে স্পেস তাঁর একান্তাই নিজের। খেয়াল করবেন, আপনার উপস্থিতি যেন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা তৈরি না করে। তাঁর প্রাইভেসিকে সম্মান করুন। পার্টনারের মোবাইল, ওয়ালেট, বই, ডায়েরি ইত্যাদি তাঁর ব্যক্তিগত জিনিস হতে পারে। তাঁর কোনও জিনিসে হাত দেওয়ার আগে তাঁকে একবার অবশ্যই প্রশ্ন করে নিন। একে অপরের প্রাইভেসিকে সম্মান করতে পারলে সেই সম্পর্কও ভালো থাকে। দীর্ঘস্থায়ী হয়।

POPxo এখন চারটে ভাষায়!ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন
#POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন
নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!