রূপচর্চা ও বিউটি টিপস

আয়ুর্বেদিক উপায়ে মুক্তি পান পিম্পল থেকে (Ayurvedic Treatment for Pimples In Bengali)

Upasana SarkarUpasana Sarkar  |  Mar 7, 2019
আয়ুর্বেদিক উপায়ে মুক্তি পান পিম্পল থেকে (Ayurvedic Treatment for Pimples In Bengali)

প্রথম ডেটে যাবে রিখিয়া। এ বারের ছেলেটিকে বেশ মনে ধরেছে। তাই প্রথম ডেটে কোনও খুঁত রাখতে চায় না ও। তার জন্য রীতিমতো একপ্রস্ত শপিং হয়ে গেছে আর পার্লারও হয়ে এসেছে। একটা ব্যাকলেস ব্ল্যাক গাউন পরবে বলে ঠিক করে রেখেছে। কিন্তু এত দিনের প্রস্তুতিতে জল ঢেলে ডেটে যাওয়ার তিন দিন আগে ওর গালের ঠিক মাঝখানে জাঁকিয়ে বসেছে একটা ব্রণ (acne)। তার পর থেকে তো ঘুম উড়েছে ওর। ব্রণ (pimples) তো তা-ও দু’দিনে সেরে গেলেও দাগ (acne scars) থেকেই যাবে। এই অবস্থায় রীতিমতো কান্না পাচ্ছে ওর। এখন কার কাছে যাবে ও? মনে মনে ভাবে, ওর ভাগ্যটাই খারাপ! গত বছর পুজোতেও ঠিক ষষ্ঠীর দিন সেই ব্রণর (pimples) দেখা। আবার ইয়ার এন্ডেও সেই এক গল্প! সেই সময় কোনও ভাবে তো ম্যানেজ করেছিল। কিন্তু এ বার তো ওর বহু আকাঙ্খিত সেই স্পেশ্যাল ডেট! শেষে কোনও উপায় না দেখে আগের বারের মতো ওর আদরের ঠাম্মির কাছেই যায় ও। ঠাম্মি নাকি আয়ুর্বেদিক (ayurvedic) পদ্ধতিতে ছোটবেলা থেকে রূপচর্চা করে আসছেন। আর সে সময় তো অত পার্লার-টার্লারও ছিল না। তা-ও কী সুন্দর ভাবে নিজেকে মেনটেন করত। আর এখনও ঠাম্মির স্কিনে (skin) একটা দাগ-ছোপ নেই। পুরো মাখনের মতো মসৃণ। ঠাম্মির ছোটবোনের কাছেও শুনেছে, কখনও ঠাম্মির স্কিনে (skin) নাকি একটা ব্রণও (acne) হয়নি! ঠাম্মি খালি হাসে, আর বলেন, “দিদিভাই, তোরা ওই সব পার্লার না কীসে যাস, ওখানে তো স্কিনের সাময়িক যত্ন হয়। স্কিনের (skin) দরকার ভিতর থেকে যত্ন।” কিছুতেই ঠাম্মিকে বুঝিয়ে উঠতে পারে না। তবে এ বার ও সত্যিই মানতে বাধ্য হয় যে, ঠাম্মিই ঠিক! ঠাম্মির বাতলে দেওয়া আয়ুর্বেদিক (ayurvedic) টোটকায় ওর ব্রণ (pimples) আর ব্রণর দাগ (acne scars)- দুইই গায়েব!

রিখিয়ার মতো প্রায় প্রত্যেক মেয়েই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আসছে। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধির পর থেকে শুরু হয় এই সমস্যাটা। এক-এক জনের তো প্রায় গোটা স্কিনই (skin) ব্রণয় ভরে ওঠে। আর তার থেকে ব্রণর দাগ (acne scars)। ফলে স্কিন (skin) আরও রাফ হয়ে যায়। আর স্বাভাবিক জৌলুসও অনায়াসে হারিয়ে ফেলে স্কিন (skin)! তাই যেটা করতে হবে, সেটা হল- বারবার ব্রণ হওয়া প্রতিরোধ করতে হবে। তাই সবার আগে জেনে নিতে হবে, ব্রণ (acne) কেন হয়।

ব্রণ (pimples) হওয়ার কারণগুলো

acne-acne scars-pimples

হরমোনঘটিত সমস্যা

অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন, পিরিয়ডসের সময় মুখে ব্রণ হয়েছে। আর পিরিয়ডস শেষ হলে সেটা দিব্যি গায়েব! তা হলে বুঝতে হবে যে, দেহে হরমোনের সমস্যা রয়েছে। আর তার জন্যই ব্রণর (ayurvedic) মতো সমস্যা হচ্ছে।

মুখ ধোয়া

আপনি কি অতিরিক্তি মুখ ধুচ্ছেন (washing face)? তা হলে সেটা এখনই বন্ধ করুন। কারণ এটাও ব্রণর (acne) অন্যতম কারণ! হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ত্বক (skin) পরিষ্কার থাকলে ব্রণ (acne) হবে না ভেবে অনেকেই কিছুক্ষণ পর পর মুখ ধুয়ে থাকেন, এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে যায়। তখন ত্বকে আরও বেশি তেল উৎপাদন হয়ে ব্রণ হয়। তাই নিয়ম করে মুখ পরিষ্কার (washing face) করুন। সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকে তিন থেকে চার বার মুখ ধোবেন। আর শুষ্ক ত্বকে অন্তত দু’বার করে মুখ ধোবেন।

অতিরিক্ত মেকআপ

অতিরিক্ত প্রসাধনী বা মেকআপ (make up) ব্যবহার ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ। কারণ এর মধ্যে ক্ষতিকর কেমিক্যালস থাকে। তাই কসমেটিক্স যত কম ব্যবহার করা যায়, ততই ভালো। আর করলেও ভাল কোম্পানির যেন হয়, সেই বিষয়ে খেয়াল রাখুন। আর শুধু কি তা-ই! ময়লা মেকআপ (make up) সরঞ্জামও ব্রণ হওয়ার একটা কারণ। তাই মনে করে দেখুন, শেষ কবে আপনি মেকআপ ব্রাশ ও স্পঞ্জ পরিষ্কার করেছেন? আপনি যখন যা-ই আপনার ত্বকে ব্যবহার করেন না কেন, তা অবশ্যই পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি। মেকআপের (make up) সরঞ্জামগুলো বারবার ব্যবহার করার ফলে এতে প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা থেকে ব্রণ হতে পারে। তাই মেকআপ সরঞ্জাম সব সময় পরিষ্কার রাখুন এবং ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন।

পরিবেশ দূষণ

রোজ এখানে সেখানে বেরোতে হয়। আর চার দিকে ধুলো ময়লার দাপট। আর যত দিন যাচ্ছে, দূষণের (pollution) মাত্রাও বাড়ছে। যা শরীররের পক্ষে তো বটেই, স্কিন-চুলের পক্ষেও ক্ষতিকর। আর দূষণও (pollution) ব্রণ (acne)  হওয়ার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। আসলে ভিটামিন-ই ত্বককে বাইরের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। তবে বায়ুদূষণ, পরিবেশ দূষণ (pollution) সেই ভিটামিন ই নষ্ট করে দেয়। আর এতে ত্বকের (skin) ক্ষতি হয়।

অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার

আপনি কি জাঙ্কফুড, ভাজাভুজি খেতে পছন্দ করেন? তা হলে মুশকিল। ব্রণ (pimples) ঘুরে-ফিরে আসবেই। তাই যতটা সম্ভব এই ধরনের তৈলাক্ত খাবার-ভাজাভুজি-তেলেভাজা এড়িয়ে চলুন।

 

ঘুমের সমস্যা

স্ট্রেস ও ঘুমের সমস্যাও কিন্তু ব্রণর বড় কারণ। তাই সব সময় টেনশন ও স্ট্রেস ফ্রি থাকতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা করে ঘুম প্রয়োজন। না হলে ব্রণ (pimples) হওয়ার চান্স থেকেই যায়।

হেয়ার প্রোডাক্ট

চুলের যত্নের জন্য ব্যবহৃত প্রোডাক্টস কিন্তু ব্রণর সমস্যার একটি অন্যতম কারণ। কিছু হেয়ার প্রোডাক্টসে সিলিকন (silicone) ও তেল থাকে। যার কারণে দেহের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায় এবং ত্বকে সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা রোধ করার জন্য ওই হেয়ার প্রোডাক্টস ব্যবহার না করাই ভাল।

জামাকাপড়

লক্ষ্য রাখতে হবে, জামাকাপড়ের মেটেরিয়াল থেকে ব্রণ হচ্ছে কি না। অনেক সময় সিন্থেটিক জামাকাপড় পরার দরুন ব্রণর সমস্যা দেখা দেয়। তা হলে সিন্থেটিক কাপড় পরা বন্ধ করতে হবে। আর অন্য দিকে ময়লা তোয়ালে অথবা ময়লা বালিশের কভার থেকেও ব্রণ (acne) হতে পারে। তাই কয়েক দিন অন্তরই বদলাতে হবে সেগুলো।

স্কিন কেয়ার রুটিন

সারা দিনের কাজের পর আর শরীর চলে না। কোনও রকম জামা চেঞ্জ করে ঘুমিয়ে পড়ছেন? ঠিক করে স্কিন পরিষ্কার করছেন না। আবার সকালে উঠেও বেরোনোর তাড়া। তখনও ঠিক মতো স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করার সময় হয় না। তা হলে সেটাও কিন্তু ব্রণ হওয়ার বড় কারণ! প্রতিদিন স্কিনকে (skin) নূন্যতম সময় দেওয়া উচিত। যেমন- সকালে উঠে আর রাতে ঘুমোনোর আগে ত্বক পরিষ্কার করা। তার পরে ময়েশ্চারাইজ করা। এই রুটিন নিয়মিত ফলো করলে ব্রণর (acne) সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

ayurvedic face pack for pimples

এ সব তো গেল ব্রণ (acne) হওয়ার সম্ভাব্য সব কারণ। এগুলো এড়িয়ে চললেও অনেক সময় ব্রণ হয়ই। সে ক্ষেত্রে কী করণীয়। পার্লারে গিয়ে অথবা মেকআপ করেও ঢাকা যায় না ব্রণ অথবা ব্রণর দাগ (acne scars)। তবে আয়ুর্বেদিক (ayurvedic) উপায়ে রুখে দেওয়া যায় ব্রণর (pimples) সমস্যা।

আয়ুর্বেদিক উপায়ে ব্রণ দূর করার উপায়

তুলসি

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে (ayurvedic) তুলসি হল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর যে কোনও সমস্যায় এর গুণাগুণ তো আমরা ছোট থেকে শুনে শুনে বড় হয়েছি। ব্রণর সঙ্গে যুঝতে এর জুড়ি মেলা ভার। এক কাজ করতে পারেন, কয়েকটা তাজা তুলসি পাতা নিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে বেটে রসটা বার করে নিন। এ বার তুলসি পাতার ওই রসটা ব্রণর (pimples) জায়গায় মাসাজ করুন। ১৫-২০ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আমলকি

amla

আমলকি আমাদের স্কিন-চুল উভয়ের জন্যই দারুণ। যে সব ব্যাকটেরিয়ার কারণে ব্রণ হয়, সেগুলোকে ধ্বংস করতে সক্ষম আমলা। আর দাগও দূর করতে পারে। তাই আমলকি দিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এ বার সেটা আপনার মুখে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।

মধু

honey

স্কিন আর চুলের যত্নে মধুর গুরুত্ব তো আপনারা জানেনই। এটা একটা ঘরোয়া, প্রাকৃতিক উপাদান। আর ব্রণ এবং ব্রণর দাগ দূর করতে তো মধুর মতো কিছু নেইই। তাই কয়েক ফোঁটা মধু ব্রণ আর ব্রণর দাগের উপর মাসাজ করুন। ৫-১০ মিনিট পরে তা ধুয়ে ফেলুন। এটা রোজ করলে খুব শিগগিরিই ভাল ফল পাবেন।

হলুদ

turmeric

হলুদ হল অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল আর অ্যান্টি-ফাংগাল আয়ুর্বেদিক (ayurvedic) উপাদান। শুধু তা-ই নয়, এটা অ্যান্টি-অ্যালার্জিকও বটে! আপনার স্কিন পোরস থেকে বিষাক্ত ও দূষিত পদার্থ বার করে দেয়। হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে অল্প জল মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি মুখে লাগিয়ে রাখুন। আর যাঁদের শুষ্ক ত্বক, তাঁরা ওই পেস্ট বানানোর জন্য জলের বদলে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এই পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।

নিম পাতা

নিম পাতাও খুবই জনপ্রিয় আয়ুর্বেদিক (ayurvedic) উপাদান। বিশেষ করে ব্রণর (pimples) ট্রিটমেন্টে তো খুবই ভাল। ১০টা মতো নিম পাতা নিন। এ বার সেগুলোকে ফুটিয়ে বেটে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। সেই পেস্ট ব্রণর জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুৃছে শুকিয়ে নিন।

লেবু

lemon-slice-fi

লেবুর মধ্যে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ব্রণর সমস্যা রুখতে দারুণ উপাদান। আর মুখ পরিষ্কার করারও সব থেকে সহজ উপাদান হল লেবু। রাতে শুতে যাওয়ার আগে  কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ব্রণয় লাগিয়ে রাখুন। এটা শুধু আপনার ব্রণ দূর করবে না, তার পাশাপাশি আপনার স্কিনকে পরিষ্কারও রাখবে।

ত্রিফলা

ত্রিফলাও স্কিনের জন্য অত্যন্ত উপকারী আয়ুর্বেদিক উপাদান। আসলে এটা আপনার পুরো শরীরকে ডিটক্স করার ক্ষমতা রাখে। শরীরের মধ্যে থাকা সমস্ত দূষিত পদার্থ বার করে দেয়। খারাপ জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে এবং ব্রণর সমস্যা রুখে দেয়। গরম জলে এক চা-চামচ ত্রিফলা গুলে নিন। প্রতিদিন সকালে উঠে খালি পেটে ওই ত্রিফলার জল পান করুন।

লাউ

স্বাস্থ্যের যত্নে লাউ তো বিশেষ উপকারী সবজি। কারণ এর মধ্যে রয়েছে হাই ওয়াটার কন্টেন্ট। যা আপনার শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, স্কিনেরও যত্ন করে। এটা আপনার বডি সিস্টেমকে পরিষ্কার রাখে। ব্রণর সমস্যা রোধ করে। আপনাকে মসৃণ ও সুন্দর ত্বক দেয়। একটা লাউ নিন। এ বার লাউয়ের বাইরের খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে নিন। এ বার ছোট ছোট টুকরো করে লাউটা কেটে নিন। একটা ব্লেন্ডারে দিয়ে রসটা বার করে নিন। তার মধ্যে এক চিমটি নুন মিশিয়ে পান করুন।

আলু

potato

আলু তো স্কিনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিশেষ করে ব্রণর সমস্যা ও জীবাণুর সঙ্গে যুঝতে খুবই কার্যকর। আর তার সঙ্গে স্কিনে একটা ন্যাচারাল গ্লো-ও এনে দেয় আলু। আলু চাকা চাকা করে পাতলা স্লাইসে কেটে ফেলুনষ এ বার স্লাইস নিয়ে মুখে মাসাজ করতে থাকুন। তবে মুখের আলাদা আলাদা অংশে আলাদা আলাদা স্লাইস ব্যবহার করতে হবে। না হলে কিন্তু ব্যাকটেরিয়া ছড়াবে।

পেঁপে

papaya

স্কিনের জন্য এবং স্বাস্থ্যের জন্য পেঁপে তো খুবই উপকারী। বিশেষ করে ব্রণ দূর করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদিক উপাদান। পেঁপের পেস্ট আপনার মুখের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনবে। ব্রণ ও ব্রণর দাগও দূর করবে। প্রথমে মুখটা পরিষ্কার করে নিন। তার পর পরিষ্কার-নরম তোয়ালে দিয়ে মুখটা মুছে শুকনো করে নিন। এ বার পেঁপের ওই পেস্ট মুখে লাগিয়ে নিন। ওই মাস্ক ২০-২৫ মিনিট রেখে ইষদুষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। রোজ এই রুটিন ফলো করলে ব্রণর সমস্যা দূর হবে।

ধনে পাতা-দারচিনি

ধনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান। যা ব্রণ প্রতিরোধ করে। এক গোছা ধনে পাতা নিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে রস করে নিন। এ বার তার মধ্যে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে একটা পরিষ্কার জারে ভরে রেখে দিন। প্রতিদিন দু’বার এক চা-চামচ করে ওই মিশ্রণ পান করুন।

পেয়ারা পাতা-আম পাতা

ভাবছেন, পেয়ারা পাতা আর আম পাতা দিয়ে কী হবে? আসলে কিন্তু এই দুই পাতা আপনার স্কিনের (skin) পক্ষে ভাল। কী ভাবে? আম আর পেয়ারা পাতা আপনার স্কিনে ব্রণর দাগ (acne scars) সারিয়ে তোলে। তা ছাড়াও স্কিনকে এক্সফোলিয়েট করে মড়া চামড়া দূর করে। ২-৩টে আম পাতা আর পেয়ারা পাতা নিয়ে নিন। এ বার পাতাগুলি ব্লেন্ডারে দিয়ে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এ বার মুখে লাগিয়ে রাখুন আধ ঘণ্টামতো। তার পর ওই মাস্ক ধুয়ে ফেলুন মুখ ভাল করে মুছে ফেলুন।

ছবি সৌজন্যে: ইউটিউব

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং বাংলাতেও!

এগুলোও আপনি পড়তে পারেন

এলোভেরার ১২ টি বিশেষ উপকারিতা ও গুণাগুণ