Advertisement

রূপচর্চা ও বিউটি টিপস

ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুলে কী কী উপকার জানেন?

Swaralipi BhattacharyyaSwaralipi Bhattacharyya  |  Jul 29, 2020
ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুলে কী কী উপকার জানেন?

Advertisement

ত্বকের (skin) যত্ন নিন। না! এই বাক্য়টা শুধুমাত্র আর বাংলা ব্যান্ড চন্দ্রবিন্দুর-র গানের কথায় আটকে নেই। এ গান যেমন আম বাঙালি গেয়েছে, তেমনই বাস্তবিকই ত্বকের যত্ন নিতেও শিখেছে। এ তো ঘর ঘর কি কহানি। সৌন্দর্য ধরে রাখার চাবিকাঠিই তো রয়েছে যত্নে।

ত্বকের যত্নের প্রসঙ্গে এলেই অনেকে ভাবেন, দামি দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হবে। তবেই ফিরবে ত্বকের জেল্লা। কারও হয়তো ততটা দামি প্রোডাক্ট কেনার আর্থিক সঙ্গতি নেই। কেউ বা অনেক প্রোডাক্ট একসঙ্গে কিনে ফেলেন, কিন্তু ব্যবহার করা হয় না।

আসলে এই ধারণাটা ভিত্তিহীন। হ্যাঁ, ত্বক ভাল রাখতে কিছু প্রোডাক্ট জরুরি ঠিকই। কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যেও ত্বক ভিতর থেকে ভাল রাখতে পারবেন। শুধুমাত্র জল দিয়েই ত্বকের নানাবিধ উপকার নয়। পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলের (cold water) অভাব তো কারও বাড়িতে নেই। ফলে আপনার বাড়ির জল দিয়েই কীভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন, এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম আমরা।

ঠাণ্ডা জলে মুখ ধোওয়ার অভ্যেস থাকলে বলিরেখা সহজে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

১) অনেক সময় হালকা গরম জলে মুখ (face) ধোওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। নির্দিষ্টি কিছু ত্বকে অ্যাপ্লাই করার পর হালকা গরম জলে মুখ ধোওয়ার প্রয়োজন নিশ্চয়ই হয়। কিন্তু সাধারণ ভাবে মুখ পরিষ্কার করার জন্য ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করুন। এতে ত্বক উজ্জ্বল এবং মোলায়েম হবে। ত্বকের টেক্সচার ব্যালান্স করতেও ঠাণ্ডা জলে মুখ ধোওয়া ভাল।

২) সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর দেখবেন, অনেকের চোখ ফুলে থাকে। চোখের ফোলা ভাব কিছুক্ষণ পর্যন্ত থাকে। এর বিভিন্ন কারণ রয়েছে। বয়সজনিত সমস্যা, জিনগত সমস্যা, অ্যালার্জি, ট্রমা, ঘুম কম হওয়া, শরীরে জল কমে যাওয়ার মতো সমস্যায় চোখের এই ফোলা ভাব তৈরি হয়। ঘুম থেকে উঠে ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। প্রতিদিন এই অভ্যেস থাকলে ধীরে ধীরে কমবে চোখের ফোলা ভাব।

৩) ত্বকের বলিরেখা দূর করার জন্য নিশ্চয়ই দামী দামী স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন আপনি। ঠাণ্ডা জল কিন্তু এক্ষেত্রে আপনার বন্ধু হতে পারে। দিনে অন্তত তিনবার ভাল করে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধোওয়ার অভ্যেস থাকলে বলিরেখা সহজে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

৪) ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুলে ত্বকের বিভিন্ন কোষ টাইট হয়ে যায়। ত্বক বুড়িয়ে যায় না। প্রাকৃতিক ভাবে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির মোকাবিলা করার ক্ষমতা তৈরি হয়।

৫) লোমকূপ উন্মুক্ত রাখা ত্বক ভাল রাখার প্রধান শর্ত। লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে ভিতরে জমে থাকা ময়লা বেরতে পারে না। ত্বক ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুলে সব সময় লোমকূপের মুখ পরিষ্কার হয়ে যায়।

৬) ত্বককে ভিতর থেকে ভাল রাখার জন্য যেমন প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা, তেমনই ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুলে সতেজ এবং তারুণ্যে ভরপুর ত্বক পাবেন আপনি। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!