Advertisement

চুলের যত্ন নিয়ে নানা টিপস

রং করা চুলের যত্ন কীভাবে নেবেন? কোন শ্যাম্পু আপনার পক্ষে ভাল? রইল ১০টি সাজেশন

Swaralipi BhattacharyyaSwaralipi Bhattacharyya  |  Dec 12, 2019
রং করা চুলের যত্ন কীভাবে নেবেন? কোন শ্যাম্পু আপনার পক্ষে ভাল? রইল ১০টি সাজেশন

Advertisement

রঙিন (color) চুল (Hair)। চলতি হাওয়ায় এটাই তো ফ্যাশন ট্রেন্ড। আপনি চুলবুলি চেস্টনাট করাতে পারেন। বাকি সব ট্রেন্ডের তুলনায় এই স্টাইলটা করাতে খুব একটা সাহসের প্রয়োজন পড়বে না। যে কোনও সময় করিয়ে ফেলতে পারবেন। চুলের নীচের অংশ এবং কিছু স্ট্র্যাটেজিক জায়গায় চেস্টনাট রং করাতে পারেন। বাকি চুলটা কালো রাখলে সবচেয়ে ভাল ফুটবে। তবে ডার্ক ব্রাউন বা লাইট ব্রাউনের সঙ্গেও মন্দ দেখাবে না। আবার হাফ অ্যান্ড হাফ ট্রেন্ডও জনপ্রিয়। সাধারণত লোকে মাথার একদিকে হালকা রং করালে অন্য দিকটায় কন্ট্রাস্টিং গাঢ় রং করিয়ে থাকেন। যেমন নিকি মিনাজের ব্লন্ড আর ইলেকট্রিক ব্লু। কিন্তু এতটা বোল্ড স্টেটমেন্ট অপছন্দ হলে কমপ্লিমেন্টিং রংও করাতে পারেন। 

কেটি পেরির মতো গাঢ় বেগুনি রং যদি করিয়ে ফেলতে পারেন, তাহলে কিন্তু কেল্লা ফতে! এজি স্টাইলও হবে, আবার খুব একটা বেমানান বা ‘ওয়াইল্ড’ও লাগবে না। ঘন চুলে গাঢ় বেগুনি রং অনেক সময় কালোর মতোই দেখায়। তাই চট করে কারও চোখে পড়বেন না। তবে সাহস থাকলে আরেকটু হালকা বা নিয়ন পার্পল করতেই পারেন। আবার রেচেল ম্যাকঅ্যাডাম্‌সের মতো অল্প কিছু চুলে গোলাপি স্ট্রিক্‌স করাতে পারেন। এলোমেলো চুলেও দারুণ দেখাবে। যাঁদের আন্ডারকাট রয়েছে, তাঁরা শুধু আন্ডারকাটে এই রং করাতে পারেন।

চুলে রং করলে চুলের ক্ষতি হয় আর রং করা চুলে তেল দিলে রং ফিকে হয়ে যেতে পারে। এই সব অনেক মিথ রয়েছে। অনেকে মনে করেন রং করলে চুলের ঘনত্ব কমে যায়, আসলে কিন্তু রং করার পরে প্রতিটি চুল আগের তুলনায় মোটা আর পরিপূর্ণ দেখায়। রং করার জন্য যে লাইটেনিং এজেন্ট ব্যবহার করা হয়, তা আসলে কিউটিকলকে ফুলিয়ে দেয়, যাতে সহজে রং ধরানো যায়। কালার করলে চুলের প্রথম দুটি লেয়ারের রং-এ পরিবর্তন আসে এতে করে চুলের প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।

রং যাতে তাড়াতাড়ি ফিকে না হয়ে যায় বা চুলে যাতে চকচকে ভাব আর আর্দ্রতা ঠিকঠাক বজায় থাকে, তার জন্য এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন, যেগুলি বিশেষভাবে রং করা চুলের জন্যই ফর্মুলা মেনে তৈরি। এতে ভবিষ্যতে আপনারই সাশ্রয় হবে। যদি খুব ভাল মানের চুলের রং ব্যবহার করেন, তা হলে নির্ভয়ে চুলের রং নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে যান। কেমন ভাবে যত্ন নেবেন, আর কোন ধরনের শ্যাম্পু (shampoo) ব্যবহার করবেন, তার হদিশ দেওয়ার চেষ্টা করলাম আমরা।

কীভাবে রং করা চুলের যত্ন নেবেন (Tips To Take Care Of Your Colored Hair)

Instagram

কখনো শকিং পিঙ্ক, কখনও হট রেড, কখনও বা গোল্ডেন ব্রাউন। এক এক সময় আপনি এক এক রকম রং করান চুলের। কিন্তু শুধু রং করলেই তো হল না, তার প্রকৃত যত্ন চাই। তা না হলে চুলের রং দীর্ঘস্থায়ী হবে না। একগাদা খরচ করে যে রং করিয়ে সাজলেন, তা পুরোটাই মাঠে মারা যাবে। সে কারণেই রং ককা চুলের প্রকৃত যত্ন কীভাবে নেবেন, সে বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। 

১) কালার করার ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত শ্যাম্পু করবেন না (After coloring, wait a full 72 hrs before shampooing )

রং করার পরই চুলের টেক্সচারে কিছু পরিবর্তন আসে। তৈরি হয় লেয়ার। তাই রং করার সঙ্গে সঙ্গেই শ্যাম্পু করলে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। লেয়ার ক্লোজ হতে অন্তত তিন দিন সময় লাগে। অর্থাৎ রং করার অন্তত ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত শ্যাম্পু করবেন না। তাহলে আপনার চুলের রং দীর্ঘস্থায়ী হবে।

২) সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন (Use sulfate-free shampoo and conditioner)

চুলে রং করানোর পর অবশ্যই সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এর মাধ্যমে চুলে ফোমিং এফেক্ট আসবে। সালফেট ব্যবহার করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল এবং আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে চুলের রং বেশিদিন থাকে না। 

৩) কন্ডিশনারে ডাই ব্যবহার করুন (Add dye to your conditioner)

যদি পিঙ্ক, পার্পেল, ব্লুেয়ের মতো ব্রাইট রকিং কালার আপনি ইউজ করেন, তাহলে ওই একই ডাই কিছুটা আপনার কন্ডিশনরেও মিশিয়ে নিন। তারপর তা দিয়ে ধুয়ে নিন চুল। এর ফলে আপনার চুল রি-ডাই হবে। যতবার আপনি এভাবে চুল ধোবেন, ততবার ফ্রেশ রং করেছেন বলেই মনে হবে।

৪) শ্য়াম্পুর সময় জলের তাপমাত্রা কমিয়ে নিন (Turn down water temperature when shampooing)

Instagram

হালকা গরম জলে শ্যাম্পু করতে অনেকেরই ভাল লাগে। কিন্তু রং করা চুলের জন্য তা ভাল নয়। গরম জলে শ্যাম্পু করলে চুলের কিউটিকল ওপেন হয়ে যায়। এতে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনারের সঙ্গে রং ধুয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি একান্তই হালকা গরম জলে শ্যাম্পু করতে হয়, তাহলে কন্ডিশনার দেওয়ার পর অবশ্যই ঠাণ্ডা জলে চুল ধুয়ে নেবেন। এতে চুলের রং হালকা হয়ে যাবে না। আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

৫) চুল বারে বারে ধোবেন না (Wash hair less often)

প্রতিদিন চুল ধুয়ে ফেললে রং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। প্রতিবার চুল ধুলে যে শুধুমাত্র চুলের ময়লা পরিষ্কার হচ্ছে, এমন নয়। এতে চুলের রংও ধুয়ে যায়। তাই রং করালে একদিন অন্তর চুল ধুতে চেষ্টা করুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার চুল ধুলে তা সবচেয়ে ভাল।

৬) অফ ডে-তে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন (On off days, use dry shampoo)

অফ ডে-তে চুল পরিষ্কার করার জন্য কালার সেফ ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে একটা ফ্রেশ লুক আসবে। দেখে মনে হবে, কিছুক্ষণ আগেই আপনি চুলে রং করিয়েছেন। চুলের স্বাস্থ্যও এতে বজায় থাকবে পুরো মাত্রায়।

৭) লিভ ইন ট্রিটমেন্ট ট্রাই করুন (Use leave-in treatments to protect hair color when styling)

চুলে যে কোনও রকম রং করা মানেই প্রচুর পরিমাণে কেমিক্যালের ব্যবহার। তাই রং করানোর পর চুলের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। সূর্যের রশ্মি থেকে হওয়া ক্ষতি রুখতে এক্সট্রা হাইড্রেশন এবং প্রোটেকশনের প্রয়োজন হয়। রং করা চুলের যথেষ্ট পরিমাণে নিউট্রিশনও প্রয়োজন। লিভ ইন ট্রিটমেন্ট চুলকে স্মুথ এবং হাইড্রেট রাখে। সূর্যের রশ্মি থেকে বাঁচতে ইউভি প্রোটেকশনেরও কাজ করে। সর্বোপরি চুলের রং হালকা হতে দেয় না। 

৮) হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে ব্যবহার করুন (Use heat protectant spray before using hot tools)

Instagram

হিট যে কোনও অবস্থাতেই চুলের ক্ষতি করে। চুলে রং করা থাকলে সেই ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। সুতরাং ব্লো ড্রাই বা স্টাইলিংয়ের আহে হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে ব্যবহার করুন। এতে চুল ভেতর থেকে মজবুত হবে। আর্দ্রতা বজায় থাকবে। জলীয় বাষ্প থেকে চুলের ক্ষতি এতে আটকানো সম্ভব। চুল অনেক বেশি স্মুথও হবে।

৯) পরের বার রঙের জন্য চুলকে প্রস্তুত করুন ( Prepare your hair for next color process)

এবার ফের চুলকে রং করানোর জন্য প্রস্তুত করার পালা। চুলে রং করতে যাওয়ার ঠিক আগের দিন ক্যারিফাইং শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে আপনার চুলের অতিরিক্ত তেল বেরিয়ে যাবে। যার ফলে পরের দিন রং করলে তা পৌঁছবে চুলের গোড়া পর্যন্ত। 

১০) অ্যাভয়েড ক্লোরিন (Avoid chlorine)

ক্লোরিনের মধ্যে যে কেমিক্যাল বা ব্লিচিং মেটিরিয়াল থাকে তা চুলের রঙের খুব ক্ষতি করে। আর সুইমিং পুল পরিষ্কার করতে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়। ফলে চুলে রং করা থাকলে সুইমিং পুলের জল এড়িয়ে চলাই ভাল। কারণ সুইমিং পুলের ক্লোরিনযুক্ত জল চুলের রং হালকা করে দেয়। একান্তই সুইমিং পুলে নামতে চাইলে অবশ্যই সুইমার ক্যাপ পরে নিন। পুল থেকে উঠেই শ্যাম্পু, কন্ডিশনার দিয়ে স্নান সেরে নিন।

ড্রাই কালারড হেয়ারের বেস্ট শ্যাম্পু (Best shampoo for colored hair)

চুল ড্রাই হওয়ার অনেক সমস্যা। ভাল করে কোনও স্টাইলই আপনি করতে পারেন না, তাই তো? কিন্তু এর মধ্যেই আবার রং করিয়েছেন হয়তো। সেই রং করা চুলের জন্য কোন কোন শ্যাম্পু উপযোগী, তা জানা আছে? 

১) লরিয়াল প্যারিস কালার প্রটেক্ট শ্যাম্পু

এই শ্যাম্পু ব্যবহারের ফলে চুল ভিতর থেকে মজবুত হবে। সিল্কি এফেক্ট আসবে। বাইরের ধুলোর হাত থেকে চুলের রংকে রক্ষা করার জন্য পারফেক্ট। 

২) উইলা ইনভিগো

পরিমাণে অল্প নিলেই এই শ্যাম্পু কাজ করে দারুণ। যে কোনও ধরনের চুলের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়। তবে ড্রাই হেয়ারে কালার থাকলে তার ভাল প্রোটেকশন হতে পারে আপনার এই অপশনটি। 

৩) রেভলন কালার প্রটেকশন শ্যাম্পু

এই শ্যাম্পুর ভিতরে থাকা ময়শ্চার চুলকে স্মুথ করে। সফট, শাইনি, হেলদি লুকিং চুল পেতে ব্যবহার করতে পারেন এই শ্যাম্পু। পাশাপাশি রঙের যে নিজস্ব ঔজ্জ্বল্য তা বজায় রাখে পুরোমাত্রায়। 

৪) ট্রেসামি কেরাটিন স্মুথ শ্যাম্পু

এই শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর তিন দিন পর্যন্ত চুল থাকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। ১০০ শতাংশ স্মুথ এবং সাইন পাবেন আপনি। ভারতীয় চুলের টেক্সচার অনুযায়ী তৈরি এই শ্যাম্পু ব্যবহারও করা যায় খুব সহজেই। 

৫) বায়ো সোয়া প্রোটিন ফ্রেশ নারিশিং শ্যাম্পু

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে গেলে এই শ্যাম্পু ব্যবহার করে দেখতে পারেন। একেবারেই শুষ্ক চুলের জন্য আদর্শ। চুলের রঙের কারণে যে ক্ষতি হয়, তার হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে সম্পূর্ণভাবে। 

রং করা তৈলাক্ত চুলের বেস্ট শ্যাম্পু (Best shampoo for colored hair)

আপনার চুল কি তৈলাক্ত ধরনের? তা বলে কি স্টাইল করবেন না? নিশ্চয়ই রং করিয়েছেন। কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করলে উপকার পাবেন, জেনে নিন। 

১) সুপার স্ফট কালার শাইন শ্যাম্পু

চুলের রং যাতে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত ধরে রাখা যায়, তার জন্যই যাবতীয় প্রয়োজনীয় উপাদান দিয়ে তৈরি এই শ্যাম্পু। রঙের মধ্যে কেমিক্যাল থাকার কারণে চুলের যে ক্ষতি হয়, তাও আটকানোর ক্ষমতা রয়েছে এই শ্যাম্পুর মধ্যে। সুতরাং দেরি না করে আজ থেকেই ব্যবহার শুরু করতে পারেন। 

২) কোকোনাট মিল্ক শ্যাম্পু

কোকোনাট মিল্ক দিয়ে বিশেষ ফরমুলায় তৈরি এই শ্যাম্পু চুলের স্বাস্থ্যের ব্যালান্স বজায় রাখে। সুপার স্ফট এবং গ্লোয়িং এফেক্ট আসে চুলে। এর ক্রিমি এফেক্ট চুলের ময়শ্চারাইজারের জোগান দেয়। ফলে রং করা চুলের জন্য এক কথায় পারফেক্ট। 

৩) লরিয়াল প্যারিস কালার প্রটেক্ট, প্রোটেক্টর শ্যাম্পু

চুলে রং করা থাকলে বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে সেই রং ধুয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এই শ্যাম্পুতে সেই সমস্যা নেই। আপনি যতবার খুশি ব্যবহার করে চুল পরিষ্কার করতে পারেন। রং থাকবে একেবারে নতুনের মতো। 

৪) কালার প্রটেক্ট শ্যাম্পু

সূর্যের অতি বেগুণি রশ্মির হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে এই শ্যাম্পু। অনেকদিন পর্যন্ত ধরে রাখে চুলের রং। স্মুথনেস বজায় রাখে। চুলকে ভিতর থেকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে। 

৫) বায়ো গ্রিন অ্যাপেল শ্যাম্পু

সবুজ আপেল এমনিতেই শরীরের পক্ষে ভাল। আর তা যখন শ্যাম্পুর মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে, চুলের পুষ্টি জোগাবে, এ তো গ্যারান্টি। চুলকে অনেক বেশি রিফ্রেশ করে। তৈলাক্ত চুলের জন্য আদর্শ এই শ্যাম্পু পারলে আজ থেকেই ব্যবহার করুন। 

রং করা চুলের যত্ন নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্নোত্তর (Q/A)

Instagram

রং করা চুলের যত্ন নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্নোত্তর দেখে নেওয়া যাক। 

১) চুলে রং করার পর কি তেল ব্যবহার করা যায়?

এই প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে। আপনাদের আশ্বস্ত করা যেতে পারে। কারণ চুলে রং করার পর অবশ্যই তেল লাগাতে পারে। হালকা গরম করে মাসাজ করলে বেশি উপকার পাবেন। 

২) চুলে রং করার কতক্ষণ পরে শ্যাম্পু করা যেতে পারে?

চুলে রং করার পর তিনদিন অর্থাৎ অন্তত ৭২ ঘণ্টা আপনাকে অপেক্ষা করতেই হবে। তারপর অনায়াসে শ্যাম্পু করে নিন। তবে চুল কম ধোওয়া ভাল। সপ্তাহে তিন থেকে চার বার ধুলেই ভাল থাকবে আপনার রং করা চুল।  

৩) চুলের রং দীর্ঘস্থায়ী করতে কী করা উচিত?

রঙের মধ্যে কেমিক্যাল থাকে। যা আপনার চুলের ক্ষতি করে। তাই রং করলে চুল আগের থেকে অনেক বেশি যত্নে রাখুন। আর ভুলেও হালকা গরম জলে চুল ধোবেন না। এটি চুলের রং দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty – POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়