Advertisement

ওয়েলনেস

গরমজল কি আমাদের পান করা উচিত? তা কতটা উপকারী এবং কতটা রিস্কি জেনে নিন (Health Benefits Of Drinking Warm Water In Bengali)

Debapriya BhattacharyyaDebapriya Bhattacharyya  |  May 2, 2019
গরমজল কি আমাদের পান করা উচিত? তা কতটা উপকারী এবং কতটা রিস্কি জেনে নিন (Health Benefits Of Drinking Warm Water In Bengali)

Advertisement

ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি যে খাবার যাই খাও না কেন, জলটা যেন পরিমানমতো খাওয়া হয়। যেহেতু সারাদিন ধরে অনেক উল্টোপাল্টা খাবার খেয়েই থাকি আমরা, কাজেই সেগুলো শরীর থেকে বার না করলে শরীরে টক্সিন জমতে পারে। আর এই টক্সিনের পরিমান বেশি হয়ে গেলে তখনই হয় নানা সমস্যা। জল আমাদের শরীরের ওই টক্সিনগুলো বার করতে সাহায্য করে। তাছাড়াও শরীরের আর্দ্রতা বজায় রেখে শরীরকে সুস্থ ও সচল রাখতেও সাহায্য করে। শুধু শরীর না, ত্বক, চুল, মাংসপেশি এবং আরও অনেক কিছু ঠিক রাখতে জলের ভূমিকা কিন্তু অসীম।

helth-benefits-and-risks-of-drinking-warm-water %284%29

সাধারণত বলা হয় যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে কমপক্ষে ৬-৮ গ্লাস জল খাওয়া উচিত, কিন্তু একেকসময়ে কম-বেশি হয়েই যায়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা দিনে হয়তো ২ থেকে ৩ লিটার জল খান, কিন্তু তবুও তাদের ত্বক, চুল অথবা শরীরের সমস্যা কমে না। শুনতে অবাক লাগলেও আসলে আমরা অনেকেই জানিনা যে কখন কতটা জল খাওয়া উচিত। গরমের মধ্যে আমরা অনেকেই ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা জলের বোতল বার করে ঢকঢক করে খানিকটা গলায় ঢালি। কিন্তু ঠাণ্ডা জল না খেয়ে উষ্ণ জল (Health Benefits Of Drinking Hot Water) খাওয়াটা ভালো। আপনারা হয়তো ভাবছেন যে গরমকালে আমি কেন উষ্ণ জল খেতে বলছি। বলছি কারণ উষ্ণ জল খাওয়ার অনেক উপকারিতা (Hot Water Benefits) রয়েছে যেটা ঠাণ্ডা জল খেলে কোনোদিনই পাবেন না।

আরও পড়ুনঃ জবা ফুলের উপকারিতা ও কিছু আসাধারন গুণাগুণ

কতো তাপমাত্রায় গরমজল খাওয়া উচিত?

গরমজল বেশি খেলে কি ক্ষতি হতে পারে?

গরমজল পান করা নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর

গরমজল খাবার ১০টা উপকারিতা (Drinking Hot Water Benefits)

গরমজল (Hot Water) খেতে বলছি মানে কিন্তু এটা নয় যে ফুটন্ত জল খাবেন। উষ্ণ জল খান আর দেখুন নিমেষে কতো উপকার পান –

১। হজমে সাহায্য করে (Helps In Digestion Of Food):

অনেকেই আছেন যারা পরিমানমতো জল খান না, খেয়াল করে দেখবেন তাদের কিন্তু হজমের সমস্যা থাকে। বেশি করে জল না খেলে তার প্রভাব গিয়ে পড়ে আমাদের ক্ষুদ্রান্ত্রে এবগ সেখান থেকেই হয় হজমের সমস্যা। পরিমানমতো জল যখন আপনি খান না, তখন  ক্ষুদ্রান্ত্র শরীরের ভেতর থেকে জল শোষণ করে এবং তার ফলে আমাদের শরীরে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয় এবং পাচনক্রিয়া ঠিকভাবে না হবার ফলে আমাদের সিস্টেম ক্লিন হয় না। বেশিদিন ধরে যদি এরকম চলে তাহলে কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় এবং গ্যাস ও পেটফাঁপার মতো সমস্যা আরম্ভ হয়। ঠাণ্ডা জলের পরিবর্তে আপনি যদি উষ্ণ জল খান তাহলে তা পাচনক্রিয়ায় সাহায্য করে। গরমজল খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে ফলে আমাদের সিস্টেম ভালোভাবে ক্লিন হয়ে যায়।

২। শরীর ডিটক্সিফাই হয় (Detox Your Skin):

helth-benefits-and-risks-of-drinking-warm-water %285%29

আগেই বলেছি যে আমাদের খাদ্যাভ্যাস আমাদের শরীরে টক্সিন জমানোর জন্য অনেকটাই দায়ী। আমরা অনেকেই ভাজাভুজি, তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করি, আবার অনেকেই আছি যারা সঠিক সময়ে খাবার খাই না বা খেলেও সঠিক পরিমানে খাই না – এইসব কারণে কিন্তু শরীরে টক্সিনের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। এছাড়া আজকাল এতো দূষণ এবং অতিদ্রুত লাইফস্টাইল যে তার থেকেও আমাদের শরীরে টক্সিন জমে। আমরা অনেকেই নানা ধরণের ডিটক্স ড্রিঙ্ক খাই, কিন্তু অনেকেই আবার সেগুলো পছন্দ করেন না অথবা তৈরি করার সময়টুকুও পান না। তাদেরকে বলছি, উষ্ণ জল খাওয়া অভ্যেস করুন। গরমজল শরীরে ঢুকে শরীরের তাপমাত্রা খানিকটা বাড়িয়ে দেয় ফলে ঘাম হয় এবং ঘামের সাথে টক্সিন অনেকটাই বেরিয়ে যায়। 

৩। ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকে (Manage Weight):

এটা তো জানা কথাই যে ওজন কমানোর জন্য এবং নিয়ন্ত্রণে রাখবার জন্য অনেকেই গরমজল পান করেন। উষ্ণ জল শরীরের মেটাবলিসম বৃদ্ধি করে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করে। এমনকি অনেক বিশেষজ্ঞের মতে যদি খাবার খাওয়ার আগে ৫০০ মিলি অর্থাৎ প্রায় ২ গ্লাস উষ্ণ জল খাওয়া যায় তাহলে নাকি মেটাবলিসম রেট তুলনামূলকভাবে ৩০% বেড়ে যায় এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ তাড়াতাড়ি ঝরাতে সাহায্য করে। সকালে ঘুম থেকে উষ্ণ জলে একটা গোটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত পান করলে অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায় এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪। ব্যাথা-বেদনা দূর হয় (Cure Pain):

আগেই বলেছি যে গরমজল খেলে রক্তসঞ্চালন ভালোভাবে হয় যেহেতু ধমনী স্ফীত হয়ে যায়, কাজেই শরীরের প্রতিটি স্নায়ু সচল থাকে। এর ফলে মাংসপেশি দুর্বল হয় না এবং যদি কোনও মাংসপেশিতে আঘাত লেগে থাকে তাহলে তা দ্রুত নিরাময়ও হয়। এছাড়া শরীরের ভেতরে যদি কোনও চোট থেকে থাকে সেটাও গরমজল খেলে ঠিক হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। অনেকেই ব্যাথা কমানোর জন্য গরমজলের শেক দিয়ে থাকেন, তবে উষ্ণ জল পান করাটা সবথেকে ভালো।

৫। সাইনাসের সমস্যা দূর হয় (Get Rid Of Sinus):

ঠাণ্ডা লাগলে বা সর্দি কাশিতে গরমজল যে উপকারী সে কথা আর নতুন করে বলার কিছু নেই। ছোটবেলা থেকেই যখনই ঠাণ্ডা লাগত বাড়ির বড়রা সবসময়েই বলতে উষ্ণ জল পান করতে। মিউকাস দূর করতে উষ্ণ জল সাহায্য করে। ফলে সর্দি বা কাশি অথবা গলা ব্যাথায় তাড়াতাড়ি উপশম হয়।

আরও পড়ুনঃ জানুন ঘরে বসে অর্শের সমস্যা কীভাবে দূর করবেন

৬। চা বা কফির সাথে ভালো যায় (Good With Tea And Coffee):

helth-benefits-and-risks-of-drinking-warm-water %281%29

আপনি যদি গরমজল খেতে পছন্দ না করেন, তাহলে চা অথবা কফি মিশিয়ে কিন্তু খেতে পারেন। যদিও অনেকেই বলেন যে বেশি পরিমানে চা বা কফি খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়, তবে চা এবং কফির কিছু ভালো গুণও রয়েছে। স্ট্রোক, হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা ইত্যাদি কিন্তু গ্রিন টি নিয়মিত সেবনে কমে। আবার মেপে কফি খেলে পারকিন্সন্স এবং কিছু ক্যান্সারের রিস্ক অনেকটাই কমে যায়। 

৭। স্ট্রেস কমে (Relieve Stress):

অনেক ডাক্তার মনে করেন যে আপনি যদি নিয়ম করে উষ্ণ জল পান করেন তাহলে সারাদিনের ক্লান্তি এবং স্ট্রেসের মাত্রা অনেকটাই কমে যায় এবং তাড়াতাড়ি কমে যায়। সারাদিন অফিসে খাটুনি, তারপর ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে ফাইনালি যখন বাড়ি ফেরেন, তখন শরীরের আর কিছু থাকে না। সেই সময়ে যদি এক কাপ গরম চা (চিনি ও দুধ ছাড়া হলে ভালো) পান, তাহলে সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে কিন্তু শরীরটা বেশ তরতাজা হয়ে ওঠে, কি তাইতো?

৮। পেটে স্টোনের সমস্যা নির্মূল হয় (Remove Kidney Stone):

জল কম খেলে অনেকসময়ে কিডনি বা গলব্লাডারে স্টোন হয়ে যায় এবং সেটা মারাত্মক আকার ধারন করার আগেই তা রোধ করার ব্যবস্থা করা উচিত। এক্ষেত্রে দুপুরে এবং রাত্রে খাবার পর একগ্লাস করে উষ্ণ জল পান করা উচিত। যারা নিয়মিত গরমজল পান করেন, তাদের এই ধরণের সমস্যার সম্মুখীন তুলনামূলকভাবে কম হতে হয়।

৯। অনিয়মিত পিরিয়ড থেকে মুক্তি (Irregular Periods):

helth-benefits-and-risks-of-drinking-warm-water %287%29

পিরিয়ডের সময়ে অনেকেরই পেটে বা কোমরে অসহ্য যন্ত্রণা হয়। অনেকে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে হট ওয়াটার ব্যাগের সাহায্য নেন অর্থাৎ গরম জলের শেক নেন। কিন্তু আপনি যদি সেইসময়ে ঠাণ্ডা জলের পরিবর্তে উষ্ণ জল পান করেন তাহলে অনেক বেশি উপকার পাবেন। অনেকসময়ে কি হয়, রক্ত জমে থাকে যা বেরতে পারেনা, ফলে ক্র্যাম্প বা ব্যাথা হতে থাকে। উষ্ণ জল পান করলে ওই জমাট বাধা রক্ত ছেড়ে যায় এবং ব্লাড ফ্লো ঠিকভাবে হতে পারে। এছাড়া যাদের পিরিয়ড অনিয়মিত, তারা যদি নিয়ম করে উষ্ণ জল পান করেন তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে  পারেন।

১০। চুল এবং ত্বক সুন্দর থাকে (Improve Hair Growth And Skin Quality):

স্বাস্থ্যজ্জল ত্বক আর চুল কে না চায়! যদি আপনার ত্বক এবং চুল সংক্রান্ত সমস্যা থেকে থাকে এবং নানা বাজারচলতি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেও কোনও ফল পান নি, তাহলে নিয়ম করে গরমজল পান করা আরম্ভ করুন। এতে শরীরের টক্সিন দূর হয় এবং স্বাভাবিকভাবেই ত্বক এবং চুল স্বাস্থ্যজ্জল হয়ে ওঠে। মুখের দাগ-ছোপ দূর হবে, স্কিন গ্লো করবে আর একটা প্রাকৃতিক জেল্লা আপনি নিজেই দেখতে পাবেন। আর অকালে চুল ঝরে যাওয়া, খুস্কি, শুষ্ক চুলের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও গরমজলের কিন্তু কোনও বিকল্প নেই, তবে হ্যাঁ, মাথায় না ঢেলে আপনাকে উষ্ণ জল নিয়ম করে দিনের মধ্যে বেশ কয়েকবার পান করতে হবে। 

১১। রক্তসঞ্চালন ঠিক থাকে (Improve Blood Circulation):

helth-benefits-and-risks-of-drinking-warm-water %286%29

শরীরে রক্তসঞ্চালন ঠিকভাবে না হলে যে কতো সমস্যা হতে পারে, আশা করি নতুন করে সেটা আর বলে দিতে হবে না। আপনি যখনই উষ্ণ জল পান করেন, তখন আপনার শরীরের ব্লাড ভেসেলস অর্থাৎ ধমনী চওড়া হয়ে যায় এবং রক্তচলাচল স্বাভাবিকভাবে হয় এবং অনেকটাই স্মুদ হয়, ফলে প্রতিটি নার্ভ সচল থাকে এবং মাংসপেশিতে কোনওরকম চাপ পড়ে না এবং শরীর সুস্থ থাকে।

কতো তাপমাত্রায় গরমজল খাওয়া উচিত? (Drinking Water Temperature)

চা, কফি বা যেকোনো গরম পানীয় ফুটন্ত অবস্থাতেই পরিবেশন করা হয়। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে ফুটন্ত অবস্থাতেই সেই পানীয় গ্রহন করতে হবে। একটু ঠাণ্ডা হলে তারপরে পান করুন। অনেকেই আছেন যারা উষ্ণ জল খেতে পছন্দ করেন না, কারণ উষ্ণ জলের কোনও স্বাদ থাকে না, এবং থাকলেও সেটা একটু তিতকুটে। তারা এক কাজ করতে পারেন, জল যখন গরম করবেন তখন ফোটানোর দরকার নেই, একটু উষ্ণ করে তারপরে খেতে পারেন। সাধারণত বলা হয় যে ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় জল খাওয়া উচিত, তাতে শরীরের উপকার হয় এবং জিভ পুড়ে যাবার সম্ভাবনাও থাকে না।

গরমজল বেশি খেলে কি ক্ষতি হতে পারে? (Side Effects Of Hot Water)

একেবারেই না। আগেই যেমন বলেছি যে গরমজল খাওয়া মানে কিন্তু ফুটন্ত জল খেয়ে জিভ পোড়ানো নয়। যখন জলটা গরম করবেন, ফুটে যাবার তাপমাত্রায় পৌছনোর আগেই গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন। এরপর যখন ঠাণ্ডা হবে আঙুলের ডগা ছুঁইয়ে দেখে নিন যে জলটা কতটা গরম। যদি দেখেন যে জলটা উষ্ণ, খেতে গেলে পুড়ে যাবার আশঙ্কা নেই, তাহলে খেয়ে নিন, আর তা হলে আরেকটু ঠাণ্ডা হবার জন্য অপেক্ষা করুন।

গরমজল পান করা নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্রশ্নঃ ওজন কমানোর জন্য কখন গরমজল খাওয়া উচিত?

helth-benefits-and-risks-of-drinking-warm-water %288%29

উত্তরঃ প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে একগ্লাস উষ্ণ জলে একটা গোটা পাতিলেবুর রস নিংড়ে সামান্য মধু মিশিয়ে সেই জলটা খেয়ে নিন। এই ড্রিঙ্কটি শরীরের থেকে টক্সিন বার করে শরীরকে তরতাজা রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ফ্যাটকাটার হিসেবেও এই ড্রিঙ্কটি খুব কার্যকরী। দ্রুত ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত এই ড্রিঙ্কটি পান করুন।

প্রশ্নঃ রাতে শোবার আগে কি গরমজল খাওয়া যায়?

উত্তরঃ নিশ্চই। জল, বিশেষ করে উষ্ণ জল খাবার হজম করতে সাহায্য করে এবং সিস্টেম ক্লিন করে। আপনি যদি ডিনারের পর শোবার আগে এক গ্লাস উষ্ণ জল খেয়ে শোন, তাহলে শরীরে টক্সিন জমতে পারে না এবং সকাল সকাল সিস্টেম একদম ক্লিন হয়ে যায়। কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। 

প্রশ্নঃ গরমজল নিয়মিত খেলে কি কিডনির সমস্যা হতে পারে?

উত্তরঃ একেবারেই না। শরীরে জলের ঘাটতি হলে শুধু যে ডিহাইড্রেশন হয় তা না, কিডনিতে বা গলব্লাডারে স্টোনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনি যদি নিয়মিত উষ্ণ জল খান, তাহলে বেশিবার আপনাকে ইউরিন করতে হবে এবং প্রতিবারই ইউরিনের সাথে আপনার শরীরের টক্সিন বেরিয়ে যাবে, ফলে কিডনির কোন সমস্যা হবার কথা নয়।

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এগুলোও আপনি পড়তে পারেন

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে নয়নতারা ফুলের ভূমিকা

তামার বোতলে জল খাওয়ার শারীরিক উপকারিতা