home / পড়াশোনা
টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে প্রাথমিকের কচিকাঁচাদের হাতে সোয়েটার তুলে দিল বড় ক্লাসের দাদা-দিদিরা

টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে প্রাথমিকের কচিকাঁচাদের হাতে সোয়েটার তুলে দিল বড় ক্লাসের দাদা-দিদিরা

বেশ কিছুদিন হল পশ্চিমবঙ্গে বেশ জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছে সেই সব খুদের দোল যাদের সকাল বেলা চোখ কচলাতে কচলাতে এই ঠান্ডার মধ্যে স্কুলে যেতে হচ্ছে। আর এই হাড় কাঁপানো শীতে তাদের রীতিমতো দাঁতে-দাঁত লেগে যাচ্ছে। শীতের এই দাপটের মধ্যেই এক টুকরো ঊষ্ণতা নিয়ে এল কয়েকজন ছাত্রছাত্রী (students)। এরা সবাই উঁচু (high) ক্লাসে পড়ে। রোজ সকালে স্কুলে যেতে গিয়ে এদের চোখে পড়ল যে প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা সবাই শীতে কাঁপতে-কাঁপতে স্কুলে যাচ্ছে। বেশিরভাগের কাছেই কোনও গরম জামা নেই। বড় ক্লাসের দাদা-দিদিরা ছোট ভাই-বোনদের এই কষ্ট দেখতে না পেরে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা এদের গরম জামা বা সোয়েটার (sweater) কিনে দেবে। কিন্তু যতই উঁচু ক্লাসে উঠে যাক তারাও তো আদতে ছোটই। এত ছেলেমেয়ের সোয়েটার কেনা তো আর মুখের কথা নয়। পয়সা কে দেবে? তখন ঠিক হল যে, বাড়ি থেকে যে টিফিনের পয়সা (money) দেওয়া হয়, সেটা জমিয়েই এই ভাল কাজ করা হবে। 

বড়দিনের আগে সান্তা ক্লজ এসে নাকি ছোটদের মোজাতে উপহার ভরে রেখে যান। এই পড়ুয়াদেরও সান্তা ক্লজ ছাড়া আর কিছু বলা যায় কি? এই বড় মনের আসল ‘সান্তা ক্লজ’রা সবাই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার অশোকনগরের বিদ্যাসাগর বাণীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়ুয়া। বাড়িতে এবং স্কুলে তাঁদের এই মনোভাব জানানোর পর অভিভাবক ও শিক্ষকরা সবাই খুব খুশি হয়েছেন। তাঁরাও সাধ্যমতো সাহায্য করেছেন। গতকাল অঞ্চলের তিনটি প্রাথমিক স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়াদের হাতে সোয়েটার তুলে দেওয়া হয়েছে। মোট ১১১ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এই উপহার। হ্যাঁ, বাণীভবনের ছাত্রছাত্রীরা একে দান নয়, উপহারই বলতে চায়। অনেক পড়ুয়াই জানিয়েছে, তাদের প্রতিদিন একই দৃশ্য দেখতে খুবই কষ্ট হত। তাই সকলে মিলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। আনন্দে আত্মহারা চতুর্থ শ্রেণির কচিকাঁচারাও। তাদের আর শীতের সকালে স্কুলে আসতে কষ্ট হবে না, এটা ভেবেই তারা দারুণ খুশি। দাদা-দিদিরা তাদের সোয়েটার উপহার দিয়েছে বলে অনেকেই তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।

ADVERTISEMENT

আসলে এই অঞ্চলের প্রাথমিক স্কুলে যারা পড়তে আসে তাদের বেশিরভাগেরই পরিবার দারিদ্য সীমার নীচে বাস করে। কারও বাবা খেতমজুর, আবার কারও মা পরিচারিকার কাজ করেন। তাই সোয়েটার কিনে দেওয়ার অবস্থা অনেকেরই নেই। তবে এই কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন স্কুলের হেডস্যার। মানুষের মতো মানুষ হচ্ছে ওরা, আমার পরিশ্রম সার্থক ঝকঝকে হাসি হেসে জানালেন তিনি। 

https://bangla.popxo.com/article/deepika-padukone-stopped-by-jnu-in-bengali-870833

 

ADVERTISEMENT

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও

আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম…আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!

ADVERTISEMENT
07 Jan 2020
good points

Read More

read more articles like this
good points logo

good points text