Advertisement

Family

শাশুড়ির কথায় স্বামী ওঠেন বসেন? শাশুড়ি এবং বর, দু’জনকে সামাল দিতে রইল কড়া দাওয়াইয়ের খোঁজ!

Doyel BanerjeeDoyel Banerjee  |  Jan 31, 2020
শাশুড়ির কথায় স্বামী ওঠেন বসেন? শাশুড়ি এবং বর, দু’জনকে সামাল দিতে রইল কড়া দাওয়াইয়ের খোঁজ!

Advertisement

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। হক কথা সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু একটা খাপে যে দুটো তলোয়ার রাখা যায় না! শাশুড়ি বনাম বউমার এই দ্বৈরথ চিরকালীন। যতদিন এই বিশ্ব কোনওমতে টিকে থাকবে ততদিন এই লড়াইও থাকবে। কারণ, এই লড়াইয়ের উইনিং ট্রোফি একজনই। আপনার স্বামী (husband)। কারণ, তিনি আপনার স্বামী হওয়ার আগে মায়ের (mother) ছেলে ছিলেন। এখন কথা হচ্ছে গিয়ে, সেটা নিয়ে কারও কোনও মাথাব্যথা নেই। আপনিও তো আর আকাশ থেকে দুম করে পড়েননি। মুশকিল বাধে তখন, যখন আপনার স্বামী একটু বেশি মাত্রায় মাতৃভক্ত হন। অর্থাৎ তিনি সকালের জলখাবারে ডিমটা সেদ্ধ খাবেন না ভাজা সেখান থেকে শুরু করে উইকএন্ডে কোন সিনেমা দেখতে যাবেন সেটাও মাকে না বলে সিদ্ধান্ত নেন না। কী ভাবছেন? জীবনে মস্ত বড় ‘মিসটেক মিসটেক’ করেছেন। আরে না, এত সহজে হাল ছাড়লে চলবে। বুনো ওল, ইয়ে মানে শাশুড়িকে বুঝিয়ে দিন, আপনিও যাকে বলে বাঘা তেঁতুল! 

নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শেখান

হ্যাঁ, দেওয়ালে পিঠ ঠেকলে মাঝে-মধ্যে সন্তান মানুষ ছাড়াও স্বামীকেও মানুষ করতে হয় বই কী! অন্তত নিজের স্বার্থে সেটা আপনাকে করতে হবেই। স্বামীর মুড ভাল থাকলে তাঁকে বোঝান যে, একজন পূর্ণ বয়স্ক বুদ্ধিমান মানুষ সব সময় পর নির্ভর হয় না। এতে তাঁর আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরে। তাঁকে এটাও বলুন যে বাবাকে দেখে ছেলেমেয়েরাও নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শিখবে না। 

পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া কোনও সলিউশন নয়

একেবারেই নয়। যদিও অনেকেই তিতিবিরক্ত হয়ে স্বামীকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন। এতে লাভের লাভ কিন্তু হয় না। কারণ, মানসিকভাবে তিনি এতটাই মাতৃনির্ভর, যে আলাদা হয়েও সেই ছায়া থেকে তিনি বেরতে পারেন না। আলাদা হবেন না। আপনার সন্তানরাও তা হলে এটাই শিখবে বড় হয়ে যে সমস্যা এলে পালিয়ে যেতে হয়। আপনার হাবেভাবে এবং আচার-আচরণে এটাই বুঝিয়ে দিন যে, সব সময় কারও কথা শুনে চলাটা কাজের নয়। তাঁকে সম্মান করা বা ভালবাসার অর্থ এই নয় যে সারাক্ষণ তাঁর সঙ্গে চিউইংগামের মতো চিপকে থাকতে হবে! 

প্যাসিভ নয়, অ্যাকটিভ ভূমিকা নিন

শাশুড়ি কিন্তু আপনার প্রতিপক্ষ নন। এটা ভেবে এগোলে চলবে না। কিছু-কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আপনিও তাঁর পরামর্শ নিতে পারেন। নিতে পারেন কেন বলছি, প্রয়োজনে তাই নেবেন। আর সেই আলোচনাটা স্বামীর সামনেই করবেন। যুক্তিপূর্ণভাবে কথা বলবেন এবং স্বামীকে বুঝিয়ে দেবেন আপনিও প্রয়োজনে বাড়ির গুরুজনের সাহায্য নেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত আপনার সব কাজে আপনার সাহায্যের প্রয়োজন হয়। 

পরিবারের অন্যদের সহযোগিতা নিন

যদি আপনার পরিবারে একাধিক সদস্য থাকে তাহলে আশা করা যায় তাঁরা দুপুর বা রাতে খাবার টেবিলে একত্রিত হন। গল্পের ছলে তাঁদের সঙ্গে আপনার পরিচিত কারও উদাহরণ দিন, যিনি মায়ের সাহায্য ছাড়াই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তার সঙ্গে যে-যে বিষয়ে আপনার স্বামী শাশুড়ির সঙ্গে বেশি আলোচনা করেন সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করুন। বুঝিয়ে দিন যে, বাড়িতে একা কোনও মানুষের আধিপত্য চলবে না বরং সবার সহমত নিয়েই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

আমাদের এক্কেবারে নতুন POPxo Zodiac Collection মিস করবেন না যেন! এতে আছে নতুন সব নোটবুক, ফোন কভার এবং কফি মাগ, যেগুলো দারুণ ঝকঝকে তো বটেই, আর একেবারে আপনার কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে। হুমম…আরও একটা এক্সাইটিং ব্যাপার হল, এখন আপনি পাবেন ২০% বাড়তি ছাড়ও। দেরি কীসের, এখনই POPxo.com/shopzodiac-এ যান আর আপনার এই বছরটা POPup করে ফেলুন!