Care

উকুনের হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার ও তার বংশবিস্তার রোধের ঘরোয়া উপায় (How To Get Rid Of Lice)

Doyel BanerjeeDoyel Banerjee  |  Jul 23, 2019
উকুনের হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার ও তার বংশবিস্তার রোধের ঘরোয়া উপায় (How To Get Rid Of Lice)

মাথার ঘন চুল যখন মরুভুমি হয়ে জায়…মাথার চুলে মরুভূমি দেখা দিলে তাও সেটা সামাল দেওয়া যায়। কিন্তু সেই চুলের (hair) সাম্রাজ্যে যদি দস্যুরা হানা দেয় তাহলে কীভাবে মোকাবিলা করবেন? বুঝতেই পারছেন নিশ্চয়ই যে চুলের সাম্রাজ্যে দস্যু মানে তারা হল উকুন (lice) ও তাদের ছানাপোনারা (nits)। অসম্ভব বিরক্তিকর এবং লজ্জাজনক এই সমস্যা। যেখানে সেখানে মাথা চুলকানো থেকে শুরু করে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়া সব হতে পারে এই উকুনের জন্য। উকুন তাড়াতে আমরা যেসব তেল বা শ্যাম্পু ব্যবহার করি সেগুলোও কম ক্ষতিকর নয়। কারণ তার মধ্যে আছে বাজে কিছু রাসায়নিক। তাই আমরা এই প্রতিবেদন নিয়ে হাজির হয়েছি। যেখানে আমরা আপনাদের বলব এই জঘন্য পরজীবী পোকাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়।  

উকুন ও নিটস আসলে কী? (What Are Head Lice And Nits?)

livecolourful

উকুন হল এক ধরনের ক্ষতিকর পরজীবী। এরা মানুষের চুলে বাসা বাঁধে এবং ধীরে ধীরে বংশ বিস্তার করে। উকুনের ডিমকেই বলা হয় নিট। এদের ডানা থাকেনা ঠিকই কিন্তু অন্য ব্যক্তির চুলে খুব সহজেই এরা চলে যায় এবং সেখানেও ডিম পাড়তে শুরু করে দেয়।

উকুন ও নিটস চুলের মধ্যে বাসা বাঁধে কেন? (Head Lice Infestation)

pexels.com

প্রথমেই মনে রাখতে হবে যে মাথার চুলে উকুন হওয়া কোনও রোগ বা রোগের লক্ষণ নয়। এটি হল অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং হাইজিন মেনে না চলার ফল। চুলের মধ্যে এই উকুন বাসা বাঁধে কারণ এই পরজীবী উড়তে বা লাফ দিতে পারে না। ঘন চুলের মধ্যে আটকে থাকতে এদের সুবিধা হয়। চুলের মধ্যে থাকলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় এরা দ্রুত চলে যেতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি ঠিকঠাকভাবে চুল না আঁচড়ান, আপনার চুলে যদি জট থাকে বা স্ক্যাল্পে ময়লা থাকে তাহলে আপনার চুলে উকুন খুব সহজেই বাসা বেঁধে নিতে পারে।

উকুন ও তার ডিম কীভাবে আপনার চুলের ক্ষতি করে? (Head Lice Risk Factors)

pixabay

আপনার মাথার চুলে একদল পরজীবী খুব আরামে বাস করছে এটার ভাবনাই খুব বিরক্তিকর তাই না? আর উকুন হচ্ছে এমন পরজীবী যা তার খাদ্য গ্রহণ করে যার শরীরে সে বাস করছে তার রক্ত শোষণ করে। আপনি লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়ই যদি আপনি একটি বড় আকারের উকুন মারেন তাহলে তার পেট থেকে রক্ত বেরিয়ে আসে। খুব দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা হল এই রক্ত আপনার নিজের! সুতরাং কীভাবে উকুন আপনার চুলের শুধু নয় আপনার শরীরেরও ক্ষতি করে সেটা আশা করি আপনার কাছে স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়াও এটি আপনার চুলের গোড়া আলগা করে দেয়। ফলে চুল অনেক বেশি সংখ্যায় পড়তে শুরু করে।

মাথার মধ্যে জীবন্ত কিছু একটা ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং সেটা খুব দ্রুত গতিতে হচ্ছে এটা আপনাকে কখনই স্বস্তি দিতে পারে না। উকুনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এটাই। এরা মাথার মধ্যে সর্বক্ষণ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় খুব দ্রুত ঘুরে বেড়ায়। ফলে আপনার মধ্যে চুলকানি হয়। বারবার চুলকাতে হয় বলে স্ক্যাল্পে স্ক্র্যাচ বা আঁচড়ের দাগ পড়ে যায়। অনেক সময় উকুন এতটাই এদিক থেকে ওদিক যেতে শুরু করে যে বারবার চুলকে চুলকে স্ক্যাল্পে ঘা হয়ে যায়। এর মধ্যে আপনি যদি উকুন মারার তেল বা শ্যাম্পু দেন ফল আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। কারণ এই ঘায়ের উপর তেল বা শ্যাম্পু পড়লে সেটা বিক্রিয়া করে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এছাড়াও মাথার চুলে উকুনের উপদ্রব বেড়ে গেলে অনেক সময় তার প্রভাব পড়ে চোখের উপর। চোখ লাল হয়ে যায় ও চোখ চুলকাতে থাকে। গবেষক ও চিকিৎসকরা দেখেছেন উকুন সবচেয়ে বেশি চঞ্চল হয়ে পড়ে রাতের বেলায়। আর এই কথার অর্থ আপনাকে আলাদা করে বলে দিতে হবে না আশা করি। রাতের বেলায় আপনার চুলে তাদের অবিরাম ছোটাছুটি করা মানে আপনার রাতের ঘুমটির দফারফা। উকুনের ফলে অনেক সময় চুলের গোড়া ফুলে যায় এবং সেখানে বেশ ব্যথা হয়। ফলস্বরূপ চুল আঁচড়াতে গেলে আপনার খুব কষ্ট হয়। চুল বেশি না আঁচড়ালেই উকুন খুশি হয়। কারণ তাতে সে আপনার চুলে বেশিদিন থাকতে পারে।

উকুন আপনার চুলে কোথা থেকে আসে? (How Do You Get Lice?)

যেহেতু উকুন এক রকমের পরজীবী সবার আগে আপনার চুলে উকুন আসে অন্য কারো মাথা থেকেই প্রথমে আসে।ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এই উকুন আসে স্কুল থেকে। কারণ মেয়েদের চুল বেশি লম্বা হয় তাই একজনের মাথা থেকে অপরজনের মাথায় যেতে সুবিধে হয়। তবে আপনার স্কুল জীবন বা কলেজ জীবন শেষ হয়ে গেছে বলে এটা ভাববেন না যে আপনার মাথায় উকুন হতে পারে না। হাসপাতালের বিছানা থেকে, বাসে ট্রামে অন্য কারো মাথা থেকে, অন্যের ব্যবহৃত চিরুনি ও তোয়ালে থেকে উকুন আসতে পারে। বিশেষ করে নিট বা উকুনের ডিম আকারে এতটাই ক্ষুদ্র হয় যে সেটা কখন আপনার মাথায় ঢুকে গেল সেটা আপনি বুঝতেই পারবেন না। অনেক মহিলাই এই অভিযোগ জানান যে লম্বা কোনও ট্রিপ থেকে ঘুরে আসার পরেই তাঁদের চুলে উকুন দেখা দিয়েছে। এটা হওয়া খুব স্বাভাবিক। কারণ অনেক সময় ট্রেনের বার্থ, প্লেনের সিট এবং হোটেলের বিছানা ও চাদর থেকেও উকুন আসতে পারে।তাই বলে ভাববেন না যে সব ক্ষেত্রে রেল, বিমান বা হোটেল কর্তৃপক্ষ এর জন্য দায়ী। এমনও হতে পারে ওখানে যিনি বসেছিলেন বা শুয়ে ছিলেন তার মাথা থেকেই উকুন রয়ে গেছে। উকুন যেহেতু খুব ছোট এবং হাল্কা হয় তাই সেটা হাওয়ায় উড়েও আপনার মাথায় আসতে পারে। কীভাবে আপনার মাথায় উকুন আসতে পারে এই প্রসঙ্গে একটি কথা বলে রাখা দরকার। অনেকেই মনে করেন যাঁদের  বাড়িতে পোষ্য যেমন কুকুর, বিড়াল বা পাখি আছে, তাঁদের উকুন হওয়ার আশঙ্কা বেশি। কারণ এই সব পোষ্যের গায়ের লোমে বা পাখায় উকুন আটকে থাকে। আর সেটাই আপনার মাথায় গিয়ে আটকে যায়। এই ধারণা একেবারেই ভুল। পোষ্যদের গায়ে যে পোকা হয় সেটা উকুন নয়, সেটা এক বিশেষ ধরনের পোকা যা শুধু পোষ্যদেরই প্রভাবিত করে।

উকুন প্রতিরোধ করতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ? (How To Prevent Lice And Nits?)

pixabay

১| আপনার অজান্তে আপনার মাথার চুলে উকুন এলে আপনার সত্যিই কিছু করার নেই। তবে জেনে বুঝে কোনও ভুল করবেন না। অন্যের চিরুনি, চাদর, তোয়ালে এগুলো একদম ব্যবহার করবেন না। সে আপনার যতই ঘনিষ্ঠ হোক তাও করবেন না।

২| যখন কোথাও বেড়াতে যাবেন নিজস্ব চিরুনি, তোয়ালে ও চাদর নিয়ে যাবেন। দিনে তিন থেকে চারবার ভাল করে চুল আঁচড়াবেন। যেখানে সেখানে চিরুনি ফেলে রাখবেন না।

৩| সপ্তাহে একবার অন্তত গরম জল দিয়ে চিরুনি পরিষ্কার করবেন।

৪| যদি জানেন যে আপনার পরিচিত কোনও ব্যক্তির মাথায় উকুন আছে এবং তিনি সব জেনেও কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছেন না তাহলে তাঁর থেকে দূরে থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৫| আপনি যদি কোনও গ্রুপে বিশেষ করে মেয়েদের কোনও দলের সঙ্গে বেড়াতে বা কাজে যান তাহলেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। তোয়ালে ও চিরুনি ছাড়াও অন্যদের মাথার ক্লিপ, হেডব্যান্ড, স্কার্ফ বা হেলমেট এগুলোও ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলো থেকেও উকুন আসতে পারে।

৬| শীতকালে অন্যদের কোট বা জ্যাকেটও আপনার পরা উচিত নয়। কারণ এগুলোতেও উকুন থাকে। বিশেষ করে ফারের কোটে অনেক সময় উকুন আটকে থাকে।

৭| অনেকে পাহাড়ি অঞ্চলে বেড়াতে গিয়ে কোট ও অন্যান্য জিনিস ভাড়া করেন। এই বিষয়ে আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। এর আগে ওই জিনিসগুলো কে বা কাড়া ব্যবহার করেছেন সেটা আপনি জানেন না। ভাল হয় যদি এগুলো আপনি নিজেই নিয়ে যান।

উকুন ও উকুনের ডিম দূর করার ঘরোয়া উপায় (Home Remedies For Lice And Nits)

উকুন মারার জন্য বাজারে অনেক শ্যাম্পু, তেল,স্প্রে ও ওষুধ আপনি পাবেন। এরা প্রত্যেকেই আপনাকে আশ্বাস দেবে যে এরা চিরকালের জন্য আপনার মাথা থেকে উকুন নির্মূল করে দেবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়না। আর সেটা হওয়ার একটাই কারণ। উকুন মরে গেলেও তার ডিম বা নিট সহজে মাথা থেকে যেতে চায়না। এরা চুলের সঙ্গে আঠার মতো আটকে থাকে। আপনার মাথা উকুন শূন্য হয়ে গেলেও এই নিটগুলো পরে ফুটে আবার উকুনের জন্ম দেয়। তাই সবচেয়ে ভাল হয় ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করলে।

১| টি ট্রি অয়েলের ব্যবহার (Tea Tree Oil)

এই এসেনশিয়াল অয়েলে আছে অ্যান্টি ফাঙ্গাল, অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ইনসেকটিসাইডাল উপাদান। এর কয়েক ফোঁটা চুলে মাসাজ করলে উকুন মরে যাবে। এই তেল দিয়ে চুল মাসাজ করার পর চুল টাইট করে বেঁধে নিন। দু’তিন ঘণ্টা পর গরম জলে ধুয়ে নিন।

২| নুন ও ভিনিগার (Salt and Vinegar)

pixabay

সোডিয়াম ক্লোরাইড ও অ্যাসেটিক অ্যাসিড অর্থাৎ নুন আর ভিনিগারের মিশ্রণও উকুন ও নিট মারতে সক্ষম। ১/৪ কাপ নুন ও ১/৪ কাপ ভিনিগার মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে মাথায় দিন। দু ঘণ্টা সময় দিন যাতে এটা শুকিয়ে যায় তারপর গরম জলে ধুয়ে ফেলুন।

৩| ড্রায়ারের ব্যবহার (Heat Dryer)

ড্রায়ারের গরম হাওয়া স্ক্যাল্পের কাছে ধরলেও উকুন মরে যাবে। কারণ বেশি তাপমাত্রা উকুন সহ্য করতে পারে না। খানিকক্ষণ ড্রায়ার ব্যবহার করে চুল আঁচড়ে নিন। দেখবেন মরা উকুন পড়ছে। তবে বেশি হিট চুলের ক্ষতি করতে পারে তাই আমরা এই পদ্ধতি কম ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি। এতে উকুনের ডিমও মরে যায়।  

৪| অলিভ অয়েল (Olive Oil)

উকুন মারার সহজ পদ্ধতি হল তাদের দম বন্ধ করে দেওয়া। অলিভ অয়েল খুব ঘন আর মোটা হয়। ভাল করে এবং বেশি করে এই তেল মাথায় চুলে আগা থেকে গোড়া লাগান। একটা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে শুয়ে পড়ুন। সকালে উঠে চুল ধুয়ে নিন। তারপর চুল আঁচড়ান।

৫| নিমের ব্যবহার (Neem)

pixabay

নিম হল অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল। এতে আছে অ্যাজাডিরেকটিন নামক উপাদান যা পোকামাকড় ও পরজীবী মারতে সক্ষম। নিম পাতা সেদ্ধ করে তার জল দিয়ে মাথা ধুতে পারেন বা নিম পাতা বেটে পেস্ট হিসেবেও মাথায় লাগাতে পারেন।

৬| অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ও নারকেল তেল (Apple Cider Vinegar and Coconut Oil)

প্রথমে কয়েক চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার নিয়ে স্ক্যাল্প ও চুলে লাগান। সেটা শুকিয়ে গেলে তার উপরে বেশি করে নারকেল তেল দিয়ে শাওয়ার ক্যাপ লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। ভিনিগার উকুনের বংশ বিস্তার রোধ করবে এবং নারকেল তেল উকুনের দমবন্ধ করে দেবে। পরের দিন চুল গরম জলে ধুয়ে আঁচড়ে নিন।

৭| রসুনের ব্যবহার (Garlic)

pixabay

উকুন রসুনের গন্ধ একদম পছন্দ করে না। রসুনের আট থেকে দশ কোয়া থেঁতো করে লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে মাখলে উকুন মরে যায়। ৩০ মিনিট এই প্রলেপ রেখে গরম জলে ধুয়ে চুল আঁচড়াতে হবে।

৮| পেঁয়াজের রস (Onion Juice)

রসুনের মতো পেঁয়াজের রসেও থাকে উগ্র গন্ধ যা উকুনের পছন্দ হয় না। পেঁয়াজের রস তৈরি করে চুল ও স্ক্যাল্পে লাগান। তারপর উকুন হলে যে স্পেশ্যাল চিরুনি লাগে সেটা দিয়ে আঁচড়ান ও শ্যাম্পু করে দিন। প্রতি তিন থেকে চার দিন অন্তর এটা লাগাতে পারেন।

৯| আপেল সেদ্ধ (Boiled Apple)

pixabay

বাড়িতে আপেল থাকলে সেটা সেদ্ধ করে মাথায় লাগান। আপেলেও অ্যাসিড থাকে যা উকুন ও নিট মারতে সক্ষম। এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিন। তারপর চুল আঁচড়ে উকুন ও নিট বের করে শ্যাম্পু করে নিন।

১০| মেয়োনিজের ব্যবহার (Mayonnaise)

মেয়োনিজের মধ্যেও এমন কিছু উপাদান আছে যা উকুন ও নিট মারতে সক্ষম। বেশ কিছুটা মেয়োনিজ নিয়ে মাথায় লাগিয়ে দিন।সারা রাত রেখে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে চুল আঁচড়ে নিন।  

উকুন নিয়ে কিছু জরুরি প্রশ্ন ও তার উত্তর (FAQs)

১| প্রশ্ন: উকুন ও নিটের মধ্যে কী তফাৎ?

উত্তর: উকুন এক ধরনের পরজীবী। উকুন ডিম পারলে তাকে বলে নিট।  

২| প্রশ্ন: উকুন ও নিট কি আমার মাথায় অন্যের চুল থেকে আসতে পারে?

উত্তর: অবশ্যই। উকুন খুব সহজেই এক মাথা থেকে আরেক মাথায় চলে যায়।   

৩| প্রশ্ন: উকুন মারার জন্য বাজারে যে সব ওষুধ পাওয়া যায় সেগুলো কি ক্ষতিকর?

উত্তর: হ্যাঁ, সেগুলোতে শক্তিশালী এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে। প্রথমবারে এটি সব উকুন বা তার ডিম মারতে সক্ষম হয় না। তাই বারবার এটি ব্যবহার করতে হয়। উকুন মরলেও চুল একেবারে নষ্ট হয়ে যায়।

৪| প্রশ্ন: নুন জল কি উকুন মারতে সক্ষম?

উত্তর: শুধু নুনের এই ক্ষমতা নেই। তবে নুনের সঙ্গে ভিনিগার মেশালে সেটি উকুন ও উকুনের ডিম মারতে পারে। নুন চুলের আর্দ্রতা কেড়ে নেয় তাই এটি ব্যবহার করার পর চুলে আর্দ্রতা সরবরাহ করবেন।

৫| প্রশ্ন: চুলের কীরকম অবস্থায় উকুন বেশি আকর্ষিত হয়?

উত্তর: আপনার স্ক্যাল্প যদি অপরিচ্ছন্ন ও ময়লা থাকে, আপনার চুল যদি জট পাকানো থাকে তাহলে উকুন চট করে সেখানে বাসা বাঁধতে সক্ষম হয়।   

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!
আপনি যদি রংচঙে, মিষ্টি জিনিস কিনতে পছন্দ করেন, তা হলে POPxo Shop-এর কালেকশনে ঢুঁ মারুন। এখানে পাবেন মজার-মজার সব কফি মগ, মোবাইল কভার, কুশন, ল্যাপটপ স্লিভ ও আরও অনেক কিছু!