পেরেন্টিং টিপস

করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দি অবস্থায় আপনার সন্তানকে সামলে রাখবেন কী করে?

Swaralipi BhattacharyyaSwaralipi Bhattacharyya  |  Mar 20, 2020
করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দি অবস্থায় আপনার সন্তানকে সামলে রাখবেন কী করে?

করোনা ভাইরাসের (coronavirus) আতঙ্কে এখন কার্যত গৃহবন্দি (quarantine) গোটা দেশ। চিকিৎসকরা তো বটেই, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও তেমন পরামর্শই দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ তা মেনে চলার চেষ্টা করছেন। যাঁরা এমার্জেন্সি ডিউটিতে রয়েছেন, তাঁদের ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। আবার কিছু সংখ্যক মানুষ এখনও এর ভয়াবহতা বুঝতে পারছেন না।

বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বেশিরভাগ স্কুল। বাড়িতে রয়েছে আপনার সন্তান। আর তাদের এই মুহূর্তে সামলে রাখাটা মায়েদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। গৃহবন্দি অবস্থায় কীভাবে শিশুকে সামলে রাখবেন, তারই  কিছু সাজেশন দেওয়ার চেষ্টা করলাম আমরা।

১) প্রাথমিক ভাবে করোনা ভাইরাস কী, কীভাবে সংক্রমণ হতে পারে এবং কী কারণে এই মুহূর্তে গৃহবন্দি থাকা প্রয়োজন, তা আপনার সন্তানকে ভাল করে বুঝিয়ে বলুন। বিষয়টা বুঝতে পারলে অনেক শিশুই নিজে থেকে সাবধান হবেষ

২) স্কুল এবং বাড়ি মিলিয়ে একটা রুটিনে বাঁধা থাকে আপনার সন্তানের জীবন। এখন সেই রুটিনের বিরতি। ফলে সারাক্ষণ বাড়িতে থাকতে গেলে হয়তো ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলবে আপনার সন্তান। আপনি এই কয়েকটা দিনের জন্য আলাদা একটা রুটিন তৈরি করে দিতে পারেন। পড়া, খাওয়া, খেলা, ঘুম সব কিছুই চলতে পারে আপনার তৈরি রুটিন অনুযায়ী।

 

ছবি ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে।

৩) বাড়ির বাইরে খেলতে যাওয়া এখন একেবারে বন্ধ। হয়তো স্কুল থেকে ফিরে বিকেলে আপনার সন্তানের বাড়ির বাইরের রাস্তায়, মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যাওয়ার অভ্যেস ছিল। অথবা কমপ্লেসের ভিতরের উঠোনে বা ছাদে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলত সে। এখন এক্কেবারে বন্ধ। বরং ইন্ডোর গেমে আপনি তাঁকে উৎসাহ দিন। লুডো, ক্যারাম, দাবা খেলা শেখাতে পারেন। রুমাল চোর বা লুকোচুরির মতো নিজের ছোটবেলার প্রিয় খেলাও সন্তানকে শেখাতে পারেন।

৪) বাড়িতে থাকা মানেই শুধু টিভি দেখা নয়। অনেক সময়ই শিশু বাড়িতে থাকলে সর্বক্ষণ টিভি দেখে অথবা বাবা-মায়ের মোবাইল নিয়ে ঘাঁটতে থাকে। অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এই অভ্যেস আজই বন্ধ করুন। টিভি দেখা বা মোবাইল নেওয়ারও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিন।

৫) বই পড়ার অভ্যেস ফিরিয়ে আনুন। আপনি নিজেও গল্প পরে শোনাতে পারেন। আবার সন্তান যে বয়সের সেই অনুযায়ী কোনও বই সে যাতে নিজে পড়ে, সেই অভ্যেসও তৈরি করতে পারেন।

৬) নাচ, গান, আঁকার মতো যে কোনও দিকে সন্তানের উৎসাহ থাকলে আগামী কয়েকটা দিন সেই কাজ আরও মন দিয়ে করার জন্য উৎসাহ দিন। প্রয়োজন হলেও আপনিও তার সঙ্গে যোগ দিন।

৭) সবথেকে বড় কথা, সন্তানের সঙ্গে কথা বলুন। দৈনন্দিনের ব্যস্ততায় হয়তো চেনা রুটিনের বাইরে তার সঙ্গে কথা বলা হয় না। নিজের ছোটবেলার গল্প শেয়ার করতে পারেন। তার স্কুল বা বন্ধুদের গল্প শুনতে পারেন। সব মিলিয়ে ওর বন্ধু হয়ে উঠুন। 

POPxo এখন চারটে ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

২০২০ শুরু করুন আমাদের দারুণ দারুণ প্ল্যানার আর স্টেটমেন্ট সোয়েটশার্ট দিয়ে। এগুলো সবকটাই আপনারই মতো একশ শতাংশ মজার এবং অসাধারণ! ওহ হ্যাঁ, শুধুমাত্র আপনার জন্য রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থাও। দেরি কিসের আর, এখনই POPxo.com/shop থেকে কেনাকাটা সেরে ফেলুন আর নিজেকে আরেকটু পপ আপ করে ফেলুন!