জন্মদিন কবে? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ যদি বলেন, ১ জানুয়ারি, তার মজাই আলাদা। দেখুন, জন্মদিন প্রত্যেকের কাছেই স্পেশ্যাল। কিন্তু তা যদি এমন দিনে হয়, যেদিন অন্য কোনও কারণে সকলে সেলিব্রেট করছেন, তাহলে মজাটা আরও বেড়ে যায় বৈকি! তেমনই একটি দিন হল, বছরের প্রথম দিন। অর্থাৎ ১ জানুয়ারি। এই দিন শিশুর জন্ম হলে তো কথাই নেই! চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে এখন অনেক হবু বাবা-মা সন্তানের জন্মের দিন এগিয়ে বা পিছিয়ে নিয়ে আসেন। স্পেশ্যাল দিনে শিশুর জন্ম দিতে চান অনেকেই। সেই হুজুগে গতকাল অর্থাৎ ২০২০-র প্রথম দিন ভারতে (India) কতজন শিশুর (baby) জন্ম (birth) হয়েছে জানেন? একটি বেসরকারি হিসেব বলছে সংখ্যাটা ৬৭,৩৮৫!
২০২০-এর ১ জানুয়ারি নাকি চিনে জন্ম হয়েছে ৪৬,২৯৯টি শিশুর। নাইজিরিয়াতে ২৬,০৩৯টি, পাকিস্তানে ১৬,৭৮৭টি, ইন্দোনেশিয়ায় ১৩,০২০টি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১০,৪৫২টি শিশুর জন্ম হয়েছে গতকাল। ইউনিসেফ-এর হিসেব অনুযায়ী, গত বুধবার বিশ্বজুড়ে ৩৯২,০৭৮টি শিশুর জন্ম হয়েছে।
চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ জানিয়েছেন, বহু বাবা-মা শিশুর জন্মের জন্য এই দিনটা আগে থেকেই বেছে রেখেছিলেন। বিশেষ করে যে সব মায়েরা সি-সেকশন পদ্ধতির মাধ্যনে শিশুর জন্ম দিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই বেছে রাখাটা সুবিধের হয়েছে। আসলে অনেকেই চেয়েছিলেন এই বিশেষ দিনে শিশুর জন্ম হোক। কেউ বা দিনটিকে শুভ বলে মনে করেন বলেই শিশুর জন্মের জন্য বেছে রেখেছিলেন।
ইউনিসেফ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ১ জানুয়ারি শিশুর জন্মের হুজুগে প্রায় ২.৫ মিলিয়ন শিশু জন্মের এক মাস পরেই মারা যায়। এর এক তৃতীয়াংশ বেঁচেছিল মাত্র একদিন। এর কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিশেষ দিনে শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে অনেক সময় প্রি-ম্যাচিওর ডেলিভারি হয়। ডেলিভারির সময় নানা সমস্যা তৈরি হয়। শিশুর ইনফেকশও হয়ে যেতে পারে। আবার সদ্যোজাত শিশু এবং মায়ের দেখভালের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মীর প্রয়োজন। তা না থাকাও শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ। প্রশিক্ষিত কর্মীর সংখ্যাটাও সব দেশে পর্যাপ্ত কিনা, তাও খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে ইউনিসেফ।
সব মিলিয়ে চিকিৎসকদের একটা বড় অংশের ব্যখ্যা, শিশুর জন্মের জন্য যতটা সময় দেওয়া প্রয়োজন, ততটাই দেওয়া উচিত। সময়ের আগে ডেলিভারি হলে অনেক সময়ই নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। তাই কোনও হুজুগে সন্তানের ভবিষ্যত নষ্ট করবেন না। বরং সন্তানের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য মাতৃগর্ভে যতটা সময় প্রয়োজন, সেটুকু দিন। হবু বাবা-মায়েদের কথায় যেন চিকিৎসকরা প্রভাবিত না হন, সেদিকেও লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ইউনিসেফ কর্তৃপক্ষ।
POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!
এসে গেল #POPxoBeauty – POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়