home / Diet
পিসিওডি-এর সমস্যায় ভুক্তভোগী? লাইফস্টাইলে পরিবর্তন এনে দেখুন

পিসিওডি-এর সমস্যায় ভুক্তভোগী? লাইফস্টাইলে পরিবর্তন এনে দেখুন

আমাদের জীবনশৈলীর জন্য় শরীরে নানারকম রোগ বাসা বাধছে। যেমন দশ জন মেয়েকে যদি প্রশ্ন করা হয়, তবে তার মধ্যে অন্তত ৫জনের তো পিসিওডি থাকেই। পিসিওডি বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ (cure pcod) । ইদানীং এই সমস্যাটি মেয়েদের মধ্যে অনেকটাই বেশি। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ বা পিসিওডির জন্য অনেকাংশেই দায়ি আমাদের লাইফস্টাইল। আমাদের লাইফস্টাইলের কারণেই আমাদের শরীরে অন্যান্য সমস্যাও (cure pcod) হয়।

পিসিওডি (cure pcod) কী?

ওভারিতে একাধিক সিস্ট দেখা যায়। সিস্টগুলিতে ফ্লুইড থাকে। পিরিয়ড সঠিক সময় না হওয়ার কারণেই মূলত পিসিওডি হতে পারে। যাঁদের পিসিওডি (cure pcod) থাকে, তাঁদের ওভারি সাধারণ ওভারির থেকে আকারে বড় হয়ে যায়। অনেক বেশি পরিমাণে অ্যান্ড্রোজেন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন তৈরি করতে থাকে। এই অবস্থাকে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএস (PCOS)-ও বলা হয়।

পিসিওডি(PCOD)-র লক্ষণ কী কী হতে পারে

  • অনিয়মিত পিরিয়ড
  • অতিরিক্ত বডি হেয়ার
  • অ্যাকনের সমস্যা
  • কণ্ঠস্বরে পরিবর্তন
  • ওজন বেড়ে যায়
  • স্তনের গঠনে পরিবর্তন
  • চুল পাতলা হয়ে যায়

পিসিওডি(PCOD)-র কারণে কী সমস্যা হতে পারে

  • নিয়মিত পিরিয়ড হয় না।
  • গর্ভধারণে সমস্যা হয়।
  • ওজন বেড়ে যায়।
  • চুল পাতলা হয়ে যায়।
  • এর পাশাপাশিও আরও অনেক শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হয় পিসিওডির কারণে।

কীভাবে ঠিক হতে পারে পিসিওডি (cure pcod) ?

পিসিওডি-এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। তবে চিকিৎসকদের একাংশ, আপনার জীবনশৈলীকেই এই অসুখের জন্য দায়ী করেন। শুধুমাত্র সঠিক ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের সাহায্য়েই এই অসুখ সারিয়ে ফেলার পরামর্শ দেন তাঁরা। পিসিওডি ঠিক (cure pcod) রার জন্যে প্রথমেই ওজন নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজন। ওজন বাড়তে থাকলে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড নিয়মিত হলে পিসিওডি-এর সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনার স্বাস্থ্যকর জীবনশৈলীই আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে। পিসিওডি সারানোর (cure pcod) জন্য প্রয়োজন ব্যায়াম। সঠিক খাবার। সঠিক পরিমাণ ঘুম। ভিটামিন জাতীয় খাবারও উপকার করে। জগিং বা সাইকেল চালানোর মতো ব্যায়ামও আপনাকে সাহায্য করে। পিসিওডি-র জন্য যোগাসনও খুব উপকারী। বেশ কয়েকটি যোগাসন রয়েছে, যা আপনার মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলকে স্বাভাবিক রাখে। এবং পিসিওডি-র মতো শারীরিক অসুস্থতাকে ঠিক করে।

শর্করা ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে (cure pcod) – আপনার শরীরের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আপনার ডায়েট থেকে মিষ্টি বাদ দিতে পারেন চিকিৎসক। এছাড়াও কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার পরিমাণও বেঁধে দিতে পারেন। অর্থাৎ ভাত ও রুটি খাওয়ার পরিমাণ কম হতে পারে। তবে নানা রকম ফলে স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট থাকে। তা খেতে পারেন আপনি। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে – পিসিওডি-এর ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই অন্য সুস্থ মানুষকে ওজন কমানোর জন্য যতটা পরিশ্রম করতে হবে। আপনাকে তার থেকে বেশি পরিশ্রম করতে হবে। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি।

প্রতিদিন ব্যায়াম করুন – প্রতিদিন কাজের ফাঁকে সময় বের করুন (cure pcod) । অন্তত ৩০ মিনিট নিজের জন্য় রাখুন। সেই সময় ব্যায়াম করুন। আপনি সুস্থ থাকবেন। সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করার প্রয়োজন। শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে। হজম ঠিকঠাক হবে। ওজন কমবে। আপনি সুস্থ থাকবেন।

POPxo এখন চারটে ভাষায়!ইংরেজিহিন্দিমারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন
#POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন
নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!

24 Aug 2021

Read More

read more articles like this
good points logo

good points text