Love

লং-ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ মানেই কিন্তু সমস্যা নয়, জানতে হয় কিভাবে সম্পর্কে স্পার্ক আনবেন!

Debapriya BhattacharyyaDebapriya Bhattacharyya  |  Sep 23, 2020
লং-ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ মানেই কিন্তু সমস্যা নয়, জানতে হয় কিভাবে সম্পর্কে স্পার্ক আনবেন!

অনেকের মতেই  লং-ডিস্টেন্স রিলেশনশিপে (long distance relationship) সমস্যা অনেক বেশি. আর লং-ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ টেকানোও খুব একটা সহজ না, তাই ব্রেক-আপই হলো একমাত্র রাস্তা! না, একেবারেই না! এটা ঠিক যে লং-ডিস্টেন্স রিলেশনশিপে ভৌগোলিক দূরত্ব থাকে কিন্তু তার মানে তো এটা নয় যে দু’জন মানুষের মনের দূরত্বও বাড়বে! লং-ডিস্টেন্স রিলেশনশিপে থাকাটা সহজ নয় কিন্তু কয়েকটা ব্যাপার মাথায় রাখলে আর একটু প্ল্যানিং করে চললেই কিন্তু অনেক সমস্যার সমাধান করা যায়, এমনকি অনেক অবাঞ্ছিত সমস্যা তৈরীই হয় না। আজ এরকমই কয়েকটা টিপস শেয়ার করব এই প্রতিবেদনে।

১। প্র্যাক্টিকাল হওয়া খুব জরুরি

প্রতিটি সম্পর্কেই বাস্তববাদী হওয়া জরুরি, তা না হলেই সমস্যা (ছবি – হইচই ডট টিভির সৌজন্যে)

আপনারা নিশ্চই কোনো একটা কারণের জন্য “লং-ডিসটেন্স রিলেশনশিপ’-এ (long distance relationship) রয়েছেন! সেটা চাকরি হতে পারে, পড়াশোনার জন্য হতে পারে আবার অন্য কোনো কারণও হতে পারে। কারণটা যাই হোক না কেন যখন যখন আপনি কোনো একটা সম্পর্কে জড়িয়ে থাকেন তখন আপনার মনে আপনার সঙ্গীর প্রতি কিছু প্রত্যাশা (expectations) তৈরী হয়েই যায় এবং আপনার সঙ্গীরও আপনার থেকে কিছু প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু ভৌগোলিক দূরত্বের (physical distance) জন্য অনেক সময় অনেক প্রত্যাশা (expectations) আপনারা পূরণ করে উঠতে পারেন না। তখন তৈরী হয় কষ্ট সেখান থেকে ক্ষোভ এবং তারপরে ভুল-বোঝাবুঝি। এই সবগুলো নেগেটিভ ইমোশন কিন্তু একটা সম্পর্ককে শেষ করার জন্য যথেষ্ট। তাই এমন কিছু প্রত্যাশা (expectations) তৈরী করবেন না কিংবা তৈরী হতেও দেবেন না যাতে পরে গিয়ে তার খেসারত আপনাদের দুজনকে দিতে হয়।

২। মাঝে-মধ্যে দেখা করুন

লং-ডিসটেন্স রিলেশনশিপে (long distance relationship) যেহেতু ভৌগোলিক দূরত্বটা (physical distance) অনেক বেশি থাকে, তাই সবসময় একে অন্যের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ হয়ে ওঠে না। কিন্তু মাঝে মধ্যে তো একে অন্যের সাথে দেখা করে যায়! নিজেদের সুবিধে মতো নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নিন যে কবে কোথায় কে কার সাথে দেখা করতে যাবে বা আসবে। বছরে একবার আপনি আপনার সঙ্গীর ঠিকানায় পৌঁছে গেলেন আবার অন্য বার তিনি এলেন আপনার শহরে আপনার সাথে দেখা করতে; কিংবা, দুজনের সুবিধেমত কোনো একটা সময় ঠিক করে একসাথে কোথাও থেকে ঘুরেও আসতে পারেন।

৩। সারাক্ষণ ফোনে কথা বলবেন না

বেশিরভাগ কাপল যে ভুলটা করে সেটা হলো তারা ভাবে যে যেহেতু ভৌগোলিক দূরত্বটা (physical distance) বেশি, তাই যতটা সম্ভব কথা বলা উচিত. দিনের মধ্যে মোটামুটি ১২-১৩ ঘন্টা কথা না বললেই নয়। কিন্তু এটা ভুলে যায় যে ওভার-পসেসিভ হওয়াটা যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা বড় অন্তরায়। অতিরিক্ত ভালোবাসাও কিন্তু একটা সময়ের পরে বোঝা বলে মনে হয় এবং সম্পর্কে যখন স্পেস থাকে না তখন দমবন্ধ হয়ে আসে। এর ফলে কিছুদিন পর সেই সম্পর্ক থেকে মুক্তির প্রয়োজন বোধ হতে থাকে এবং তখন “লং-ডিসটেন্স রিলেশনশিপ’কেই (long distance relationship) সবাই দোষ দিতে আরম্ভ করে।

৪। চিঠি লিখুন মাঝে মধ্যে

মনে আছে, আগেকার দিনে মা-ঠাকুমারা সবাইকে চিঠি লিখতেন? নীল রঙের ইনল্যান্ড লেটারে কিংবা ঘিয়ে রঙের পোস্টকার্ডে! কিন্তু যুগের সাথে সাথে এখন প্রযুক্তিগত কারণে সেসব কাগজ হারিয়ে গেছে, এসেছে শর্ট মেসেজ সার্ভিস। কিন্তু চিঠিতে যে ব্যাপারটা ছিল এখন বৈদ্যুতিন বার্তায় সেই ব্যাপারটা নেই। কাজেই যদি লং-ডিস্টেন্স রিলেশিপে (long distance relationship) এক্স-ফ্যাক্টর আনতে চান আর উদ্দীপনা বজায় রাখতে চান, তাহলে একে অন্যেকে চিঠি লিখুন, কিংবা পোস্টকার্ড পাঠান। জন্মদিনে কিংবা অন্য কোনো অকেশনে ফুল বা চকলেট বা অন্য কিছু উপহারও পাঠাতে পারেন। তবে যদি চান, কোনো উপলক্ষ্য ছাড়াও গিফট পাঠাতে পারেন, আপনার সঙ্গীর ভালোই লাগবে ব্যাপারটা।

POPxo এখন চারটে  ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!

বাড়িতে থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন #POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!