বিনোদন

হইচই-এর নতুন ওয়েব সিরিজ ‘মন্টু পাইলট’ নিয়ে চমক দেবেন সৌরভ দাশ, গল্প শুনুন তাঁর মুখ থেকেই

Swaralipi BhattacharyyaSwaralipi Bhattacharyya  |  Dec 10, 2019
হইচই-এর নতুন ওয়েব সিরিজ ‘মন্টু পাইলট’ নিয়ে চমক দেবেন সৌরভ দাশ, গল্প  শুনুন তাঁর মুখ থেকেই

সিনেমা, সিরিয়ালের পাশাপাশি ওয়েব প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম। ওয়েব সিরিজ স্মার্টফোনের যুগে আরাম অবসর। আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টাল কাজ হচ্ছে। পিছিয়ে নেই বাংলাও। আর বাংলা ওয়েব সিরিজের দুনিয়ার চেনা মুখ সৌরভ দাশ (Saurav Das)। শুধু চেনা নন। বিতর্কিতও বটে। বেশ কিছু ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন সৌরভ। কিন্তু তাঁর অভিনীত ‘চরিত্রহীন’ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই সৌরভ আবার ফিরেছেন চেনা মাঠে। তাঁর পরবর্তী ওয়েব সিরিজ ‘মন্টু পাইলট’ (Montu Pilot)-এর স্ট্রিমিং শুরু হবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর থেকে ‘হইচই’ (Hoichoi) প্ল্যাটফর্মে। কেমন ছিল সেই জার্নি? অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।

মন্টু পাইলট কে?

মন্টুর মাকে ওর বাবা বিয়ে করে এনে নীলকুঠি বলে একটা জায়গায় বিক্রি করে দেয়। তিন, চার বছরের মন্টুকে নিয়ে ওর মা পালায়। একটা ছোট্ট ঘরে থাকতে শুরু করে। কিন্তু ওই নীলকুঠির দু’জন লোক এসে বলে, নীলকুঠি থেকে কেউ পালিয়ে বাঁচতে পারেনি। মাকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। মন্টু ঘর থেকে বেরিয়ে দেখে মা দাউদাউ করে জ্বলছে। ও আবার নীলকুঠিতেই ফিরে আসে। ওখানেই বড় হয়। ওর খুব পাইলট হওয়ার ইচ্ছে ছিল। আকাশে প্লেন গেলেই তাকিয়ে থাকত। ও পাইলট হয়েছে বটে। কিন্তু মেয়েদের পাইলট। আর মা ওর খুব বড় উইক পয়েন্ট। এভাবেই ফ্রেম করা হয়েছে গল্পটা।

সোলাঙ্কি অভিনয় করেছেন। ওঁর চরিত্রটা কি মন্টুর লভ ইন্টারেস্ট?

সোলাঙ্কির চরিত্রের নাম ভ্রমর। ওর সঙ্গে মায়ের ব্যাপারটা মেলাতে পারে মন্টু। ও তো প্রেম বোঝে না। সেই অনুভূতিটাই তৈরি হয়নি কখনও। একটা না বলা ভাল লাগা তৈরি হয় দু’জনের মধ্যে। আমি এমন কোনও সম্পর্কে জড়াইনি কখনও। তাই এটা ফুটিয়ে তোলা চাপ হয়েছিল। মন্টু বলে, আমি এখানেই থাকব, এখানেই মরব। ও জানে, সেটা না হলে ওর মায়ের মতোই পরিণতি হবে। আসলে বাইরে থেকে যতটা রাফ অ্যান্ড টাফ, ভিতর থেকে ততটাই ভিতু এই চরিত্রটা। মন্টু কি ভ্রমরকে নিয়ে পালাতে পারবে, এমন একটা ক্লাইম্যাক্স রয়েছে।  

এই মুহূর্তে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের অনেকেই মনে করেন, ওয়েবই ভবিষ্যৎ। আপনি কী বলবেন?

আমিও একমত। ওয়েবই ফিউচার। আমার বন্ধু বা কলিগরাও সেটা মনে করেন। যে হারে দর্শক এখন ওয়েব (web) দেখছেন, কারণ টিকিট কাটতে হচ্ছে না, নিজেদের সময় মতো দেখতে পাচ্ছেন। তার ওপর সেন্সর না থাকার কারণে অনেক রিয়ালিস্টিক ভাবেই দেখানো হয়। নিয়ার টু ট্রুথ। অর্ধেক সিনেমা তো তৈরি হয়ে পড়ে থাকছে। রিলিজ হচ্ছে না। 

এই যে সেন্সর নেই, এর সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি? অপব্যবহার হচ্ছে না তো?

অপব্যবহারও হয়। সেন্সর নেই বলে প্রচুর অপ্রয়োজনীয় জিনিসও দেখানো হয়। এটা কেমন জানেন তো, মা যদি বলে, যা খুশি কর, প্রথম ১৫ মিনিট আমাদের খুব আনন্দ হয়। তারপর হয়তো আমরা মারামারি করে ফেলি। কোনটা উচিত, কোনটা নয়, সেটা বোঝা উচিত। 

আপনি নিজে কখনও অপব্যবহার করে ফেলেছেন?

হুম। আমিও করে ফেলেছি। দেখুন, যে কোনও কিছু আমি ইম্প্রোভাইস করার চেষ্টা করি। একটা ওয়েবে সেই ইম্প্রোভাইস করতে গিয়ে গালাগালি অনেক বেশি দিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু এখন বুঝি সেটা হালকা অ্যাভয়েডও করতে পারতাম। আবার আমার যে ওয়েব চরিত্রহীন নিয়ে এতো কন্ট্রোভার্সি সেটাতে কিছু বোল্ড সিন করেছি লজিক্যাল বলে। আবার লজিক খুঁজে পাইনি বলে বেশ কিছু বাদও দিয়েছি। 

‘মন্টু পাইলট’-এও বোল্ড সিন থাকছে?

‘মন্টু পাইলট’ দেখলে সকলে চমকে যাবেন। কোনও বোল্ড সিন রাখিনি। আসলে আমরা চরিত্রহীনের কন্ট্রোভার্সিটা অ্যাভয়েড করার চেষ্টা করছি। গল্পের ওপর অনেক বেশি জোর দিয়েছি। এই চরিত্রটা আমাকে এমন একটা জোনে নিয়ে গিয়েছে যে এই প্রথম জীবনে ট্যাটু করিয়েছি। ঘাড়ে। একটা প্লেনের ট্যাটু। এই চরিত্রটা আমি সারা জীবন মনে রাখতে চাই।  

আর কী কী কাজ করছেন?

এই মুহূর্তে আর কিছু করছি না। ইচ্ছে করেই করছি না। আমি এই চরিত্রটার মধ্যে থাকতে চাই আর কিছুদিন। একটা মিউজিক ভিডিও করব। আর জানুয়ারিতে একটা শর্ট ফিল্ম ডিরেক্ট করব।  

POPxo এখন ৬টা ভাষায়! ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মারাঠি আর বাংলাতেও!

এসে গেল #POPxoEverydayBeauty – POPxo-র স্কিন, বাথ, বডি এবং হেয়ার প্রোডাক্টস নিয়ে, যা ব্যবহার করা ১০০% সহজ, ব্যবহার করতে মজাও লাগবে আবার উপকারও পাবেন! এই নতুন লঞ্চ সেলিব্রেট করতে প্রি অর্ডারের উপর এখন পাবেন ২৫% ছাড়ও। সুতরাং দেরি না করে শিগগিরই ক্লিক করুন POPxo.com/beautyshop-এ এবার আপনার রোজকার বিউটি রুটিন POP আপ করুন এক ধাক্কায়