home / বাড়ির সাজসজ্জা
কম সময়ে ঝকঝকে রান্নাঘর চাই ?  মানতে হবে যে টিপসগুলো

কম সময়ে ঝকঝকে রান্নাঘর চাই ? মানতে হবে যে টিপসগুলো

রান্নাঘর (kitchen ) যে বড় প্রিয় জায়গা । যেমনভাবে ঠিক মন দিয়ে রান্না করতে ভাল লাগে । একইভাবে রান্নাঘর পরিষ্কার রাখাও জরুরি । কিন্তু সে যে বড়াই ঝক্কির কাজ । তবে রান্না করতে গেলে তো একটু মশলা স্ল্যাবে পড়বেই । একইভাবে কড়াইতে মাছ ছাড়লে তেল ছিটকে কিছুটা টাইলসে লাগবে । আবার ওভেনও পড়বে কিছুটা । যত রান্না হবে, রান্না ঘর ততই কালিমাখা হবে । কিন্তু তা হতে দিলে কি আর চলে ?  

রান্নাঘর পরিষ্কার না থাকলে যে রান্না করতেই মন চায় না । পাশাপাশি নোংরা হলে বাড়ে আরশোলার উপদ্রব । কখনও ইঁদুরেরও দেখা মেলে । তবে কী করণীয় ? অবশ্যই নিয়মিত রান্নাঘর (kitchen ) পরিষ্কার করতে হবে । সবসময় ঝকঝকে রান্নাঘর পাওয়ার জন্য মেনে চলতে হবে কয়েকটি ছোট্ট টিপস ( kitchen cleaning tips ) ! 

  • টাইলস সব সময় পরিষ্কার রাখুন
  • স্ল্যাব নিয়মিত পরিষ্কার করুন
  • সিঙ্কে জল জমতে দেবেন না
  • ওভেন পরিষ্কার রাখুন
  • ব্যবহার করুন আরশোলা মারার ওষুধ
  • বেশিরভাগ কৌটো ঢাকা জায়গায় রাখুন
  • ঝুল পরিষ্কার করুন

 

ঝকঝকে রান্নাঘর পেতে কার না মন চায়

টাইলস সব সময় পরিষ্কার রাখুন

রান্নার পরপরই টাইলস পরিষ্কার করে নিন । ( kitchen cleaning tips )নিয়মিত পরিষ্কার না করলে তরকারির ঝোল, দাগ টাইলসের গায়ে জমতে থাকবে । ওই দাগ জমে শক্ত হয়ে গেলে তা ওঠানো মুশকিল । রান্নার সময়ে পাশে  কাপড় রাখুন । কিছু ছিটকে দেওয়ালে লাগলে সঙ্গে সঙ্গে মুছে নিন। নয়তো তা শুকিয়ে গেলে ওঠানো মুশকিল হবে ।

স্ল্যাব নিয়মিত পরিষ্কার করুন

রান্নার গ্যাসের আশপাশের অংশ রান্নার শেষে অবশ্যই মুছবেন । অল্প গরম জলে ডিসওয়াশার মিশিয়ে নিয়ে তা দিয়ে স্ল্যাব মুছে নিতে পারেন । এতে দাগ লেগে থাকবে না । একইভাবে ওয়াইপ-স্পঞ্জে এক ফোঁটা ডিশওয়াশার মিশিয়ে ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডারের বাইরের অংশ রোজ পরিষ্কার করতে পারলে ভাল হয় । নিয়মিত না করলে শুকনো ময়দা, তরকারির ঝোল স্ল্যাবে লেগে থাকবে । তা তুলতে কষ্ট হবে ।

ওভেন পরিষ্কার রাখুন

রান্নাঘরে (kitchen ) সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ আপনার ওভেন । সেটি যেন কখনওই অপরিষ্কার না থাকে । কারণ, ওখানেই আপনি রান্না করছেন । রান্না করার সময় বা রান্নার পর পরই ওভেন মুছে নিন । কোনও দাগ জমতে দেবেন না । মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ক্ষেত্রে একটি বাটিতে জলের মধ্যে ভিনিগার বা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে তা ওভেনে গরম করুন । কয়েক মিনিট পরে বার করে নিন । সেই বাষ্প ওভেনের ভিতর চারপাশে লেগে যাবে । কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

সিঙ্কে জল জমতে দেবেন না

সিঙ্ক রাখুন পরিষ্কার

রান্নাঘরের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সিঙ্ক । সারাদিনের যাবতীয় বাসন জমা হতে থাকে । এই নালি দিয়েই আরশোলা উঠে আসতে পারে আপনার রান্না ঘরে । খাবারের অবশিষ্টাংশ কখনওই সিঙ্কে ফেলবেন না । তা নালিতে আটকে গিয়ে জল আটকে দিতে পারে । ফলে সিঙ্ক থেকে জল পরিষ্কার করা খুবই কষ্টের হবে । বাসন থেকে খাবারের অবশিষ্টাংশ ডাস্টবিনে ফেলে দিন । সেই বাসন সিঙ্কে রাখুন । যত দ্রুত সম্ভব বাসন ধুয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন । সিঙ্কে জল জমতে দেবেন না । সবশেষে ডিশওয়াশার সিঙ্কের নালিতে একটু দিয়ে দিতে পারেন । জল চালিয়ে দিন । পাইপটিও ধুয়ে যাবে ।

ব্যবহার করুন আরশোলা মারার ওষুধ

রান্নাঘরে আমরা খাবার রাখি । কাঁচা সবজি ও ফলও খোলা রাখা থাকে । তাই সব সময় খেয়াল রাখা প্রয়োজন, রান্নাঘরে (kitchen ) যেন কোনওভাবেই না পোকামাকড় বা আরশোলার উপদ্রব না বাড়ে । তাহলেই বিপদ ! কোনওভাবে খাবারে জীবাণু ছড়ালে তা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর হয়ে ওঠে । তাই রান্নাঘরের প্রতিটা কোণে, সিঙ্কের পাইপের নিচে এবং সিঙ্কের পাইপের মধ্যেও স্প্রে করুন আরশোলা মারার ওষুধ । যেন কোনওভাবে ওরা আপনার রান্নাঘরে ঠাঁই না পায় । খাবার কখনও খোলা রাখবেন না ।

বেশিরভাগ কৌটো ঢাকা জায়গায় রাখুন

কৌটো রাখুন কাবার্ডে

রান্নাঘর খোলামেলা হলে জিনিস চিটে কম হয় । ফ্রিজ, ওভেন, মশলার তাক সুদৃশ্য ঢাকনায় ঢেকে রাখলে ভাল হয় । ছোট রান্নাঘরের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ হয়তো থাকে না । সে ক্ষেত্রে মশলার কৌটো ক্যাবিনেটে ভরে রাখুন । পাল্লাও বন্ধ রাখুন । এতে সেগুলি রান্নার তাপ ও ঝুল থেকে রেহাই পাবে । মশলার কৌটো নিয়মিত পরিষ্কার করুন । 

তাক পরিষ্কারের জন্য বাজারে প্রচুর লিকুইড ক্লিনার মেলে । তাতে স্ক্রাবার ভিজিয়ে সপ্তাহে যতবার সম্ভব পুরো জায়গাটা মুছে নিন । তাতে রান্নাঘর জীবাণুমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন থাকবে । 

ঝুল পরিষ্কার করুন

ওভেন, স্ল্যাব, সিঙ্কের পাশাপাশি রান্নাঘরের দেওয়াল ও সিলিংও পরিষ্কার রাখা জরুরি । রান্নার তেল ও ধোঁয়ায় প্রচুর কালো ঝুল হয় দেওয়ালে । যা আপনার দেওয়াল নোংরা তো করেই, পাশাপাশি দেখতেও খুব খারাপ লাগে । সপ্তাহ শেষে কাজের চাপে হয়তো সেই ঝুল পরিষ্কার করা হয়ে ওঠে না । কিন্তু মাসে অন্তত একবার সেই ঝুল পরিষ্কার করুন ।  রান্নাঘরে চিমনি, হুড, এগজস্ট ফ্যান থাকলে ধোঁয়া, তেল বাষ্প হয়ে বাইরে বেরিয়ে যাবে । তবে সেগুলোরও নিয়মিত সাফাই জরুরি । পেশাদারকে ডেকে বছরে দু’বার চিমনি সার্ভিসিং করান । চিমনির চারপাশ রোজ ভিজে কাপড়ে মুছে দেবেন ।

একইসঙ্গে নিজেরও যত্ন নিন । রান্নাঘর পরিষ্কার করার পর নিজের হাতে ময়স্টারাইজার লাগিয়ে নিতে ভুলবেন না । তাহলে আপনার রান্নাঘরও সুন্দর থাকবে এবং আপনিও থাকবেন শ্রীময়ী ।

POPxo এখন চারটে ভাষায়!ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি আর বাংলাতেও!
বাড়িতে
থেকেই অনায়াসে নতুন নতুন বিষয় শিখে ফেলুন। শেখার জন্য জয়েন করুন
#POPxoLive, যেখানে আপনি সরাসরি আমাদের অনেক ট্যালেন্ডেট হোস্টের থেকে নতুন
নতুন বিষয় চট করে শিখে ফেলতে পারবেন। POPxo App আজই ডাউনলোড করুন আর জীবনকে আরও একটু পপ আপ করে ফেলুন!

11 Nov 2020

Read More

read more articles like this
good points logo

good points text